জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী::
ছাতকের গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজে একাদশ শ্রেণীর নবীনবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অর্ধশত আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ছাত্রশিবির কর্তৃক বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ছাতক উপজেলা শাখার সভাপতি মুশাহিদ আলী ও দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসেন ও উপজেলা প্রেসক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক হেনস্তার শিকারসহ সাংবাদিকদের দুটি মোবাইলফোন ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে ছাত্রদলের জাকির হোসেন লাহিনসহ ৩ জন এবং কলেজ ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মাহফুজ আহমদ, আব্দুল ওয়াদুদ ও লায়েক আহমদকে গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজে একাদশ শ্রেণীর নবীনবরণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল। দুপুরে নবাগত কলেজ ছাত্র-ছাত্রীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান বিষয়ে ছাতক উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মো. মাহবুব আহমদের সাথে গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজ ছাত্রশিবির সভাপতি মো. জুনায়েদ আহমেদের কলেজ গেইটে বাগবিতন্ডার ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে কিছু সময়ের মধ্যে সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের ওপর ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলে। চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে ছাতক-সিলেট ও সুনামগঞ্জ সড়কের সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি দোকান ভাঙচুর ও ছাত্রশিবিরের অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ভিডিওচিত্র ও ছবি তুলতে গিয়ে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোশাহিদ আলী, ক্রীড়া স¤পদক এআর সায়েম ও সদস্য লোকমান হোসেন ছাত্রশিবির কর্তৃক হেনস্তার শিকার হন।
এসময় তাদের দুটি মুঠোফোন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ওই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ছাত্রশিবিরের ৩ জন ও ছাত্রদলের ৩ সহ মোট ৬ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং অন্য আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার ছাতক উপজেলা প্রতিনিধি মোশাহিদ আলী বলেন, ছাত্র শিবিরের সশস্ত্র ছবি তোলতে গেলে তারা আমরা তিনজন সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় তারা আমাদের হেনস্তা করে। বিষয়টি তাদের নেতারা দেখেছেন। এখন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্যরি বলার চেষ্টা করছে। আমরা সাংবাদিকদের হেনস্তাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইনা।
গোবিন্দগঞ্জ কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুনেদ আহমদ বলেন, ছাত্রদল আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করেছে। আমরা শিক্ষাবান্ধব কর্মসূচি নিয়ে নবীনদের বরণ করেছিলাম। এ কারণে আমাদের উপর হামলা চালায় ছাত্রদল। তারা ক্যাম্পাসকে অস্ত্রাগারে পরিণত করতে চায়। আমরা সেটা হতে দেবনা। ছাতক উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাহবুব আহমেদ বলেন, আমরা ওরিয়েন্টশন অনুষ্ঠান শেষে ক্যাম্পাস থেকে নাশকতাবিরোধী মিছিল দিয়ে বাইরে বেরুনোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম।
এসময় ছাত্রশিবির আমাদের মিছিলে বাধা দেয় এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্ত করে। এর জেরে আমাদের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করলে তাদের মারধর করে। এক পর্যায়ে শিবির দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সড়কে এসে যানবাহন, দোকানপাট ভাঙচুর করে। আমাদের বিএনপি নেতা রুহুল আমিনের পেট্রোল পাম্পে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। তারা গোবিন্দগঞ্জ কলেজ ক্যা¤পাস ও এলাকায় সন্ত্রাস কায়েম করে ভীতসন্ত্রস্ত করে রাখতে চায়। ছাতক উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি হাফিজ জাকির হোসাইন বলেন, ছাত্রদল আমাদের নেতাকর্মীদের মারধর করেছে। তাদের হাতে আমাদের কলেজ শিবির সেক্রেটারি মাহফুজ, উপজেলা শিবির সেক্রেটারি নাঈমসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তারা আমাদের সৈদেরগাঁও ইউনিয়ন জামায়াতের অফিস ভাঙচুর করেছে। আমরা এখন আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। পরে আইনী ব্যবস্থা নেব।
সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তারেক মিয়া বলেন, গোবিন্দগঞ্জ কলেজকে ছাত্রশিবির ক্যাম্প বানাতে চায়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে ক্যাম্পাস দখল করে অরাজকতা ও নাশকতা করতে চায়। তাই ছাত্রদলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করেছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করেছে। তাদের সন্ত্রাসের জবাব রাজপথেই দেওয়া হবে। গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সবিবুর রহমান মতি বলেন, ক্যাম্পাসের ভিতরে হাঙ্গামার ঘটনা ঘটেনি। বাইরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
ছাতক থানার ওসি (তদন্ত) ঝলক মোহন্ত বলেন, আমরা দুপুরের দিকে খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করি। উভয়পক্ষকে নিবৃত্ত করি। ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার পর এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এলাকায় বিপুল পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ছাতকের গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজে একাদশ শ্রেণীর নবীনবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অর্ধশত আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ছাত্রশিবির কর্তৃক বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ছাতক উপজেলা শাখার সভাপতি মুশাহিদ আলী ও দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসেন ও উপজেলা প্রেসক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক হেনস্তার শিকারসহ সাংবাদিকদের দুটি মোবাইলফোন ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে ছাত্রদলের জাকির হোসেন লাহিনসহ ৩ জন এবং কলেজ ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মাহফুজ আহমদ, আব্দুল ওয়াদুদ ও লায়েক আহমদকে গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজে একাদশ শ্রেণীর নবীনবরণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল। দুপুরে নবাগত কলেজ ছাত্র-ছাত্রীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান বিষয়ে ছাতক উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মো. মাহবুব আহমদের সাথে গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজ ছাত্রশিবির সভাপতি মো. জুনায়েদ আহমেদের কলেজ গেইটে বাগবিতন্ডার ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে কিছু সময়ের মধ্যে সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের ওপর ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলে। চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে ছাতক-সিলেট ও সুনামগঞ্জ সড়কের সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি দোকান ভাঙচুর ও ছাত্রশিবিরের অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ভিডিওচিত্র ও ছবি তুলতে গিয়ে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোশাহিদ আলী, ক্রীড়া স¤পদক এআর সায়েম ও সদস্য লোকমান হোসেন ছাত্রশিবির কর্তৃক হেনস্তার শিকার হন।
এসময় তাদের দুটি মুঠোফোন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ওই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ছাত্রশিবিরের ৩ জন ও ছাত্রদলের ৩ সহ মোট ৬ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং অন্য আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার ছাতক উপজেলা প্রতিনিধি মোশাহিদ আলী বলেন, ছাত্র শিবিরের সশস্ত্র ছবি তোলতে গেলে তারা আমরা তিনজন সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় তারা আমাদের হেনস্তা করে। বিষয়টি তাদের নেতারা দেখেছেন। এখন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্যরি বলার চেষ্টা করছে। আমরা সাংবাদিকদের হেনস্তাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইনা।
গোবিন্দগঞ্জ কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুনেদ আহমদ বলেন, ছাত্রদল আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করেছে। আমরা শিক্ষাবান্ধব কর্মসূচি নিয়ে নবীনদের বরণ করেছিলাম। এ কারণে আমাদের উপর হামলা চালায় ছাত্রদল। তারা ক্যাম্পাসকে অস্ত্রাগারে পরিণত করতে চায়। আমরা সেটা হতে দেবনা। ছাতক উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাহবুব আহমেদ বলেন, আমরা ওরিয়েন্টশন অনুষ্ঠান শেষে ক্যাম্পাস থেকে নাশকতাবিরোধী মিছিল দিয়ে বাইরে বেরুনোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম।
এসময় ছাত্রশিবির আমাদের মিছিলে বাধা দেয় এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্ত করে। এর জেরে আমাদের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করলে তাদের মারধর করে। এক পর্যায়ে শিবির দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সড়কে এসে যানবাহন, দোকানপাট ভাঙচুর করে। আমাদের বিএনপি নেতা রুহুল আমিনের পেট্রোল পাম্পে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। তারা গোবিন্দগঞ্জ কলেজ ক্যা¤পাস ও এলাকায় সন্ত্রাস কায়েম করে ভীতসন্ত্রস্ত করে রাখতে চায়। ছাতক উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি হাফিজ জাকির হোসাইন বলেন, ছাত্রদল আমাদের নেতাকর্মীদের মারধর করেছে। তাদের হাতে আমাদের কলেজ শিবির সেক্রেটারি মাহফুজ, উপজেলা শিবির সেক্রেটারি নাঈমসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তারা আমাদের সৈদেরগাঁও ইউনিয়ন জামায়াতের অফিস ভাঙচুর করেছে। আমরা এখন আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। পরে আইনী ব্যবস্থা নেব।
সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তারেক মিয়া বলেন, গোবিন্দগঞ্জ কলেজকে ছাত্রশিবির ক্যাম্প বানাতে চায়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে ক্যাম্পাস দখল করে অরাজকতা ও নাশকতা করতে চায়। তাই ছাত্রদলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করেছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করেছে। তাদের সন্ত্রাসের জবাব রাজপথেই দেওয়া হবে। গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সবিবুর রহমান মতি বলেন, ক্যাম্পাসের ভিতরে হাঙ্গামার ঘটনা ঘটেনি। বাইরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
ছাতক থানার ওসি (তদন্ত) ঝলক মোহন্ত বলেন, আমরা দুপুরের দিকে খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করি। উভয়পক্ষকে নিবৃত্ত করি। ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার পর এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এলাকায় বিপুল পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।