স্টাফ রিপোর্টার::
যোগাযোগ সংকট, শিক্ষকস্বল্পতা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, মৌসুমি ঝরে পড়া ও প্রযুক্তিগত সুবিধার ঘাটতিসহ নানা চ্যালেঞ্জে সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থা। এসব সমস্যা মোকাবিলায় হাওরের বাস্তবতা বিবেচনায় শিক্ষা ক্যালেন্ডার প্রণয়ন, আবাসিক ও পরিবহন সুবিধা এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণের প্রস্তাব দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে ‘হাওরাঞ্চলে শিক্ষার সংকট ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে এসব বিষয় উঠে আসে। সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ও সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে। সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শাহাদত হোসেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর জ্যোতির্ময় দাস, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর পরিমল কান্তি দে, সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ মো. মুহিদ মিয়া, সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ মামুনুর রশীদ, হবিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর ন্যাথানায়েল এডউইন ফেয়ারক্রস, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর সৈয়দ মহিবুল ইসলাম ও সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর রজত কান্তি সোম। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. রোকসানা পারভীন চৌধুরী। তিনি হাওরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন। মূল প্রবন্ধে বলা হয়, বর্ষাকালে হাওরাঞ্চলের অনেক এলাকা পানিতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে নৌকার ওপর নির্ভর করতে হয়। শুষ্ক মৌসুমেও দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থা অনেক শিক্ষার্থীর নিয়মিত উপস্থিতিতে বাধা সৃষ্টি করে। কৃষি ও মৎস্যনির্ভর পরিবারের সন্তানদের একটি অংশ বোরো ধান কাটার মৌসুম ও মাছ ধরার সময়ে পরিবারের কাজে যুক্ত হওয়ায় শিক্ষাজীবন ব্যাহত হওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় আসে। শিক্ষক আবাসন ও দক্ষ শিক্ষক ধরে রাখার সমস্যা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, বাল্যবিয়ে এবং দুর্বল ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ সুবিধাকেও হাওরাঞ্চলের শিক্ষার চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এসব সমস্যা মোকাবিলায় হাওরের কৃষি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়সূচি বিবেচনায় পৃথক ‘হাওর শিক্ষা ক্যালেন্ডার’ প্রণয়ন, ভাসমান বিদ্যালয়, শিক্ষার্থীদের আবাসিক ও পরিবহন সুবিধা, শিক্ষকদের বিশেষ ভাতা ও আবাসন এবং স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ও সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক ডিজিটাল শিক্ষা চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। এছাড়া কৃষি, মৎস্য, পর্যটন, তথ্যপ্রযুক্তি ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি ও পুষ্টি কর্মসূচি বাড়ানো এবং বন্যা সহনশীল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণের কথাও তুলে ধরা হয়। সেমিনারে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষক সংকট, একাডেমিক ভবন, শিক্ষার্থীদের আবাসন ও পরিবহন সমস্যাও আলোচনায় আসে। সেমিনারে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে প্রকাশিত ‘অগ্নির অক্ষর’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
যোগাযোগ সংকট, শিক্ষকস্বল্পতা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, মৌসুমি ঝরে পড়া ও প্রযুক্তিগত সুবিধার ঘাটতিসহ নানা চ্যালেঞ্জে সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থা। এসব সমস্যা মোকাবিলায় হাওরের বাস্তবতা বিবেচনায় শিক্ষা ক্যালেন্ডার প্রণয়ন, আবাসিক ও পরিবহন সুবিধা এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণের প্রস্তাব দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে ‘হাওরাঞ্চলে শিক্ষার সংকট ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে এসব বিষয় উঠে আসে। সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ ও সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে। সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শাহাদত হোসেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর জ্যোতির্ময় দাস, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর পরিমল কান্তি দে, সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ মো. মুহিদ মিয়া, সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ মামুনুর রশীদ, হবিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর ন্যাথানায়েল এডউইন ফেয়ারক্রস, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর সৈয়দ মহিবুল ইসলাম ও সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর রজত কান্তি সোম। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. রোকসানা পারভীন চৌধুরী। তিনি হাওরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন। মূল প্রবন্ধে বলা হয়, বর্ষাকালে হাওরাঞ্চলের অনেক এলাকা পানিতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে নৌকার ওপর নির্ভর করতে হয়। শুষ্ক মৌসুমেও দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থা অনেক শিক্ষার্থীর নিয়মিত উপস্থিতিতে বাধা সৃষ্টি করে। কৃষি ও মৎস্যনির্ভর পরিবারের সন্তানদের একটি অংশ বোরো ধান কাটার মৌসুম ও মাছ ধরার সময়ে পরিবারের কাজে যুক্ত হওয়ায় শিক্ষাজীবন ব্যাহত হওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় আসে। শিক্ষক আবাসন ও দক্ষ শিক্ষক ধরে রাখার সমস্যা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, বাল্যবিয়ে এবং দুর্বল ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ সুবিধাকেও হাওরাঞ্চলের শিক্ষার চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এসব সমস্যা মোকাবিলায় হাওরের কৃষি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়সূচি বিবেচনায় পৃথক ‘হাওর শিক্ষা ক্যালেন্ডার’ প্রণয়ন, ভাসমান বিদ্যালয়, শিক্ষার্থীদের আবাসিক ও পরিবহন সুবিধা, শিক্ষকদের বিশেষ ভাতা ও আবাসন এবং স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ও সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক ডিজিটাল শিক্ষা চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। এছাড়া কৃষি, মৎস্য, পর্যটন, তথ্যপ্রযুক্তি ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি ও পুষ্টি কর্মসূচি বাড়ানো এবং বন্যা সহনশীল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণের কথাও তুলে ধরা হয়। সেমিনারে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষক সংকট, একাডেমিক ভবন, শিক্ষার্থীদের আবাসন ও পরিবহন সমস্যাও আলোচনায় আসে। সেমিনারে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে প্রকাশিত ‘অগ্নির অক্ষর’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।