সুনামগঞ্জ , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুরমা নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের দাবি ধীরে চলছে চারলেন প্রকল্পের কাজ ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ”

প্রখর রোদে স্বস্তি ফিরেছে হাওরে, তবু দুশ্চিন্তায় কৃষক

  • আপলোড সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ১১:৫০:৩৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ১১:৫১:০২ অপরাহ্ন
প্রখর রোদে স্বস্তি ফিরেছে হাওরে, তবু দুশ্চিন্তায় কৃষক
জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া::
টানা বৃষ্টি আর বৈরী আবহাওয়ার দীর্ঘ দুর্ভোগ শেষে অবশেষে মেঘমুক্ত আকাশে দেখা মিলেছে প্রখর সূর্যের। কয়েক দিনের রোদে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে হাওরাঞ্চলে। খলায় খলায় এখন ধান শুকানোর ব্যস্ততা। কৃষকের পাশাপাশি কৃষাণীরাও ঘরের উঠান, আঙিনা ও রাস্তার পাশে ধান শুকাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। খলায় জায়গা সংকট থাকায় অনেকেই ব্যস্ততম সড়কে ধান ছড়িয়ে শুকাচ্ছেন। কোথাও পরিবারের সবাই মিলে ধান মাড়াই করছেন, কোথাও আবার পানির নিচে ডুবে থাকা ধান কেটে তুলতে চলছে প্রাণপণ চেষ্টা। জেলার ছোট-বড় ২৩টি হাওরের নি¤œাঞ্চলে এখনও পানির নিচে পড়ে আছে বহু জমি। বাড়ির উঠানে স্তূপ করে রাখা ভেজা ধান ও পচা খড়ের দুর্গন্ধে ভারী হয়ে উঠেছিল চারপাশ। কয়েক দিন আগেও সূর্যের দেখা না পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ছিল চরম হতাশা। তবে টানা রোদে এখন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন তারা। কিন্তু সেই স্বস্তির মাঝেও বড় দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে ধানের ন্যায্যমূল্য। সরকার প্রতি মণ ধানের মূল্য ১ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করলেও সরকারি গুদামে সরবরাহযোগ্য মানের ধান এবার অধিকাংশ কৃষকের কাছে নেই। এ সুযোগে দালাল, ফড়িয়া ও পাইকাররা নানা অজুহাতে কৃষকদের কাছ থেকে ৬৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা দরে ধান কিনে নিচ্ছেন। টাঙ্গুয়ার হাওর পাড়ের কৃষক ফরিদ মিয়া বলেন, কয়েক দিন ধরে রোদ উঠায় ধান শুকাতে পারছি। পানির নিচে থাকা ধান ডুব দিয়ে কেটে আনছি। ঘরে-বাইরে সবাই ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত। কিন্তু ধানের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছি না। টানা বৃষ্টিতে খড় পচে যাওয়ায় গবাদিপশুর খাদ্য নিয়েও মহাবিপদে আছি। শনির হাওর এলাকার কৃষক রফিক মিয়া বলেন, প্রতি বছরই কোনো না কোনো দুর্ভোগে পড়তে হয়। এবারও টানা বৃষ্টিতে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন রোদে ধান শুকাতে পারছি ঠিকই, কিন্তু দালাল-পাইকাররা কম দাম বলছে। বাধ্য হয়ে ৭-৮শ টাকা দরে ধান বিক্রি করছি। তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, এ পর্যন্ত হাওরের প্রায় ৮৩ ভাগ ধান কাটা হয়েছে। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র জানতে আরও সময় লাগবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স