স্টাফ রিপোর্টার ::
বাংলাদেশ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ, সুনামগঞ্জ জেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে পরিমল তালুকদার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট কুশল রাজ পাল সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হয়েছেন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী কালীবাড়ি নাটমন্দির প্রাঙ্গণে সংগঠনের পুনর্মিলনী ও সাধারণ সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়।
প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট রাধাকান্ত সূত্রধর এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ স¤পাদক প্রসেনজিৎ নন্দী। সভার শুরুতে পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন ব্রাহ্মণ সংসদ, সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি নারায়ণ চক্রবর্তী।
এরপর সাধারণ সম্পাদক প্রসেনজিৎ নন্দী আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপন করেন। মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট বিমান কান্তি রায়, অ্যাডভোকেট গৌরাঙ্গ পদ দাস, কলি তালুকদার আরতি, বিপ্রেশ রায় বাপ্পী, বিমল বণিক, নারায়ণ চক্রবর্তী, স্বপন দেব, মণিকাঞ্চন দাসসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের নেতারা।
সভায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, সুনামগঞ্জ জেলা শাখার নবনির্বাচিত সভাপতি অ্যাডভোকেট গৌরাঙ্গ পদ দাস ও সাধারণ সম্পাদক বিপ্রেশ রায় বাপ্পীকে অভিনন্দন জানানো হয়। আলোচনা শেষে আয়-ব্যয়ের হিসাব সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়।
সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি অ্যাডভোকেট রাধাকান্ত সূত্রধর গত তিন বছরে সংগঠনের কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পরে বিদায়ী কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সদ্য বিদায়ী সভাপতি অ্যাডভোকেট বিমান কান্তি রায়। সভায় আগামী দুই বছরের জন্য নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সভাপতি ও সাধারণ স¤পাদক পদের জন্য নাম প্রস্তাব আহ্বান করা হলে সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি হিসেবে পরিমল তালুকদার এবং সাধারণ স¤পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট কুশল রাজ পাল নির্বাচিত হন।
নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ স¤পাদক তাদের বক্তব্যে আগামী জন্মাষ্টমী উৎসব সফল ও জাঁকজমকভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে আগামী সাত দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে আসন্ন জন্মাষ্টমী উৎসবে সংসদ সদস্য, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে স¤পৃক্ত করে উৎসব উদযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন অ্যাডভোকেট ক্ষিতিশ রায় ভানু, সন্তোষ রায় সন্তু, বকুল তালুকদার, সিদ্ধার্থ এষ বলাই, বিধান চন্দ্র দাস, লিটন দেব, নিলেন্দু কর্মকার চন্দন, বিভাস দেব, অ্যাডভোকেট অশোক গোস্বামী, বিপ্লব তালুকদার, রতীশ গোস্বামী, সুমন দাস, সেতুল দাস, অমর চক্রবর্তী, বিপ্লব রায়, শিবু পোদ্দার, চন্দন দাস, রূপালী সোম প¤পা, মলি রায়, বিভা রায়, কাজল চন্দ, অজন্তা পাল, সুকান্ত রায়, পিনাক দাসসহ আরও অনেকে।