স্টাফ রিপোর্টার::
জামালগঞ্জ উপজেলার বেহেলী ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের রাস্তা উন্নয়ন কাজ নি¤œমানে সম্পন্ন করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় এক বাসিন্দা। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বেহেলী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রাণকৃষ্ণ দাস গত ১১ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, বেহেলী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মানিক লাল দাস টিআর, কাবিখাসহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের আওতায় রাস্তা উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ পাওয়া অর্থের যথাযথ ব্যবহার না করে অনিয়মের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। লিখিত অভিযোগে তিনটি পৃথক প্রকল্পে অনিয়মের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রাজাপুর কালী মন্দির থেকে সজলের পুকুরপাড় পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা, সিনামারা গ্রামের একটি সড়কে মাটি ভরাটে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং অনিতের বাড়ি থেকে সুদীপ্ত তালুকদারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার মাটি ভরাট কাজে ৫ টন চাল (আনুমানিক ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা) বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগকারী দাবি করেন, প্রকল্পগুলোর কাজের মেয়াদ প্রায় দুই মাস আগে শেষ হলেও সংশ্লিষ্ট রাস্তাগুলোর কাজ এখনো অসম্পূর্ণ রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে নিম্নমানের ও অসমাপ্ত কাজের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মানিক লাল দাস। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। গ্রামবাসীর মতামতের ভিত্তিতেই প্রায় দুই মাস আগে প্রকল্পগুলোর কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এতদিন কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। সম্প্রতি হাওরের ফসলহানি সহায়তার তালিকায় আমার ওয়ার্ডে মাত্র ৮৮ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় অনেক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বাদ পড়েছেন। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মিনহাজুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগটি এখনো আমার নজরে আসেনি। অভিযোগটি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জামালগঞ্জ উপজেলার বেহেলী ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের রাস্তা উন্নয়ন কাজ নি¤œমানে সম্পন্ন করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় এক বাসিন্দা। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বেহেলী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রাণকৃষ্ণ দাস গত ১১ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, বেহেলী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মানিক লাল দাস টিআর, কাবিখাসহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের আওতায় রাস্তা উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ পাওয়া অর্থের যথাযথ ব্যবহার না করে অনিয়মের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। লিখিত অভিযোগে তিনটি পৃথক প্রকল্পে অনিয়মের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রাজাপুর কালী মন্দির থেকে সজলের পুকুরপাড় পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা, সিনামারা গ্রামের একটি সড়কে মাটি ভরাটে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং অনিতের বাড়ি থেকে সুদীপ্ত তালুকদারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার মাটি ভরাট কাজে ৫ টন চাল (আনুমানিক ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা) বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগকারী দাবি করেন, প্রকল্পগুলোর কাজের মেয়াদ প্রায় দুই মাস আগে শেষ হলেও সংশ্লিষ্ট রাস্তাগুলোর কাজ এখনো অসম্পূর্ণ রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে নিম্নমানের ও অসমাপ্ত কাজের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মানিক লাল দাস। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। গ্রামবাসীর মতামতের ভিত্তিতেই প্রায় দুই মাস আগে প্রকল্পগুলোর কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এতদিন কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। সম্প্রতি হাওরের ফসলহানি সহায়তার তালিকায় আমার ওয়ার্ডে মাত্র ৮৮ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় অনেক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বাদ পড়েছেন। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মিনহাজুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগটি এখনো আমার নজরে আসেনি। অভিযোগটি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।