একটি মহল সচেতনভাবে ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করছে : মির্জা ফখরুল

আপলোড সময় : ০১-০৮-২০২৬ ০৮:১৯:০৫ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০১-০৮-২০২৬ ০৮:১৯:০৫ পূর্বাহ্ন
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: একটি মহল সচেতনভাবে ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করতে উঠেপড়ে লেগেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি মিলনায়তনে ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভার আয়োজন করে সম্মিলিত সনাতন পরিষদ। সভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধর্মের ভিত্তিতে যারা দেশ বিভাজন করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। আমরা এখানে উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দিতে পারি না, মৌলবাদকে প্রশ্রয় দিতে পারি না। আমরা একটা উদারপন্থী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করতে চাই। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে - বাংলাদেশ সকল ধর্মের মানুষের জন্য স্বাধীন একটা দেশ। একটা জনগণতান্ত্রিক দেশ। বাংলাদেশটা মানুষের। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলতেন, “আমি কখনোই আপনাদের সংখ্যালঘু মনে করি না। আমি মনে করি, আপনি এই দেশের সন্তান, এই দেশে আপনার সমান অধিকার - আমার যা, আপনারও তা।” যারা ৭১-কে ভুলিয়ে দিতে চায়, তারা কখনো বাংলাদেশে বিশ্বাস করে না বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিশ্বাস করতে হলে ১৯৭১ সালকে অবশ্যই সামনে আনতে হবে। আমরা একই সঙ্গে জুলাইকেও অস্বীকার করতে পারি না, এই জন্য যে - আমাদের অসংখ্য সন্তান বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাণ দিয়েছে। একটা ফ্যাসিস্ট সরকারকে দেশ থেকে চলে যেতে বাধ্য করেছে। কোনোটাই আমরা ছোট করে দেখি না। বিগত নির্বাচনে বিএনপির রাজনীতিকে সমর্থন দেওয়ার জন্য সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, অত্যন্ত সচেতনভাবে সকল ধর্মের সকল মানুষের অধিকারকে সুরক্ষার জন্য, তাদের স¤পদকে সুরক্ষার জন্য সব রকম ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করেছি। সরকার সব সময় আপনাদের সঙ্গে থাকছে, যাতে করে আপনারা নিরাপদ বোধ করেন - সেই ব্যবস্থাটা আমরা এখানে করার চেষ্টা করছি। সভায় সম্মিলিত সনাতন পরিষদের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা ও জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হওয়া হামলা ও নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত করা, হিন্দুধর্মীয় উৎসবগুলোয় যথাযথ সরকারি ছুটি দেওয়া, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে সরকারি জায়গা বরাদ্দ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার পাশাপাশি এই ট্রাস্টকে ফাউন্ডেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠাসহ বেশ কিছু দাবি উত্থাপন করা হয়। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক হীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন চন্দ্র মজুমদার, গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ।

সম্পাদকীয় :

  • সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মো. জিয়াউল হক
  • সম্পাদক ও প্রকাশক : বিজন সেন রায়
  • বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : মোক্তারপাড়া রোড, সুনামগঞ্জ-৩০০০।

অফিস :

  • ই-মেইল : [email protected]
  • ওয়েবসাইট : www.sunamkantha.com