দিরাই প্রতিনিধি ::
‘শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা, মাতৃদুগ্ধের পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালন হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের গচিয়া গ্রামে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সীমান্তিক (এসএমসি কমিউনিটি মোবিলাইজেশন প্রোগ্রাম)-এর উদ্যোগে গর্ভবতী নারী ও শিশুর মায়েদের নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সীমান্তিক দিরাই উপজেলা সুপারভাইজার শামসুর রাজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমওডিসি ডা. নিশাত তাসনিম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “শিশুর জীবন রক্ষা, সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে মাতৃদুগ্ধের কোনো বিকল্প নেই। মায়ের দুধ শিশুর প্রয়োজনীয় সব ধরনের পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে, বিভিন্ন সংক্রমণ ও ডায়রিয়াসহ নানা রোগ থেকে সুরক্ষা দেয় এবং মা-শিশুর মধ্যে গভীর সেতু বন্ধন তৈরি করে। জন্মের পরপরই নবজাতককে শালদুধ (কলোস্ট্রাম) খাওয়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শিশুর জীবনের প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানো উচিত। পাশাপাশি ছয় মাস পর বয়স উপযোগী পরিপূরক খাবারের সঙ্গে দুই বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত মাতৃদুগ্ধ পান করাতে পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে সীমান্তিকের এমএমএস প্যারামেডিক, কমিউনিটি মোবিলাইজার, গোল্ড স্টার মেম্বার, গর্ভবতী নারী, নবজাতকের মা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।