মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী::
কালভার্ট ভেঙে সড়কের প্রায় ৩০০ ফুট অংশ এখন পুকুর। এক পাশ থেকে অন্য পাশে যেতে ভরসা একটি কাঠের সাঁকো। সেই সাঁকো পার হতেও দিতে হয় টোল। বর্ষায় পাহাড়ি ঢলের তোড়ে সাঁকো ভেসে গেলে বন্ধ হয়ে যায় যোগাযোগ। বছরের পর বছর ধরে এমন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ও বাংলাবাজার ইউনিয়নের ঘিলাতলী, শ্যামারগাঁও-শ্রীপুর গ্রামসহ সীমান্ত এলাকার মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ¯্রােতে মন্ত্রীর খালের ওপরের কালভার্টটি ভেঙে যায়। একই সঙ্গে ধসে পড়ে সড়কের প্রায় ৩০০ ফুট অংশ। পরে সেখানে পানি জমে তৈরি হয়েছে বড় গর্ত। সময় গড়ালেও সড়ক সংস্কার কিংবা স্থায়ী সেতু নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দুই ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করেন। কালভার্ট ভেঙে যাওয়ার পর যোগাযোগ সচল রাখতে স্থানীয়রাই কাঠের সাঁকো নির্মাণ করেন। এখন সেটিই তাদের একমাত্র ভরসা। তবে এই ভরসাও বিনামূল্যের নয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রতিদিন সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের সাঁকো পার হতে টোল দিতে হয়। নি¤œআয়ের মানুষের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্যও এটি বাড়তি বোঝা। বর্ষায় পাহাড়ি ঢল নামলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। স্রোতের তোড়ে সাঁকো ভেসে গেলে সীমান্ত এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। টোল আদায়কারী নানু মিয়া বলেন, উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে দুই ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য আমরা নিজেদের উদ্যোগে কাঠের সাঁকো তৈরি করেছি। সাঁকো না থাকলে সীমান্ত এলাকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পথচারীরা বলেন, কাঠের সাঁকো কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। বিশেষ করে শিশু, শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্কদের ঝুঁকি নিয়ে এটি পার হতে হয়। বর্ষায় সাঁকো ভেসে গেলে দুর্ভোগের মাত্রা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। স্থানীয়দের প্রশ্ন, একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কালভার্ট ভেঙে যাওয়ার পরও কেন বছরের পর বছর স্থায়ী সেতু নির্মাণ হবে না? তাদের দাবি, দ্রুত মন্ত্রীর খালের ওপর একটি টেকসই সেতু নির্মাণ এবং ভেঙে যাওয়া সড়কের অংশ পুনর্নির্মাণ করা হোক। তা না হলে প্রতি বর্ষায় পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে নতুন করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার শঙ্কা থেকেই যাবে।
কালভার্ট ভেঙে সড়কের প্রায় ৩০০ ফুট অংশ এখন পুকুর। এক পাশ থেকে অন্য পাশে যেতে ভরসা একটি কাঠের সাঁকো। সেই সাঁকো পার হতেও দিতে হয় টোল। বর্ষায় পাহাড়ি ঢলের তোড়ে সাঁকো ভেসে গেলে বন্ধ হয়ে যায় যোগাযোগ। বছরের পর বছর ধরে এমন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ও বাংলাবাজার ইউনিয়নের ঘিলাতলী, শ্যামারগাঁও-শ্রীপুর গ্রামসহ সীমান্ত এলাকার মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ¯্রােতে মন্ত্রীর খালের ওপরের কালভার্টটি ভেঙে যায়। একই সঙ্গে ধসে পড়ে সড়কের প্রায় ৩০০ ফুট অংশ। পরে সেখানে পানি জমে তৈরি হয়েছে বড় গর্ত। সময় গড়ালেও সড়ক সংস্কার কিংবা স্থায়ী সেতু নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দুই ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করেন। কালভার্ট ভেঙে যাওয়ার পর যোগাযোগ সচল রাখতে স্থানীয়রাই কাঠের সাঁকো নির্মাণ করেন। এখন সেটিই তাদের একমাত্র ভরসা। তবে এই ভরসাও বিনামূল্যের নয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রতিদিন সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের সাঁকো পার হতে টোল দিতে হয়। নি¤œআয়ের মানুষের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্যও এটি বাড়তি বোঝা। বর্ষায় পাহাড়ি ঢল নামলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। স্রোতের তোড়ে সাঁকো ভেসে গেলে সীমান্ত এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। টোল আদায়কারী নানু মিয়া বলেন, উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে দুই ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য আমরা নিজেদের উদ্যোগে কাঠের সাঁকো তৈরি করেছি। সাঁকো না থাকলে সীমান্ত এলাকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পথচারীরা বলেন, কাঠের সাঁকো কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। বিশেষ করে শিশু, শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্কদের ঝুঁকি নিয়ে এটি পার হতে হয়। বর্ষায় সাঁকো ভেসে গেলে দুর্ভোগের মাত্রা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। স্থানীয়দের প্রশ্ন, একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কালভার্ট ভেঙে যাওয়ার পরও কেন বছরের পর বছর স্থায়ী সেতু নির্মাণ হবে না? তাদের দাবি, দ্রুত মন্ত্রীর খালের ওপর একটি টেকসই সেতু নির্মাণ এবং ভেঙে যাওয়া সড়কের অংশ পুনর্নির্মাণ করা হোক। তা না হলে প্রতি বর্ষায় পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে নতুন করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার শঙ্কা থেকেই যাবে।