আমাদের গুণীজন

রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্য নাট্যাঙ্গনের আলোকিত ব্যক্তিত্ব

আপলোড সময় : ১৬-০৮-২০২৬ ০৯:৫০:১৮ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ১৬-০৮-২০২৬ ০৯:৫০:৫৮ পূর্বাহ্ন
::আকরাম উদ্দিন::
লেখালেখির তালিকায় হঠাৎ চোখে পড়ল আমাদের প্রিয় মানুষ, সুনামগঞ্জের নাট্যাঙ্গনের আলোকিত মুখ, শিক্ষক ও নাট্যব্যক্তিত্ব রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্যের নাম। জানতে পারলাম, তিনি শুধু নাট্যাঙ্গনের সঙ্গেই যুক্ত নন, দীর্ঘদিন শিক্ষকতাও করেছেন। অনেক ভেবেচিন্তে গত বৃহ¯পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুল হক পাভেলের কাছ থেকে রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্যের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করলাম। রাত ১০টার দিকে তাঁকে কল দিলাম। আমার পরিচয় শুনেই তিনি বললেন, সকালে বাসায় আসেন। পরদিন শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় চলে গেলাম তাঁর বাসায়। শহরের হাছননগর এলাকায় ২০/৫ উপত্যকা, একটি নিরিবিলি আবাসিক এলাকায় তাঁর বাসা। ঘরে প্রবেশ করতেই তিনি মৃদু হেসে বললেন, রাতের কলেই আমি বুঝতে পেরেছি, সেই আপনি। কথাটির মধ্যে যেন দীর্ঘদিনের পরিচয়ের এক অদৃশ্য সেতু খুঁজে পেলাম। কুশল বিনিময়ের পর বসে পড়লাম। চারপাশে নীরব, কোলাহলমুক্ত পরিবেশ। পরিপাটি সংসার। সেখানে তিনি, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও ছেলের বউ। কিছুক্ষণ পর তাঁর স্ত্রী ও ছেলে এসে যোগ দিলেন। শুরু হলো পুরোনো দিনের গল্প, শিক্ষকতা, নাট্যচর্চা, অভিনয় এবং সুনামগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নানা স্মৃতি। রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্য জীবনের আটটি দশক পেরিয়ে বিরাশিতে পা রেখেছেন। বয়সের ভার শরীরে স্পষ্ট। নানা রোগব্যাধিও তাঁকে কাবু করেছে। তবু মুখে সেই চিরচেনা হাসি। খুব ধীরে কথা বলছিলেন। তাঁর জীবনের কথা জানতে চাইতেই তিনি একটি ডায়েরি বের করলেন। সেই ডায়েরিটিই যেন মুহূর্তে তাঁর জীবনকথার জানালা খুলে দিল। পাতার পর পাতা তথ্য, তারিখ, ঘটনা, স্মৃতি, সবকিছু যতেœ ধরে রেখেছেন। তখনই মনে হলো, মানুষটি শুধু নাটকের মানুষ নন, তিনি একজন শিক্ষিত, সচেতন ও স্মৃতিসচেতন মানুষ। অবসর জীবনে বই-পত্রিকাই যেন তাঁর নিত্যসঙ্গী। কথা বলতে বলতে কখন যে প্রায় দেড় ঘণ্টা কেটে গেল, টেরই পেলাম না। মাঝখানে চা-নাস্তা এলো। গল্প জমলো, হাসি হলো, পুরোনো দিনের কথা উঠলো। বয়স যেন তখন তাঁর কাছে কোনো বিষয়ই নয়, স্মৃতির ভেতর দিয়ে তিনি ফিরে যাচ্ছিলেন তাঁর তারুণ্যের দিনগুলোতে। শুক্রবারের সেই সকালটি তাই আমার কাছে শুধু একজন প্রবীণ নাট্যব্যক্তিত্বের সাক্ষাৎকার নেওয়ার সকাল ছিল না বরং ছিল একজন গুণী মানুষের জীবনের হারিয়ে যাওয়া অধ্যায়গুলো নতুন করে খুঁজে পাওয়ার সকাল। জন্ম ও পারিবারিক পরিচয় : রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্য ১৯৪৪ সালের ২১ আগস্ট সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনাবাজার ইউনিয়নের রামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা স্বর্গীয় রাজেন্দ্র ভট্টাচার্য্য এবং মাতা স্বর্গীয় অনন্ত বালা ভট্টাচার্য্য। এক ভাই ও পাঁচ বোনের মধ্যে তিনি চতুর্থ। বাল্যকাল ও শিক্ষাজীবন : ১৯৫৪ সালে রামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর প্রাথমিক শিক্ষার সূচনা। পরে সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ছাত্রজীবন থেকেই সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি তাঁর আগ্রহ তৈরি হয়। গ্রামের বাড়িতে কদ্দুছ মিয়া নামের একজন যাত্রা লিখতেন ও অভিনয় করতেন। ছুটির সময় তাঁর সঙ্গে কাটাতেন রমেন্দ্র। সেই শৈশব-কৈশোরের সাংস্কৃতিক আবহই পরবর্তী সময়ে তাঁর নাট্যচর্চার ভিত তৈরি করে। শিক্ষকতা জীবন : ১৯৬৩ সালে ইব্রাহীমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। পরে শহরতলির হুড়ারকান্দা প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সুনামগঞ্জ শহরের কে.বি মিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও বর্তমান শান্তিগঞ্জ উপজেলার ইশাকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। দীর্ঘ ৩৯ বছরের শিক্ষকতা জীবনের অবসান ঘটে ২০০২ সালের জুলাই মাসে। চাকরি থেকে অবসর নিলেও তাঁর সাংস্কৃতিক জীবন থেমে যায়নি। বরং অবসর পরবর্তী সময়ে নাট্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকা-ে তিনি আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি যেমন বহু শিক্ষার্থীর জীবন গঠনে ভূমিকা রেখেছেন, তেমনি সংস্কৃতির সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পৃক্ততা তাঁকে দিয়েছে একটি স্বতন্ত্র পরিচয়। নাট্যজীবনের সূচনা : রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্যের নাট্যজীবনের সূচনা ১৯৬২ সালে। সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে মঞ্চস্থ ‘সিরাজের স্বপ্ন’ নাটকে তিনি দাদা আলী বর্দি খানের চরিত্রে অভিনয় করেন। সিরাজউদদৌলাকে কেন্দ্র করে নির্মিত ওই নাটকের প্রশিক্ষণ দেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক সামছুদ্দিন আহমদ। নাটকটিতে তাঁর সহপাঠী রইছ আহমদ নাতির চরিত্রে অভিনয় করেন। একই চরিত্রে অভিনয় করেন তৎকালীন সুনামগঞ্জে কর্মরত এক ম্যাজিস্ট্রেটের ছেলে সহপাঠী আব্দুর রইছ এবং থানার ওসি সফিউদ্দিন আহমদের ছেলে সহপাঠী আলমগীর হোসেন। এই নাটকের মধ্য দিয়েই নাট্যাঙ্গনে প্রবেশ করেন রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্য। নাট্যজীবনে তাঁর অন্যতম শিক্ষাগুরু ছিলেন সুনামগঞ্জের বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব ও চিকিৎসক ডা. তরণী কান্ত দে। এরপর ধীরে ধীরে তিনি সুনামগঞ্জের দীর্ঘ নাট্যচর্চার ধারার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন। মঞ্চনাটককে তিনি কেবল বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে দেখেননি, মানুষের জীবন, সমাজ, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির কথা তুলে ধরার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবেই নাটককে ধারণ করেছেন। ছয় দশকের নাট্যচর্চা : দীর্ঘ পথচলায় অভিনয় ও সাংস্কৃতিক কর্মকা-ের মাধ্যমে সুনামগঞ্জের নাট্যাঙ্গনে নিজের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেন রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্য। তাঁর সঙ্গে কাজ করেছেন বিভিন্ন প্রজন্মের নাট্যকর্মী, অভিনেতা ও সাংস্কৃতিক সংগঠক। ফলে তাঁর সাংস্কৃতিক পথচলা একদিকে যেমন ব্যক্তিগত শিল্পচর্চার ইতিহাস, অন্যদিকে তেমনি সুনামগঞ্জের নাট্যচর্চার ধারাবাহিক ইতিহাসেরও অংশ। ২০১৮ সালে সুনামগঞ্জে তিন দিনব্যাপী পথনাটক উৎসবের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় ও সিলেটের বিভিন্ন নাট্যদল এতে অংশ নেয়। সুনামগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিভিন্ন আয়োজনেও প্রবীণ নাট্যব্যক্তিত্ব হিসেবে রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্যের উপস্থিতি ছিল স্থানীয় নাট্যচর্চার ধারাবাহিকতারই প্রতিফলন। রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্যের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে অভিনয় করেছেন শহরের বাসিন্দা শ্যামল চক্রবর্তী, শাহ আবু তাহের, শাহ আবু নাসের, শিক্ষক যোগেশ্বর দাস, ডি আর চন্দন, ফনিভূষণ দাস, বজলুল হক, মনোয়ার বখত নেক, অংশুমান দাস, গিলমান আহমদ, রওনক আহমদ, জন্টু সরকার, তপন কর, মঞ্জু রায়, দেবল চৌধুরী, শৈলেন রায়, প্রাণবেন্দু চক্রবর্তী, দিলাওয়ার রহমান মুজিব, অনন্ত পাল, ইউনুস আলীসহ আরও অনেকে। এছাড়া ঢাকার বিশিষ্ট নাট্য ও চলচ্চিত্র অভিনেতা আনোয়ার হোসেন, কায়েস আহমদ, সুমিতা দেবী, অমল ঘোষ, শাহিন আলম, রাণী সরকার, ঋষিকেশ রায়, গোকুল মণি রায়সহ অনেক শিল্পীর সঙ্গেও তিনি অভিনয় করেছেন। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রকাশিত একটি বুলেটিনে সুনামগঞ্জের পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম স্থান পায়। তাঁরা হলেন ডা. তরণী কান্ত দে, মনোরঞ্জন কর্মকার, দেওয়ান মহসীন রাজা চৌধুরী, রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্য ও রবীন্দ্র চন্দ্র রায়। পারিবারিক জীবন : মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের লামুয়া গ্রামের স্বর্গীয় রাকেশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের মেয়ে কনিকা ভট্টাচার্য্যকে বিয়ে করেন রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্য। দাম্পত্য জীবনে তাঁরা এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক-জননী। ছেলে রাতুল ভট্টাচার্য্য সুনামগঞ্জ পৌরসভায় কর্মরত। মেয়ে মৌমিতা ভট্টাচার্য্য শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা সরকারি মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত। তাঁর স্বামী পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য সুনামগঞ্জের রূপালী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক। রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্যের স্ত্রী কনিকা ভট্টাচার্য্যও শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন। ১৯৭৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটের ভাতালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন তিনি। পরে সুনামগঞ্জ শহরের মল্লিকপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি হয়ে যোগদান করেন। এরপর সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পদোন্নতি পেয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। সম্মাননা : দীর্ঘ সাংস্কৃতিক জীবনে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সম্মাননা পেয়েছেন নাট্যব্যক্তিত্ব রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্য। ২০১২ ও ২০১৯ সালে সারেগামা সাংস্কৃতিক সংগঠন, ২০১৫ সালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি, ২০১৭ সালে বন্ধন থিয়েটার এবং ২০১৮ সালে সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রসেনিয়াম তাঁকে সম্মাননা প্রদান করে। এ ছাড়া বাংলাদেশ যাত্রাশিল্প উন্নয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন থেকেও তিনি সম্মাননা লাভ করেছেন। নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা : নাট্যচর্চার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে শিল্প, অভিজ্ঞতা ও সংস্কৃতির উত্তরাধিকার পৌঁছে দেওয়া। সেই উত্তরাধিকারের একজন প্রবীণ ধারক রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্য। তাঁর দীর্ঘ সাংস্কৃতিক জীবন নতুন প্রজন্মের নাট্যকর্মীদের জন্য অভিজ্ঞতার এক মূল্যবান ভা-ার। মঞ্চে অভিনয়, নাট্যচর্চা এবং নাট্যকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পৃক্ততা সব মিলিয়ে তাঁর পথচলা সুনামগঞ্জের সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি যেমন প্রজন্ম গড়েছেন, তেমনি নাট্যকর্মী হিসেবেও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে রেখে গেছেন তাঁর নিজস্ব চিহ্ন। তাঁর জীবন ও কর্মের বিস্তারিত ইতিহাস সংরক্ষণ করা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুনামগঞ্জের নাট্যচর্চার বিকাশ ও পরিবর্তনের ইতিহাস সম্পর্কে আরও সমৃদ্ধ ধারণা লাভ করতে পারবে। ভাবতে অবাক লাগে, একজন মানুষ জীবনের আট দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে এসেছেন। কত মানুষ দেখেছেন, কত ঘটনা পার করেছেন, কত মঞ্চে উঠেছেন, কত শিক্ষার্থীকে পড়িয়েছেন, তার কতটুকুই বা আমরা জানি! কখনো কখনো একটি জীবনী লিখতে গিয়ে মনে হয়, আমরা আসলে একজন মানুষের পুরো জীবন নয়, তাঁর জীবনের কয়েকটি দৃশ্যই তুলে ধরতে পারি। বাকি গল্পগুলো থেকে যায় ডায়েরির পাতায়, পুরোনো স্মৃতিতে কিংবা কোনো এক শান্ত শুক্রবারের সকালের আলাপচারিতায়। রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্যের সেই ডায়েরি ও হাস্যোজ্জ্বল মুখটি তাই আমার কাছে সেদিনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হয়ে রইল। রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্য শুধু একজন নাট্যশিল্পীর নাম নয়, তিনি সুনামগঞ্জের দীর্ঘ নাট্যচর্চার একজন জীবন্ত সাক্ষী ও ধারক। শিক্ষকতা, সাহিত্য, নাট্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকা- জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁর বহুমাত্রিক সম্পৃক্ততা তাঁকে সুনামগঞ্জের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান দিয়েছে। সময়ের সঙ্গে অনেক মুখ আড়ালে চলে যায়, অনেক কর্মকা- বিস্মৃত হয়। কিন্তু যাঁরা একটি সময়ের সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চাকে ধারণ করেন, তাঁদের জীবন ও কর্ম ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকে। রমেন্দ্র ভট্টাচার্য্য তেমনই একজন মানুষ। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করি।
[লেখক : আকরাম উদ্দিন, গল্পকার ও সাংবাদিক]

সম্পাদকীয় :

  • সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মো. জিয়াউল হক
  • সম্পাদক ও প্রকাশক : বিজন সেন রায়
  • বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : মোক্তারপাড়া রোড, সুনামগঞ্জ-৩০০০।

অফিস :

  • ই-মেইল : [email protected]
  • ওয়েবসাইট : www.sunamkantha.com