মো. বায়েজীদ বিন ওয়াহিদ::
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের পাঠদানে বিশেষ ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে জামালগঞ্জ উপজেলায় তিন শিক্ষককে ‘গুণী শিক্ষক’ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জামালগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের নির্বাচিত করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষায় অবদান, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের দক্ষতা, শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্বশীলতা এবং বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়।
নির্বাচিত তিন শিক্ষক হলেন— লম্বাবাঁক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শওকত আলী, ১৪ নং লক্ষীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. তাছমিন নাহার এবং বেহেলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মৃদুল রায় চৌধুরী।
নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সভাপতিত্ব করেন জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিল্পী রানী মোদক। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পীযুস কান্তি মজুমদার।
এ সময় সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ফারজেল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, একজন শিক্ষকের দায়িত্ব শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও সামাজিক বিকাশে ভূমিকা রাখা, বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করা এবং শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার ক্ষেত্রেও শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই গুণী শিক্ষক নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। উপজেলা পর্যায়ে এ ধরনের স্বীকৃতি শিক্ষকদের পেশাগত কাজে আরও উৎসাহিত করার পাশাপাশি নিজেদের দায়িত্ব ও দক্ষতা বিকাশে ইতিবাচক প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে ভালো কাজের স্বীকৃতি পেলে অন্য শিক্ষকরাও শিক্ষার্থীদের জন্য আরও আন্তরিকভাবে কাজ করতে উৎসাহিত হবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জামালগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত তিন শিক্ষকের এই স্বীকৃতি তাই শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বিদ্যালয়ভিত্তিক ভালো উদ্যোগ ও দায়িত্বশীল শিক্ষকতারও একটি স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের পাঠদানে বিশেষ ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে জামালগঞ্জ উপজেলায় তিন শিক্ষককে ‘গুণী শিক্ষক’ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জামালগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের নির্বাচিত করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষায় অবদান, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের দক্ষতা, শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্বশীলতা এবং বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়।
নির্বাচিত তিন শিক্ষক হলেন— লম্বাবাঁক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শওকত আলী, ১৪ নং লক্ষীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. তাছমিন নাহার এবং বেহেলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মৃদুল রায় চৌধুরী।
নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সভাপতিত্ব করেন জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিল্পী রানী মোদক। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পীযুস কান্তি মজুমদার।
এ সময় সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ফারজেল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, একজন শিক্ষকের দায়িত্ব শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও সামাজিক বিকাশে ভূমিকা রাখা, বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করা এবং শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার ক্ষেত্রেও শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই গুণী শিক্ষক নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। উপজেলা পর্যায়ে এ ধরনের স্বীকৃতি শিক্ষকদের পেশাগত কাজে আরও উৎসাহিত করার পাশাপাশি নিজেদের দায়িত্ব ও দক্ষতা বিকাশে ইতিবাচক প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে ভালো কাজের স্বীকৃতি পেলে অন্য শিক্ষকরাও শিক্ষার্থীদের জন্য আরও আন্তরিকভাবে কাজ করতে উৎসাহিত হবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জামালগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত তিন শিক্ষকের এই স্বীকৃতি তাই শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বিদ্যালয়ভিত্তিক ভালো উদ্যোগ ও দায়িত্বশীল শিক্ষকতারও একটি স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।