স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জ আদালতে মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে পৌর শহরের জলিলপুর এলাকায় মমিনুল হক (৩০) নামে এক যুবককে অটোরিকশা থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত এবং তাঁর হাতের দুইটি আঙুল বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জলিলপুর এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত মমিনুল হক পৌর শহরের শ্রীপুর এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে। আহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, শ্রীপুর এলাকার তাজির মিয়া ও মমিনুল হকের পরিবারের মধ্যে জায়গা-জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে উভয়পক্ষের একাধিক মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। বুধবার সকালে একটি মামলায় হাজিরা দিতে অটোরিকশাযোগে আদালতে যাচ্ছিলেন মমিনুল। পরিবারের অভিযোগ, জলিলপুর এলাকায় পৌঁছলে তাজির মিয়াসহ কয়েকজন যুবক অটোরিকশাটির গতিরোধ করেন। পরে তারা মমিনুলকে টেনেহিঁচড়ে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে রামদা, শাবলসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন। হামলায় তাঁর হাত, পা ও মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। একপর্যায়ে তার হাতের দুইটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে পরিবারের দাবি। পরে হামলাকারীরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কের পাশে ফেলে রেখে চলে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। আহতের চাচা জমির মিয়া বলেন, তাজির মিয়ার পরিবারের সঙ্গে আমার ভাতিজার জমি নিয়ে মামলা রয়েছে। সকালে একটি মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় তাকে একা পেয়ে নির্মমভাবে হামলা করা হয়েছে। খবর পেয়ে আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। সুনামগঞ্জ ও সিলেটে চিকিৎসার পর তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আহতের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, আমরা গরিব ও নিরীহ মানুষ। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আমার ছেলের ওপর এভাবে হামলা করা হয়েছে। আমি হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। এ ঘটনায় তাজির মিয়া, নজির মিয়া, কাহার, সাব্বির ও আসফা উদ্দিনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ করেছে আহতের পরিবার। এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, এমন কোনো ঘটনা সম্পর্কে আমি জানি না। কেউ অভিযোগ করলে বিষয়টি দেখা হবে।
সুনামগঞ্জ আদালতে মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে পৌর শহরের জলিলপুর এলাকায় মমিনুল হক (৩০) নামে এক যুবককে অটোরিকশা থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত এবং তাঁর হাতের দুইটি আঙুল বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জলিলপুর এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত মমিনুল হক পৌর শহরের শ্রীপুর এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে। আহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, শ্রীপুর এলাকার তাজির মিয়া ও মমিনুল হকের পরিবারের মধ্যে জায়গা-জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে উভয়পক্ষের একাধিক মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। বুধবার সকালে একটি মামলায় হাজিরা দিতে অটোরিকশাযোগে আদালতে যাচ্ছিলেন মমিনুল। পরিবারের অভিযোগ, জলিলপুর এলাকায় পৌঁছলে তাজির মিয়াসহ কয়েকজন যুবক অটোরিকশাটির গতিরোধ করেন। পরে তারা মমিনুলকে টেনেহিঁচড়ে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে রামদা, শাবলসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন। হামলায় তাঁর হাত, পা ও মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। একপর্যায়ে তার হাতের দুইটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে পরিবারের দাবি। পরে হামলাকারীরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কের পাশে ফেলে রেখে চলে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। আহতের চাচা জমির মিয়া বলেন, তাজির মিয়ার পরিবারের সঙ্গে আমার ভাতিজার জমি নিয়ে মামলা রয়েছে। সকালে একটি মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় তাকে একা পেয়ে নির্মমভাবে হামলা করা হয়েছে। খবর পেয়ে আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। সুনামগঞ্জ ও সিলেটে চিকিৎসার পর তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আহতের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, আমরা গরিব ও নিরীহ মানুষ। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আমার ছেলের ওপর এভাবে হামলা করা হয়েছে। আমি হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। এ ঘটনায় তাজির মিয়া, নজির মিয়া, কাহার, সাব্বির ও আসফা উদ্দিনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ করেছে আহতের পরিবার। এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, এমন কোনো ঘটনা সম্পর্কে আমি জানি না। কেউ অভিযোগ করলে বিষয়টি দেখা হবে।