মো. বায়েজীদ বিন ওয়াহিদ::
ওসি বন্দে আলী বলেন, মাদকের সঙ্গে কোনো আপস নেই। যারা মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত, তাদের জন্য স্পষ্ট বার্তা-হয় মাদক ছাড়তে হবে, নয়তো এই এলাকা ছাড়তে হবে। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে চাই।
শনিবার বিকেলে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনা বাজারে উত্তর ইউনিয়ন ও সচেতন নাগরিক বৃন্দের আয়োজনে মাদক বিরোধী বিশাল সমাবেশে এসব বক্তব্য রাখেন জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বন্দে আলী। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস শহীদ ছবর আলী তালুকদার উত্তর কামলাবাজ সামাজিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ইনসান আহমেদ মনিরের সঞ্চালনায় এসময় আরো বক্তব্য দেন, বিএনপি নেতা আলী আক্কাছ মুরাদ, মো. খুরশেদ আলম, সাচনা বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রভাকর মজুমদার, কালীপুর নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মাও. নূরুল হক, ভীমখালী উচ্চ বিদ্যায়েরর সহকারী শিক্ষক মো. মনির হোসেন, উত্তর কামালাবাজ সামাজকি সংগঠনের সভাপতি এমদাদুর রহমান হিরণ, বিএনপি নেতা জালাল উদ্দীন ফারুকী, যুবদল নেতা সোহরাব হোসেন মাছুম, উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন মোহন ও আবুল হোসেন এবং আরো উপস্থিত ছিলেন, জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. ওয়ালী উল্লাহ সরকার, হাবিবুর রহমান, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো. বায়েজীদ বিন ওয়াহিদ ও মানবজমিন প্রতিনিধি তোফাজ্জল হোসেন৷
বক্তারা বলেন, দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নের প্রধান শক্তি হলো তরুণ প্রজন্ম। তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও মেধার বিকাশ দেশের ভবিষ্যৎকে সমৃদ্ধ করতে পারে। তবে যুবসমাজ যদি মাদকের মতো ক্ষতিকর অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ সব ক্ষেত্রেই নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। মাদক মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করার পাশাপাশি সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়েরও অন্যতম কারণ। তারা উল্লেখ করেন, মাদকাসক্তি বিভিন্ন ধরনের অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, কিশোর অপরাধ ও অন্যান্য সামাজিক অপরাধের পেছনেও মাদকের প্রভাব লক্ষ করা যায়। এজন্য মাদকের বিস্তার রোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের সচেতন মানুষদেরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, যুবকদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের ইতিবাচক পথে পরিচালিত করা সম্ভব। পাশাপাশি পরিবার পর্যায়ে মাদকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা গেলে একটি নিরাপদ, সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
ওসি বন্দে আলী বলেন, মাদকের সঙ্গে কোনো আপস নেই। যারা মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত, তাদের জন্য স্পষ্ট বার্তা-হয় মাদক ছাড়তে হবে, নয়তো এই এলাকা ছাড়তে হবে। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে চাই।
শনিবার বিকেলে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনা বাজারে উত্তর ইউনিয়ন ও সচেতন নাগরিক বৃন্দের আয়োজনে মাদক বিরোধী বিশাল সমাবেশে এসব বক্তব্য রাখেন জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বন্দে আলী। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস শহীদ ছবর আলী তালুকদার উত্তর কামলাবাজ সামাজিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ইনসান আহমেদ মনিরের সঞ্চালনায় এসময় আরো বক্তব্য দেন, বিএনপি নেতা আলী আক্কাছ মুরাদ, মো. খুরশেদ আলম, সাচনা বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রভাকর মজুমদার, কালীপুর নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মাও. নূরুল হক, ভীমখালী উচ্চ বিদ্যায়েরর সহকারী শিক্ষক মো. মনির হোসেন, উত্তর কামালাবাজ সামাজকি সংগঠনের সভাপতি এমদাদুর রহমান হিরণ, বিএনপি নেতা জালাল উদ্দীন ফারুকী, যুবদল নেতা সোহরাব হোসেন মাছুম, উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন মোহন ও আবুল হোসেন এবং আরো উপস্থিত ছিলেন, জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. ওয়ালী উল্লাহ সরকার, হাবিবুর রহমান, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো. বায়েজীদ বিন ওয়াহিদ ও মানবজমিন প্রতিনিধি তোফাজ্জল হোসেন৷
বক্তারা বলেন, দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নের প্রধান শক্তি হলো তরুণ প্রজন্ম। তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও মেধার বিকাশ দেশের ভবিষ্যৎকে সমৃদ্ধ করতে পারে। তবে যুবসমাজ যদি মাদকের মতো ক্ষতিকর অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ সব ক্ষেত্রেই নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। মাদক মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করার পাশাপাশি সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়েরও অন্যতম কারণ। তারা উল্লেখ করেন, মাদকাসক্তি বিভিন্ন ধরনের অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, কিশোর অপরাধ ও অন্যান্য সামাজিক অপরাধের পেছনেও মাদকের প্রভাব লক্ষ করা যায়। এজন্য মাদকের বিস্তার রোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের সচেতন মানুষদেরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, যুবকদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের ইতিবাচক পথে পরিচালিত করা সম্ভব। পাশাপাশি পরিবার পর্যায়ে মাদকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা গেলে একটি নিরাপদ, সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।