সুনামগঞ্জ , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুনামগঞ্জে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে জন্মাষ্টমী উদযাপন সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু নয়, আমরা সবাই গর্বিত বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনকেও পেছনে ফেললো বাংলাদেশ, খেলাপি ঋণে বিশ্বে শীর্ষে বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার কয়েক হাজার মানুষের উল্টোপথে মন্ত্রীর গাড়ি, দুই মামলায় ৬ হাজার টাকা জরিমানা বিশ্বম্ভরপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি কলিম উদ্দিন মিলন হাতকড়াসহ পলায়ন, ফেসবুক লাইভ; শেষ রক্ষা হলো না আসিরের জ্বালানি সংকট কাটাতে ৫ দফা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী হাওরে ধানের বাজার মন্দা, চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী দিরাই বিএনপিতে ঐক্য নেই, বাড়ছে বিভক্তি লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে দেশে বিশেষ অভিযান শুরু হচ্ছে : র‌্যাবের মহাপরিচালক খেলাপি ঋণ আবারও ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ালো আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু হাওর ও কৃষক-মৎস্যজীবীদের রক্ষায় ১০ দফা দাবি সিলেটে দেশের প্রথম সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন যুদ্ধ প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধন, যা বললেন মন্ত্রী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য খুলল যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার পথ সুরমা নদীর তীর দখল করে স্থাপনা তৈরির হিড়িক উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ে শিক্ষকের শূন্যপদ দ্রুত পূরণের আহ্বান সুনামগঞ্জে উড়াল সড়ক : সম্ভাবনার নতুন দুয়ার

প্রখর রোদে স্বস্তি ফিরেছে হাওরে, তবু দুশ্চিন্তায় কৃষক

  • আপলোড সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ১১:৫০:৩৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ১১:৫১:০২ অপরাহ্ন
প্রখর রোদে স্বস্তি ফিরেছে হাওরে, তবু দুশ্চিন্তায় কৃষক
জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া::
টানা বৃষ্টি আর বৈরী আবহাওয়ার দীর্ঘ দুর্ভোগ শেষে অবশেষে মেঘমুক্ত আকাশে দেখা মিলেছে প্রখর সূর্যের। কয়েক দিনের রোদে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে হাওরাঞ্চলে। খলায় খলায় এখন ধান শুকানোর ব্যস্ততা। কৃষকের পাশাপাশি কৃষাণীরাও ঘরের উঠান, আঙিনা ও রাস্তার পাশে ধান শুকাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। খলায় জায়গা সংকট থাকায় অনেকেই ব্যস্ততম সড়কে ধান ছড়িয়ে শুকাচ্ছেন। কোথাও পরিবারের সবাই মিলে ধান মাড়াই করছেন, কোথাও আবার পানির নিচে ডুবে থাকা ধান কেটে তুলতে চলছে প্রাণপণ চেষ্টা। জেলার ছোট-বড় ২৩টি হাওরের নি¤œাঞ্চলে এখনও পানির নিচে পড়ে আছে বহু জমি। বাড়ির উঠানে স্তূপ করে রাখা ভেজা ধান ও পচা খড়ের দুর্গন্ধে ভারী হয়ে উঠেছিল চারপাশ। কয়েক দিন আগেও সূর্যের দেখা না পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ছিল চরম হতাশা। তবে টানা রোদে এখন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন তারা। কিন্তু সেই স্বস্তির মাঝেও বড় দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে ধানের ন্যায্যমূল্য। সরকার প্রতি মণ ধানের মূল্য ১ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করলেও সরকারি গুদামে সরবরাহযোগ্য মানের ধান এবার অধিকাংশ কৃষকের কাছে নেই। এ সুযোগে দালাল, ফড়িয়া ও পাইকাররা নানা অজুহাতে কৃষকদের কাছ থেকে ৬৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা দরে ধান কিনে নিচ্ছেন। টাঙ্গুয়ার হাওর পাড়ের কৃষক ফরিদ মিয়া বলেন, কয়েক দিন ধরে রোদ উঠায় ধান শুকাতে পারছি। পানির নিচে থাকা ধান ডুব দিয়ে কেটে আনছি। ঘরে-বাইরে সবাই ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত। কিন্তু ধানের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছি না। টানা বৃষ্টিতে খড় পচে যাওয়ায় গবাদিপশুর খাদ্য নিয়েও মহাবিপদে আছি। শনির হাওর এলাকার কৃষক রফিক মিয়া বলেন, প্রতি বছরই কোনো না কোনো দুর্ভোগে পড়তে হয়। এবারও টানা বৃষ্টিতে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন রোদে ধান শুকাতে পারছি ঠিকই, কিন্তু দালাল-পাইকাররা কম দাম বলছে। বাধ্য হয়ে ৭-৮শ টাকা দরে ধান বিক্রি করছি। তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, এ পর্যন্ত হাওরের প্রায় ৮৩ ভাগ ধান কাটা হয়েছে। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র জানতে আরও সময় লাগবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনকেও পেছনে ফেললো বাংলাদেশ, খেলাপি ঋণে বিশ্বে শীর্ষে

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনকেও পেছনে ফেললো বাংলাদেশ, খেলাপি ঋণে বিশ্বে শীর্ষে