সুনামগঞ্জ , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ , ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারাদেশে সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পাহাড়ি ঢলের তান্ডবে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, চরম দুর্ভোগে সীমান্তবাসী একদিনেই দুই শিশুর মৃত্যু, জেলায় মৃতের সংখ্যা ৪৭ মধ্যনগরের ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমপি কামরুলের অর্থায়নে নৌকা বিতরণ পথে যেতে যেতে: পথচারী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সওজকে আদালতের নির্দেশ ‎আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন পাঁচ মিনিটের বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ বর্ষায় নজরুল : শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর মধ্যনগরে শিশু ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ‎জামালগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন রুবেলের দাবি রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে ৫ গুণীজন পেলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে ৭ ইসলামি দল শান্তিগঞ্জে রুস্তম আলী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাওর-নদী হারাচ্ছে পানি ধারণ ক্ষমতা, বাড়ছে অকাল বন্যার শঙ্কা

তাহিরপুরে সেতুর অভাবে যুগ যুগ ধরে দুর্ভোগে চার গ্রামের মানুষ

  • আপলোড সময় : ৩১-০৩-২০২৬ ১০:২৯:৪৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩১-০৩-২০২৬ ১০:৩১:১১ অপরাহ্ন
তাহিরপুরে সেতুর অভাবে যুগ যুগ ধরে দুর্ভোগে চার গ্রামের মানুষ
স্টাফ রিপোর্টার::
তাহিরপুর উপজেলায় একটি সেতুর অভাবে যুগ যুগ ধরে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন চারটি গ্রামের প্রায় ৫ হাজার মানুষ। শুকনো মৌসুমে কোনো রকমে বাঁশের চাটাই দিয়ে পায়ে হেঁটে চলাচল করা গেলেও বর্ষা এলে নৌকা ও ঝুঁকিপূর্ণ অস্থায়ী সাঁকোই হয়ে ওঠে একমাত্র ভরসা। এতে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের। উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের রসুলপুর, টুকেরগাঁও, গোবিন্দপুর ও সংরামপুর গ্রামের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী সেতুর দাবি জানিয়ে আসছেন। টুকেরগাঁওয়ের শ্রীশ্রী কালী মন্দির সংলগ্ন এলাকা ও টাকাটুকিয়ার মধ্যবর্তী বৌলাই নদীর শাখায় একটি সেতু নির্মাণ হলে এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চারটি গ্রামের বাসিন্দাদের উপজেলা সদর, হাসপাতাল কিংবা জেলা শহরে যেতে হলে বৌলাই নদী পার হতে হয়। নদীটি বড় না হলেও নিরাপদ পারাপারের কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেই। শুকনো মৌসুমে বাঁশের চাটাই বিছিয়ে কোনোভাবে চলাচল করা যায়, আর বর্ষাকালে নৌকাই একমাত্র ভরসা। স্থানীয়রা নিজেরাই বাঁশের সাঁকো তৈরি করলেও তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা রুবেল মিয়া ও সাইফুল ইসলাম রোকন জানান, চারটি গ্রামের অনেক শিক্ষার্থী প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হয়ে স্কুল-কলেজে যায়। এতে অভিভাবকরাও সবসময় আতঙ্কে থাকেন। একটি সেতু নির্মাণ হলে তাদের এই দুশ্চিন্তা দূর হবে। পাশাপাশি কৃষকদের উৎপাদিত ধান, সবজি ও অন্যান্য পণ্য পরিবহন সহজ হবে। এলাকার দলিল লেখক আলাউদ্দিন, চাকরিজীবী জয়নাল ও কালাম মিয়া বলেন, বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপারের সময় প্রায়ই শিক্ষার্থী ও বয়স্ক মানুষ পড়ে গিয়ে আহত হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানানো হলেও এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী ইউনুস আলী বলেন, বর্ষা মৌসুমে এই চার গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে। জনস্বার্থে এখানে দ্রুত একটি সেতু নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি।
এ বিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স