সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল

বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় শতাধিক কৃষক পরিবার

  • আপলোড সময় : ৩০-০১-২০২৬ ০৯:৫০:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩০-০১-২০২৬ ০৯:৫০:৫৪ পূর্বাহ্ন
বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় শতাধিক কৃষক পরিবার
দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি :: *সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ ও লাইসেন্স নিয়ে জটিলতা *পানির অভাবে জমি ফেটে চৌচির, শুকিয়ে যাচ্ছে বীজতলা দোয়ারাবাজার উপজেলার মহব্বতপুর-গোজাউড়া হাওরের একাংশে বোরো ধান আবাদ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ ও বিএডিসি’র লাইসেন্স সংক্রান্ত জটিলতায় সময়মতো পানি না পাওয়ায় ফেটে চৌচির হচ্ছে জমি, শুকিয়ে যাচ্ছে বীজতলা। এতে ওই অঞ্চলের শতাধিক কৃষক পরিবারের চোখেমুখে এখন দুশ্চিন্তার ছাপ। সরেজমিনে গোজাউড়া হাওরের মহব্বতপুর অংশে গিয়ে দেখা যায়, পানির অভাবে অনেক জমিতে চারা রোপণ করা সম্ভব হচ্ছে না। খাসিয়ামারা-মরানদী থেকে সেচ পা¤েপর মাধ্যমে পানি সরবরাহের কথা থাকলেও চারটি পাম্পের অনুমোদন বিলম্বিত হওয়ায় প্রায় ৫০ হেক্টর জমি অনাবাদি থাকার উপক্রম হয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, দ্রুত সেচ কার্যক্রম শুরু না হলে চলতি মৌসুমের ফলন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, মামুনপুর ও মহব্বতপুর গ্রামের সেচ পা¤পগুলো নিয়ে স্থানীয় দুই পক্ষ হানিফ আলী ও আমীর আলীর মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব চলছে। হানিফ আলীর পা¤েপর অনুমোদন থাকলেও আমীর আলীর পক্ষের কৃষকরা সেখান থেকে পানি নিতে রাজি নন। অন্যদিকে, আমীর আলীর সেচ পাম্পে বিএডিসি’র লাইসেন্স থাকলেও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় তা চালু করা যাচ্ছে না। এই রেষারেষি ও কারিগরি জটিলতার বলি হচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আমীর আলী জানান, আমরা নিয়ম মেনেই আবেদন করেছি, লাইসেন্সও পেয়েছি। কিন্তু বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় পাম্প চালাতে পারছি না। দ্রুত পানি না পেলে আমাদের সব কষ্ট বিফলে যাবে। একই গ্রামের কৃষক জামাল মিয়া, আশুক মিয়া ও আব্দুস শহীদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মৌসুমের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পানি না পেলে চারা রোপণের উপযুক্ত পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাবে। এতে করে পুরো বছরের খোরাক নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হবে। এ বিষয়ে হানিফ আলী বলেন, আমার লাইসেন্স আছে এবং পানি দিতে আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু ওই অংশের কৃষকরা পানি নিতে এখনো আসেনি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনিক ও কারিগরি জটিলতায় বিদ্যুৎ সংযোগের বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন। কৃষকরা এই সংকট নিরসনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছেন। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করা না গেলে দোয়ারাবাজারের কৃষি অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এখন দেখার বিষয়, কৃষকের সোনালী স্বপ্ন বাঁচাতে প্রশাসন কতটা দ্রুত পদক্ষেপ নেয়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য