স্টাফ রিপোর্টার::
জেলার দুই উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেছে দুটি প্রাণ। একদিকে জীবিকার তাগিদে কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ইটভাটা কর্মী, অন্যদিকে দোকানে যাওয়ার পথে অটোরিকশার চাপায় নিভে গেছে ছয় বছরের এক শিশুর জীবনপ্রদীপ। জানা যায়, দিরাই-মদনপুর সড়কের সুজানগর এলাকায় শনিবার সকালে চলন্ত অবস্থায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন ট্রাকে থাকা ইটভাটার ম্যানেজার আনোয়ার হোসেন (৩৮)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ এলাকার রাজ্জাক মিয়ার ছেলে এবং শান্তিগঞ্জ উপজেলার কেভি অটো ব্রিকস ইটভাটার ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ জানায়, সকালে দিরাই এলাকায় ইট সরবরাহ শেষে ফেরার পথে দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত আনোয়ার হোসেনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে একই দিন দুপুরে জামালগঞ্জ উপজেলার উমেদপুর গ্রামে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চাপায় নিহত হয় জোহা আক্তার ইতিমণি (৬) নামে এক শিশু। সে ওই গ্রামের শফিক আলম ও নিবিতা খাতুন দম্পতির একমাত্র মেয়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পাশের দোকানে পণ্য কিনতে যাওয়ার সময় মান্নানঘাট থেকে জামালগঞ্জগামী একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার নিচে পড়ে যায় শিশুটি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন বাবা-মা। হাসপাতাল ও বাড়িজুড়ে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
শিশুটির বাবা শফিক আলম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার মেয়ে রাস্তার পাশ দিয়ে দোকানে যাচ্ছিল। মুহূর্তের মধ্যেই অটোরিকশাটি তাকে চাপা দেয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সব শেষ হয়ে গেল।”
জামালগঞ্জ থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই পঙ্কজ ঘোষ জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং চালককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলার দুই উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেছে দুটি প্রাণ। একদিকে জীবিকার তাগিদে কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ইটভাটা কর্মী, অন্যদিকে দোকানে যাওয়ার পথে অটোরিকশার চাপায় নিভে গেছে ছয় বছরের এক শিশুর জীবনপ্রদীপ। জানা যায়, দিরাই-মদনপুর সড়কের সুজানগর এলাকায় শনিবার সকালে চলন্ত অবস্থায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন ট্রাকে থাকা ইটভাটার ম্যানেজার আনোয়ার হোসেন (৩৮)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ এলাকার রাজ্জাক মিয়ার ছেলে এবং শান্তিগঞ্জ উপজেলার কেভি অটো ব্রিকস ইটভাটার ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ জানায়, সকালে দিরাই এলাকায় ইট সরবরাহ শেষে ফেরার পথে দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত আনোয়ার হোসেনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে একই দিন দুপুরে জামালগঞ্জ উপজেলার উমেদপুর গ্রামে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চাপায় নিহত হয় জোহা আক্তার ইতিমণি (৬) নামে এক শিশু। সে ওই গ্রামের শফিক আলম ও নিবিতা খাতুন দম্পতির একমাত্র মেয়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পাশের দোকানে পণ্য কিনতে যাওয়ার সময় মান্নানঘাট থেকে জামালগঞ্জগামী একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার নিচে পড়ে যায় শিশুটি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন বাবা-মা। হাসপাতাল ও বাড়িজুড়ে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
শিশুটির বাবা শফিক আলম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার মেয়ে রাস্তার পাশ দিয়ে দোকানে যাচ্ছিল। মুহূর্তের মধ্যেই অটোরিকশাটি তাকে চাপা দেয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সব শেষ হয়ে গেল।”
জামালগঞ্জ থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই পঙ্কজ ঘোষ জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং চালককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।