স্টাফ রিপোর্টার::
সিলেট বিভাগে হামের প্রাদুর্ভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুনামগঞ্জ। চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে জেলায় হাম ও হামের উপসর্গে ৪৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং ২৮৭ জন শিশু আক্রান্ত হয়েছে, যা বিভাগের মোট আক্রান্তের অর্ধেকেরও বেশি।
সর্বশেষ রোববার (১৯ জুলাই) ছাতক উপজেলার ৯ মাস বয়সী আবু সাঈদের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে সিলেট বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০০ জনে। মারা যাওয়া আবু সাঈদ ছাতক উপজেলার সাহাব উদ্দিনের ছেলে। সে সিলেট নগরের শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত বিভাগে ৫৪৪ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে ৪ জনের মৃত্যু হলেও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জ। জেলায় আক্রান্ত হয়েছে ২৮৭ জন এবং মারা গেছে ৪৫ শিশু। এরপর সিলেট জেলায় আক্রান্ত ১৮০ জন, মৃত্যু ৩৫ জন; হবিগঞ্জে আক্রান্ত ৫৫ জন, মৃত্যু ৮ জন এবং মৌলভীবাজারে আক্রান্ত ২২ জন, মৃত্যু ১১ জন। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, দুর্গম হাওরাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে বিলম্ব, অভিভাবকদের অসচেতনতা এবং নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি থেকে অনেক শিশুর বাদ পড়ে যাওয়ায় সুনামগঞ্জে সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি ছড়িয়েছে। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮৫ শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ২৮ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৪৫ জন এবং অন্যান্য হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২ জন ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর শিকার হচ্ছে ১ থেকে ২ বছর বয়সী শিশু। এই বয়সে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক কম থাকায় এবং অনেক শিশু সময়মতো টিকা না পাওয়ায় তারা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও তীব্র অপুষ্টিজনিত জটিলতায় মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম বলেন, সন্তানসম্ভবা মায়েদের হামের টিকা দেওয়া যায় না। তবে যারা ভবিষ্যতে সন্তান নিতে চান, তারা আগে থেকেই হামের টিকা নিলে নবজাতকও সুরক্ষা পাবে। তিনি জানান, বর্তমানে টিকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং নিশ্চিত হামের রোগীর সংখ্যা স্থিতিশীল থাকলেও সচেতনতা ও টিকাদানের আওতা বাড়ানো জরুরি।
সিলেট বিভাগে হামের প্রাদুর্ভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুনামগঞ্জ। চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে জেলায় হাম ও হামের উপসর্গে ৪৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং ২৮৭ জন শিশু আক্রান্ত হয়েছে, যা বিভাগের মোট আক্রান্তের অর্ধেকেরও বেশি।
সর্বশেষ রোববার (১৯ জুলাই) ছাতক উপজেলার ৯ মাস বয়সী আবু সাঈদের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে সিলেট বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০০ জনে। মারা যাওয়া আবু সাঈদ ছাতক উপজেলার সাহাব উদ্দিনের ছেলে। সে সিলেট নগরের শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত বিভাগে ৫৪৪ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে ৪ জনের মৃত্যু হলেও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জ। জেলায় আক্রান্ত হয়েছে ২৮৭ জন এবং মারা গেছে ৪৫ শিশু। এরপর সিলেট জেলায় আক্রান্ত ১৮০ জন, মৃত্যু ৩৫ জন; হবিগঞ্জে আক্রান্ত ৫৫ জন, মৃত্যু ৮ জন এবং মৌলভীবাজারে আক্রান্ত ২২ জন, মৃত্যু ১১ জন। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, দুর্গম হাওরাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে বিলম্ব, অভিভাবকদের অসচেতনতা এবং নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি থেকে অনেক শিশুর বাদ পড়ে যাওয়ায় সুনামগঞ্জে সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি ছড়িয়েছে। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮৫ শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ২৮ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৪৫ জন এবং অন্যান্য হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২ জন ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর শিকার হচ্ছে ১ থেকে ২ বছর বয়সী শিশু। এই বয়সে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক কম থাকায় এবং অনেক শিশু সময়মতো টিকা না পাওয়ায় তারা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও তীব্র অপুষ্টিজনিত জটিলতায় মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম বলেন, সন্তানসম্ভবা মায়েদের হামের টিকা দেওয়া যায় না। তবে যারা ভবিষ্যতে সন্তান নিতে চান, তারা আগে থেকেই হামের টিকা নিলে নবজাতকও সুরক্ষা পাবে। তিনি জানান, বর্তমানে টিকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং নিশ্চিত হামের রোগীর সংখ্যা স্থিতিশীল থাকলেও সচেতনতা ও টিকাদানের আওতা বাড়ানো জরুরি।