স্টাফ রিপোর্টার::
পৌর শহরের বিভিন্ন পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব.) ইকবাল হোসেন চৌধুরীর ছেলে ইনান চৌধুরী। আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে পূজা উদযাপনের সার্বিক প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ও বিভিন্ন বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় শহরের আরফিননগর এলাকায় ইনান চৌধুরীর নিজ বাসভবনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সাবেক শিক্ষক জগদেশ্বর দাস সভাপতিত্ব করেন। বিধান চন্দ্র দাসের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিপ্রেস কুমার রায় বাপ্পি, পরিষদের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট বিমান কান্তি রায়, শ্মশানঘাটের সভাপতি অরুণ চন্দ্র দে, জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী খুশনুর, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ওমর ফারুক, শিরিন চৌধুরী, আবুল হোসেন ছোট মিয়া, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সাইফুর রহমান সমসু, জন্মাষ্টমী কমিটির সভাপতি সন্তোষ রায়সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। মতবিনিময় সভায় পৌর শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রস্তুতি, পূজা চলাকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মণ্ডপকেন্দ্রিক শৃঙ্খলা এবং দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্ন চলাচলসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে উৎসবকে ঘিরে আয়োজকদের দায়িত্ব ও পারস্পরিক সমন্বয়ের বিষয়েও মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা। বক্তারা বলেন, দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা সম্পন্ন করতে আয়োজক, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে মণ্ডপভিত্তিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। সভায় ইনান চৌধুরী পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ও বিভিন্ন পরামর্শ শোনেন। তিনি পূজা উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন। সভায় স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
পৌর শহরের বিভিন্ন পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব.) ইকবাল হোসেন চৌধুরীর ছেলে ইনান চৌধুরী। আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে পূজা উদযাপনের সার্বিক প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ও বিভিন্ন বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় শহরের আরফিননগর এলাকায় ইনান চৌধুরীর নিজ বাসভবনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সাবেক শিক্ষক জগদেশ্বর দাস সভাপতিত্ব করেন। বিধান চন্দ্র দাসের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিপ্রেস কুমার রায় বাপ্পি, পরিষদের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট বিমান কান্তি রায়, শ্মশানঘাটের সভাপতি অরুণ চন্দ্র দে, জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী খুশনুর, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ওমর ফারুক, শিরিন চৌধুরী, আবুল হোসেন ছোট মিয়া, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সাইফুর রহমান সমসু, জন্মাষ্টমী কমিটির সভাপতি সন্তোষ রায়সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। মতবিনিময় সভায় পৌর শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রস্তুতি, পূজা চলাকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মণ্ডপকেন্দ্রিক শৃঙ্খলা এবং দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্ন চলাচলসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে উৎসবকে ঘিরে আয়োজকদের দায়িত্ব ও পারস্পরিক সমন্বয়ের বিষয়েও মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা। বক্তারা বলেন, দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা সম্পন্ন করতে আয়োজক, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে মণ্ডপভিত্তিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। সভায় ইনান চৌধুরী পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ও বিভিন্ন পরামর্শ শোনেন। তিনি পূজা উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন। সভায় স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।