সামছুল ইসলাম সরদার::
ভাটি অঞ্চলের সর্বোচচ বিদ্যাপীঠ দিরাই সরকারি ডিগ্রি কলেজ।কলেজের প্রশাসন বিভাগ সুত্রে জানা যায়, ১৯৭৯ সালে এ কলেজ যাত্রা শুরু করে। দীর্ঘ ৪৭ বছর অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্ত এ কলেজে অনার্স বিভাগ চালু হয়নি। ২০০৯ সালে কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান চৌধুরী অবসর গ্রহন করলে কলেজের উপাধ্যক্ষ মিহির রঞ্জন দাস ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের আসন গ্রহন করেন, এরই ধারাবাহিকতায় অনুকূল চন্দ্র দেব,বিমান চৌধুরী, ধীমান কীর্তনিয়া, প্রদীপ রঞ্জন দাস, ফখর উদ্দিন চৌধুরী ও বর্তমানে রফিকুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিয়েই চলছে বিশাল এ প্রতিষ্ঠান। অধ্যক্ষ বিহীন ১৭ বছরে কলেজের সর্বত্রই স্থবিরতা। এক সময় যে কলেজ ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত থাকতো সে ক্যাম্পাসে আজ শোন শান নিরবতা। অধ্যক্ষ, শিক্ষক ও কর্মচারী স্বল্পতা সহ নানান সংকটে হাওরবাসী প্রিয় প্রতিষ্ঠান। ওই কলেজের সাবেক একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের সময় কলেজ এতো সুন্দর বিল্ডিং ছিলনা, ছিলনা এমন মনোরম পরিবেশ কিন্তু সেসময় কলেজ ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত থাকতো, আমরা নিয়মিত ক্লাস করতাম, কলেজে উৎসব মুখর পরিবেশে ৪ বার ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছে। এখন সুন্দর বিল্ডিং, মনোরম ক্যাম্পাস সব আছে, নেই শুধু শিক্ষার্থীদের কোলাহল। আমাদের সন্তানরা এখন কলেজ ছেড়ে কোচিং সেন্টারের দিকে মন দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের কলেজ মূখি করতে শিক্ষক ও অভিভাবক মিলে এখনই ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন,কলেজের প্রতিষ্ঠা কালীন অধ্যক্ষ আবদুল হান্নান চৌধুরী ২০০৯ সালে অবসরে গেলে তখন থেকে আজ পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিয়ে চলছে কলেজের যাবতীয় কাজ।দেড় বছর আগে সরকার একজন অধ্যক্ষ্য নিয়োগ দিলেও তিনি মাত্র ৩ মাস দায়িত্ব পালন করে অন্যত্র বদলী হয়ে চলে যান। তার পর থেকে আমি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে আছি। বর্তমানে কলেজ শিক্ষক সংকট চরমে।আমরা মাত্র ৫ জন আছি, ১০ জন খন্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঠদান।আমি শিক্ষক স্বল্পতা ও অধ্যক্ষ নিয়োগের বিষয় টি বার বার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত জানালে ও কোন রেজাল্ট পাচ্ছি না। অধ্যক্ষ নিয়োগ, শিক্ষক স্বল্পতাসহ যাবতীয় বিষয়ে মাননীয় সংসদ সদস্যের সাথে আলাপ করেছি, আমি আশাবাদী এর একটি সুরাহা হবে।
ভাটি অঞ্চলের সর্বোচচ বিদ্যাপীঠ দিরাই সরকারি ডিগ্রি কলেজ।কলেজের প্রশাসন বিভাগ সুত্রে জানা যায়, ১৯৭৯ সালে এ কলেজ যাত্রা শুরু করে। দীর্ঘ ৪৭ বছর অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্ত এ কলেজে অনার্স বিভাগ চালু হয়নি। ২০০৯ সালে কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান চৌধুরী অবসর গ্রহন করলে কলেজের উপাধ্যক্ষ মিহির রঞ্জন দাস ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের আসন গ্রহন করেন, এরই ধারাবাহিকতায় অনুকূল চন্দ্র দেব,বিমান চৌধুরী, ধীমান কীর্তনিয়া, প্রদীপ রঞ্জন দাস, ফখর উদ্দিন চৌধুরী ও বর্তমানে রফিকুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিয়েই চলছে বিশাল এ প্রতিষ্ঠান। অধ্যক্ষ বিহীন ১৭ বছরে কলেজের সর্বত্রই স্থবিরতা। এক সময় যে কলেজ ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত থাকতো সে ক্যাম্পাসে আজ শোন শান নিরবতা। অধ্যক্ষ, শিক্ষক ও কর্মচারী স্বল্পতা সহ নানান সংকটে হাওরবাসী প্রিয় প্রতিষ্ঠান। ওই কলেজের সাবেক একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের সময় কলেজ এতো সুন্দর বিল্ডিং ছিলনা, ছিলনা এমন মনোরম পরিবেশ কিন্তু সেসময় কলেজ ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত থাকতো, আমরা নিয়মিত ক্লাস করতাম, কলেজে উৎসব মুখর পরিবেশে ৪ বার ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছে। এখন সুন্দর বিল্ডিং, মনোরম ক্যাম্পাস সব আছে, নেই শুধু শিক্ষার্থীদের কোলাহল। আমাদের সন্তানরা এখন কলেজ ছেড়ে কোচিং সেন্টারের দিকে মন দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের কলেজ মূখি করতে শিক্ষক ও অভিভাবক মিলে এখনই ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন,কলেজের প্রতিষ্ঠা কালীন অধ্যক্ষ আবদুল হান্নান চৌধুরী ২০০৯ সালে অবসরে গেলে তখন থেকে আজ পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিয়ে চলছে কলেজের যাবতীয় কাজ।দেড় বছর আগে সরকার একজন অধ্যক্ষ্য নিয়োগ দিলেও তিনি মাত্র ৩ মাস দায়িত্ব পালন করে অন্যত্র বদলী হয়ে চলে যান। তার পর থেকে আমি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে আছি। বর্তমানে কলেজ শিক্ষক সংকট চরমে।আমরা মাত্র ৫ জন আছি, ১০ জন খন্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঠদান।আমি শিক্ষক স্বল্পতা ও অধ্যক্ষ নিয়োগের বিষয় টি বার বার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত জানালে ও কোন রেজাল্ট পাচ্ছি না। অধ্যক্ষ নিয়োগ, শিক্ষক স্বল্পতাসহ যাবতীয় বিষয়ে মাননীয় সংসদ সদস্যের সাথে আলাপ করেছি, আমি আশাবাদী এর একটি সুরাহা হবে।