স্টাফ রিপোর্টার ::
ভ্যানগাড়িতে ঝালমুড়ি বিক্রি করে কোনোমতে সংসার চালাতেন আবু বক্কর সিদ্দিক। কিন্তু পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর থেকে বন্ধ রয়েছে তার ভ্যানগাড়ি। ফলে থমকে গেছে তার পরিবারের আয়ের চাকা। অর্থাভাবে সন্তানদের লেখাপড়া, চিকিৎসার খরচ এবং পাঁচ সন্তানসহ স্ত্রী-পরিবারের ভরণপোষণ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন তিনি। স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা আবু বক্কর সিদ্দিক হাওরের পাড়ে আমন ধানের চারা রোপণের সময় পূর্ববিরোধের জেরে হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় রসুলপুর গ্রামের মারফত আলীর ছেলেদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। হামলায় গুরুতর আহত আবু বক্কর সিদ্দিক এক মাসেরও বেশি সময় পার হলেও এখনো স্বাভাবিকভাবে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা। দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী থাকায় বন্ধ রয়েছে তার একমাত্র আয়ের উৎস ভ্যানগাড়িতে ঝালমুড়ি বিক্রির কাজ। এতে পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়েছে। ভুক্তভোগী আবু বক্কর বলেন, হামলার পর থেকে তিনি শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। কাজ করতে না পারায় সংসারে আয় নেই। সন্তানদের লেখাপড়া, ওষুধপত্র এবং পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। হামলার সময় প্রাণভিক্ষা চেয়ে কোনো রকমে বেঁচে গেলেও এখনো সেই ঘটনার আতঙ্ক তাকে তাড়া করে ফিরছে বলে জানান তিনি। এদিকে হামলার ঘটনায় মামলা-পাল্টা মামলায় জড়িয়ে পড়েছে উভয়পক্ষ। আদালতের সিআর মামলা নং-২৭৬/২০২৬-এ আবু বক্কর সিদ্দিকসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মামলায় বাবুল মিয়া (৪০), আবু সাঈদ মিয়া (৪৫), কামেম মিয়া (৩৬) ও তরিকুল (২৩)-এর নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে বাবুল মিয়া মৃত আলমাছ উদ্দিনের ছেলে এবং তরিকুল মৃত সরফত আলীর ছেলে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। অন্যদিকে আবু বক্কর সিদ্দিকের দায়ের করা বিশ্বম্ভরপুর থানার জিআর মামলা নং-১৯/০৮/২০২৬ অনুযায়ী হামলার অভিযোগে প্রতিপক্ষের কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তবে মামলা হওয়ার পরও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা। রসুলপুর গ্রামের কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি জানান, ধানক্ষেতে ময়লা ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে সেই বিরোধ সংঘর্ষ ও মামলা-পাল্টা মামলায় গড়িয়েছে। হামলায় আহত আবু বক্করের পরিবার বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছে। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ায় পরিবারের পাঁচ সন্তানের লেখাপড়া ও ভরণপোষণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি হামলার সুষ্ঠু তদন্ত, নিরাপত্তা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি অসুস্থ আবু বক্করের চিকিৎসা ও পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছে তারা।
ভ্যানগাড়িতে ঝালমুড়ি বিক্রি করে কোনোমতে সংসার চালাতেন আবু বক্কর সিদ্দিক। কিন্তু পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের পরিকল্পিত হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর থেকে বন্ধ রয়েছে তার ভ্যানগাড়ি। ফলে থমকে গেছে তার পরিবারের আয়ের চাকা। অর্থাভাবে সন্তানদের লেখাপড়া, চিকিৎসার খরচ এবং পাঁচ সন্তানসহ স্ত্রী-পরিবারের ভরণপোষণ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন তিনি। স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা আবু বক্কর সিদ্দিক হাওরের পাড়ে আমন ধানের চারা রোপণের সময় পূর্ববিরোধের জেরে হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় রসুলপুর গ্রামের মারফত আলীর ছেলেদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। হামলায় গুরুতর আহত আবু বক্কর সিদ্দিক এক মাসেরও বেশি সময় পার হলেও এখনো স্বাভাবিকভাবে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা। দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী থাকায় বন্ধ রয়েছে তার একমাত্র আয়ের উৎস ভ্যানগাড়িতে ঝালমুড়ি বিক্রির কাজ। এতে পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়েছে। ভুক্তভোগী আবু বক্কর বলেন, হামলার পর থেকে তিনি শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। কাজ করতে না পারায় সংসারে আয় নেই। সন্তানদের লেখাপড়া, ওষুধপত্র এবং পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। হামলার সময় প্রাণভিক্ষা চেয়ে কোনো রকমে বেঁচে গেলেও এখনো সেই ঘটনার আতঙ্ক তাকে তাড়া করে ফিরছে বলে জানান তিনি। এদিকে হামলার ঘটনায় মামলা-পাল্টা মামলায় জড়িয়ে পড়েছে উভয়পক্ষ। আদালতের সিআর মামলা নং-২৭৬/২০২৬-এ আবু বক্কর সিদ্দিকসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মামলায় বাবুল মিয়া (৪০), আবু সাঈদ মিয়া (৪৫), কামেম মিয়া (৩৬) ও তরিকুল (২৩)-এর নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে বাবুল মিয়া মৃত আলমাছ উদ্দিনের ছেলে এবং তরিকুল মৃত সরফত আলীর ছেলে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। অন্যদিকে আবু বক্কর সিদ্দিকের দায়ের করা বিশ্বম্ভরপুর থানার জিআর মামলা নং-১৯/০৮/২০২৬ অনুযায়ী হামলার অভিযোগে প্রতিপক্ষের কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তবে মামলা হওয়ার পরও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা। রসুলপুর গ্রামের কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি জানান, ধানক্ষেতে ময়লা ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে সেই বিরোধ সংঘর্ষ ও মামলা-পাল্টা মামলায় গড়িয়েছে। হামলায় আহত আবু বক্করের পরিবার বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছে। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ায় পরিবারের পাঁচ সন্তানের লেখাপড়া ও ভরণপোষণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি হামলার সুষ্ঠু তদন্ত, নিরাপত্তা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি অসুস্থ আবু বক্করের চিকিৎসা ও পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছে তারা।