সুনামগঞ্জ , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ , ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ

‘মিরর’-এর ডিজিটাল কারসাজির ফাঁদে ভোক্তারা

  • আপলোড সময় : ২১-০৫-২০২৬ ১০:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২১-০৫-২০২৬ ১০:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
‘মিরর’-এর ডিজিটাল কারসাজির ফাঁদে ভোক্তারা
মনগড়া এক্সচেঞ্জ নীতি, ভোক্তা অধিকার আইনের লঙ্ঘনের অভিযোগ স্টাফ রিপোর্টার :: ঈদ কেনাকাটার ভিড়ে এক অভিনব ডিজিটাল বিলিং সিস্টেমের মাধ্যমে ভোক্তাদের ফাঁদে ফেলার অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জের ‘মিরর’ নামক একটি পোশাকের দোকানের বিরুদ্ধে। সুনামগঞ্জ শহরের প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের বিপরীতে অবস্থিত এই খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠানটি তাদের মনগড়া পণ্য বিনিময় (এক্সচেঞ্জ) নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিপণন আইন এবং ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ক্রেতাদের মতে, দোকানটিতে পণ্য ফেরত নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে ৭ দিনের মধ্যে পণ্য বিনিময়ের সুবিধা দেওয়া হলেও, দোকানের বিলিং সফটওয়্যারটি এমনভাবে প্রোগ্রাম করা হয়েছে যা কেবল বাড়তি মূল্যের (আপওয়ার্ড) সমন্বয় করতে পারে। অর্থাৎ, কোনো ক্রেতা যদি আগের চেয়ে বেশি দামের পণ্য পরিবর্তন করে নেন, তবে সফটওয়্যারটি বাড়তি টাকা গ্রহণ করে। কিন্তু পরিবর্তিত পণ্যের দাম যদি আগের কেনা পণ্যের চেয়ে কম হয়, তবে বাকি টাকা ফেরত দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা ওই সফটওয়্যারে নেই। ফলে ক্রেতারা তাদের বাকি টাকা উসুল করতে বাধ্য হয়ে আরও বাড়তি পণ্য কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। ভুক্তভোগীদের আরও অভিযোগ, কাপড়ের চড়া দামের সাথে পণ্যের প্রকৃত মানের কোনো মিল নেই। এর ওপর বিষফোঁড়া হিসেবে, দোকানের এই শর্তগুলো ক্যাশ মেমোতে সম্পূর্ণ ইংরেজিতে লেখা থাকে, যা কেবল কেনাকাটা শেষ হওয়ার পরই ক্রেতার হাতে দেওয়া হয়। দোকানের ভেতরে বাংলায় কোনো সতর্কবার্তা বা প্লেকার্ড ঝোলানো না থাকায়, সাধারণ ক্রেতারা টাকা পরিশোধ করার আগে এই নীতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অন্ধকারে থাকছেন। ক্ষুব্ধ ক্রেতারা এখন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (ডিএনসিআরপি) এবং স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে এই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করার এবং এই ধরনের ডিজিটাল অনিয়মের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার রক্ষার জোর দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে সুনামগঞ্জ মিররের ম্যানেজার তারেক মিয়া বলেন, পণ্য বিনিময় পদ্ধতি শুধু আমাদের এমন নয়। সকল আউটলেট প্রতিষ্ঠানগুলো এমনই। এটি সারা বাংলাদেশে একই। তবে মাঝেমধ্যে গ্রাহকদের সাথে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়ে যায়। পরবর্তীতে এ জাতীয় সমস্যার নিরসন করা হয়। সুনামগঞ্জ ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আমিরুল ইসলাম মাসুদ বলেন, এমন অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। ঈদকে সামনে রেখে কাপড়ের দোকানগুলো যাতে কোনো কারসাজি না করতে পারে সেই লক্ষ্যে আমরা মনিটরিং জোরদার করবো।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য