সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬ , ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাজেট প্রত্যাখ্যান করে এনডিএফ’র বিক্ষোভ পাটের বস্তা সংকটে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম বন্ধ, ভোগান্তিতে কৃষক চিলাই নদীর বেড়িবাঁধে ধস, ঝুঁকিতে অর্ধশত গ্রাম দিল্লিতে প্রবেশে বাধা, ঢাকায় ফিরে এলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ বিদ্যালয়ে ক্লাস নিলেন ইউএনও : ইংরেজিভীতি দূর করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার আইসিইউ কার্যক্রম উদ্বোধন অবৈধভাবে তিন কালভার্ট বন্ধের অভিযোগ, জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ চরমে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর আহ্বান কাজের তথ্য দিতে অপারগতা! সাংবাদিককে হুমকি-ধমকি এআই ক্যামেরা ‘কাল’ হলো বেনজীরের গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের ‘হাওর সুরক্ষা ও পানি ব্যবস্থাপনা’ মডেল সেরা প্রস্তাবিত বাজেট অধিক ঋণনির্ভর, অবাস্তবায়নযোগ্য ও লুটপাটের : জামায়াত সুবিপ্রবি উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে ১০ দিনের আল্টিমেটাম কারা নির্যাতিত নেতাকর্মীদের নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওরে এমপি কামরুলের আনন্দ ভ্রমণ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে : এনবিআর চেয়ারম্যান হাঁটু সমান কাদা, চলাচলে চরম দুর্ভোগ : পশ্চিম টিলাগাঁও সড়ক সংস্কারের দাবি হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার, দম্পতি আটক ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নে দোয়ারাবাজারে গণশুনানি

একটু রোদের ঝিলিক, ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষক

  • আপলোড সময় : ০১-০৫-২০২৬ ১২:২৭:১৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-০৫-২০২৬ ০১:০১:৫৪ পূর্বাহ্ন
একটু রোদের ঝিলিক, ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষক
সামছুল ইসলাম সরদার ::
টানা পাঁচ দিনের অবিরাম বৃষ্টির পর অবশেষে বুধবার রোদের দেখা পান কৃষক-কৃষাণীরা। এতে মাড়াই করা ধান শুকাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তারা। সামান্য রোদের ঝিলিকই তাদের মনে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে। দিরাই উপজেলার বরাম হাওরসহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। পৌরশহরের অনেক কৃষক ধান শুকানোর পর্যাপ্ত জায়গা না পেয়ে দিরাই পৌরশহরের বিভিন্ন সড়ক, এমনকি দিরাই-সুনামগঞ্জ মহাসড়কের এক পাশেও ধান শুকাতে বাধ্য হচ্ছেন। পৌরশহরের আনোয়ারপুর আবাসিক এলাকার বাসিন্দা কৃষক জলিল মিয়া বলেন, তিন কেয়ার জমিতে চাষ করছিলাম। মেঘ আসার আগে দুই কেয়ার ধান কাটতে পারছিলাম। কিন্তু পাঁচ দিনের বৃষ্টিতে ধান গরম হয়ে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। আজ রোদ উঠায় জায়গা না পেয়ে মহাসড়কের এক পাশে ধান শুকাচ্ছি। একাধিক কৃষাণী জানান, ৪-৫ দিন পর রোদ ওঠায় কিছু ধান কেটে বাড়িতে আনা হয়েছে। তবে ঘরে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় এবং রোদের অভাবে ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় বাধ্য হয়ে সড়কেই ধান শুকাতে হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকরা জানান, টানা বৃষ্টিতে উপজেলার বরাম, উদগল, চাপতি, টাংনি ও কালিয়াকুটা হাওরসহ ছোট-বড় প্রায় সব হাওরের নিম্নাঞ্চল জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে। পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। বরাম, উদগল ও চাপতি হাওরের একাধিক কৃষক অভিযোগ করে বলেন, অপরিকল্পিত হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ, নদী ভরাট এবং পানি নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। এবার টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল পাকা বৈশাখী ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকরা জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) রোদ উঠায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। যদি আর বৃষ্টি না হয়, তাহলে কষ্ট করে হলেও কিছু ধান ঘরে তুলতে পারবো। তবে এবার যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নেওয়া কঠিন। এদিকে উপজেলা কৃষি অফিস প্রায় ৫২ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে বলে যে তথ্য দিয়েছে, তা প্রত্যাখ্যান করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। তাদের দাবি, এখনো মাত্র ২৫-৩০ শতাংশ ধান কাটা সম্ভব হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের জরুরি সহযোগিতা কামনা করেছেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সরকারের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সরকারের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর