মো. বায়েজীদ বিন ওয়াহিদ::
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনাবাজার এলাকায় বিষাক্ত রং মিশ্রিত খাদ্যদ্রব্য ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির অভিযোগে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে সাচনাবাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সুমি ফাস্ট ফুড এন্ড লাইভ বেকারিকে ১ লাখ টাকা, সিয়াম ফাস্ট ফুডকে ৫০ হাজার টাকা এবং হৃদয় কনফেকশনারীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিল্পী রাণী মোদক ও জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. শরিফ উদ্দিন।
এ সময় পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানগুলোর তৈরি বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যে ক্ষতিকর ও শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত রং ব্যবহার করা হচ্ছিল। এসব রং খাদ্যপণ্যে ব্যবহারের উপযোগী কি না, তা পরীক্ষায় অনিরাপদ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
এছাড়া অভিযানকালে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের গায়ে নতুন মেয়াদের লেবেল লাগিয়ে বাজারজাত করারও প্রমাণ পাওয়া যায়। পুরোনো মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া কিছু পণ্যে নতুন করে মেয়াদের স্টিকার লাগিয়ে বিক্রির জন্য রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে মেয়াদ শেষ হওয়া পণ্যে যথাক্রমে ২০২৫ ও ২০২৬ সালের নতুন মেয়াদের স্টিকার লাগানো হয়েছিল বলে অভিযান সূত্রে জানা যায়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিল্পী রাণী মোদক বলেন, “নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ক্যানসার সৃষ্টিকারী বিষাক্ত উপাদান ব্যবহার এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য পুনরায় লেবেলিং করে বিক্রির অপরাধে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনাবাজার এলাকায় বিষাক্ত রং মিশ্রিত খাদ্যদ্রব্য ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির অভিযোগে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে সাচনাবাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সুমি ফাস্ট ফুড এন্ড লাইভ বেকারিকে ১ লাখ টাকা, সিয়াম ফাস্ট ফুডকে ৫০ হাজার টাকা এবং হৃদয় কনফেকশনারীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিল্পী রাণী মোদক ও জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. শরিফ উদ্দিন।
এ সময় পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানগুলোর তৈরি বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যে ক্ষতিকর ও শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত রং ব্যবহার করা হচ্ছিল। এসব রং খাদ্যপণ্যে ব্যবহারের উপযোগী কি না, তা পরীক্ষায় অনিরাপদ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
এছাড়া অভিযানকালে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের গায়ে নতুন মেয়াদের লেবেল লাগিয়ে বাজারজাত করারও প্রমাণ পাওয়া যায়। পুরোনো মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া কিছু পণ্যে নতুন করে মেয়াদের স্টিকার লাগিয়ে বিক্রির জন্য রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে মেয়াদ শেষ হওয়া পণ্যে যথাক্রমে ২০২৫ ও ২০২৬ সালের নতুন মেয়াদের স্টিকার লাগানো হয়েছিল বলে অভিযান সূত্রে জানা যায়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিল্পী রাণী মোদক বলেন, “নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ক্যানসার সৃষ্টিকারী বিষাক্ত উপাদান ব্যবহার এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য পুনরায় লেবেলিং করে বিক্রির অপরাধে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”