সুনামগঞ্জ , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ , ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুরমা নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের দাবি ধীরে চলছে চারলেন প্রকল্পের কাজ ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ”

যাদুকাটা নদীতে ম্যাজিস্ট্রেট টিমের ওপর হামলা, ড্রেজার মালিকের ৯০ দিনের কারাদন্ড

  • আপলোড সময় : ১০-০৫-২০২৬ ১২:১০:২৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৫-২০২৬ ১২:১০:২৯ পূর্বাহ্ন
যাদুকাটা নদীতে ম্যাজিস্ট্রেট টিমের ওপর হামলা, ড্রেজার মালিকের ৯০ দিনের কারাদন্ড
স্টাফ রিপোর্টার :: তাহিরপুরের যাদুকাটা নদী এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযানে দায়িত্ব পালনকালে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট টিমের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মিলন মিয়া (৪৫) নামে এক ড্রেজার মালিককে ৯০ দিনের কারাদন্ড- দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দন্ড-প্রাপ্ত মিলন মিয়া বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের সত্রিশ গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ তরফদারের ছেলে। শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে সত্রিশ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রবিউর রায়হান-এর নেতৃত্বে শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে যাদুকাটা নদীতে টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালিত হয়। রাত সোয়া ১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সত্রিশ এলাকায় অভিযান চালানো হলে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যায়। এ সময় ২টি স্টিলবডি নৌকা ও ৩টি ড্রেজারবাহী কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত নৌযান সরিয়ে নিতে নৌপুলিশ মাঝি আনতে গেলে মোবাইল কোর্ট টিম ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে কয়েকশ মানুষ নদীর তীরে জড়ো হয়ে মোবাইল কোর্ট টিমকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ শুরু করে। এতে স্পিডবোটের এক চালক আহত হন এবং পরিস্থিতির কারণে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে পিছু হটতে হয়। পরবর্তীতে নৌপুলিশ ও বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির সহায়তায় পুনরায় অভিযান চালিয়ে ২টি বাল্কহেড ও ১টি ড্রেজারবাহী নৌকা জব্দ করা হয়। এ সময় মিলন মিয়াকে আটক করা হয়। তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান মানিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও বলেন, গত ২৬ এপ্রিল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে টাস্কফোর্স অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে এবং জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স