স্টাফ রিপোর্টার::
শান্তিগঞ্জে দেনমোহর ও ভরণ-পোষণ পরিশোধ না করে স্বামী তৃতীয় বিয়ে করার খবর পেয়ে বিয়ে বন্ধ ও দেন মোহর এবং ভরণপোষণের দাবিতে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন এক অসহায় স্ত্রী। রহিমা বেগম নামের মা, বাবা, ভাই বোনহীন এই অসহায় নারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শান্তিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। রহিমাকে আইনিভাবে তালাক না দিয়ে এবং ভরণ পোষণ ও দেনমোহর না দিয়ে আজ শুক্রবার জামালগঞ্জের চানপুর গ্রামে বিয়ে করতে যাচ্ছে একই উপজেলার ধনপুর গ্রামের তুলা মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া।
লিখিত অভিযোগে রহিমা বেগম উল্লেখ করেন, তিনি উপজেলার জামলাবাজ গ্রামের আব্দুল মান্নানের এতিম কন্যা। তার মা-বাবা ও কোনো ভাই-বোন বর্তমানে জীবিত নেই। প্রায় দুই বছর ধরে স্বামী রুবেল মিয়া তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। তাদের তিন সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে দুই ছেলে স্বামীর কাছে এবং তিন বছরের এক কন্যাসন্তান তার সঙ্গে রয়েছে।
রহিমা অভিযোগে উল্লেখ করেন- দীর্ঘদিন ধরে স্বামী তার ও মেয়ের ভরণ-পোষণ দিচ্ছেন না। দেনমোহরের টাকাও পরিশোধ করেননি। এর মধ্যে ২ অক্টোবর শুক্রবার জামালগঞ্জ উপজেলার চানপুর গ্রামে তিনি অন্যত্র বিয়ে করতে যাচ্ছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রায় এক বছর আগে স্বামী তাদের কন্যাসন্তানকে অন্যের কাছে বিক্রি করে দিয়ে দিয়েছিলেন। পরে অনেক কষ্টে তিনি মেয়েকে উদ্ধার করে নিজের কাছে নিয়ে আসেন। বর্তমানে দিনমজুরির কাজ করে নিজের ও মেয়ের ভরণ-পোষণ চালাচ্ছেন রহিমা। দেনমোহর ও ভরণ-পোষণের দাবি করলে তাকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। এ অবস্থায় স্বামীর পুনর্বিবাহের আগে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা, দেনমোহর আদায় এবং নিজের ও অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের ভরণ-পোষণের আইনগত অধিকার নিশ্চিত করতে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন রহিমা বেগম।
ধনপুর গ্রামের মেম্বার আব্দুল মোসাব্বির বলেন, শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ আমাকে ফোন দিয়ে বিষয়টি বসে সমাধান করার কথা জানিয়েছে। তবে শুক্রবার রুবেলের বিয়ে। এই খবর পেয়ে তার স্ত্রী এসে তার ভরণ পোষণ, দেনমোহর ও সন্তানদের ভরণ পোষণ দাবি করেছেন। পরে পুলিশকেও তিনি লিখিতভাবে জানিয়েছেন।
আমরা শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিয়ে বসবো। শান্তিগঞ্জ থানার ওসি বলেন, আমি অভিযোগটি পেয়ে পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।
শান্তিগঞ্জে দেনমোহর ও ভরণ-পোষণ পরিশোধ না করে স্বামী তৃতীয় বিয়ে করার খবর পেয়ে বিয়ে বন্ধ ও দেন মোহর এবং ভরণপোষণের দাবিতে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন এক অসহায় স্ত্রী। রহিমা বেগম নামের মা, বাবা, ভাই বোনহীন এই অসহায় নারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শান্তিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। রহিমাকে আইনিভাবে তালাক না দিয়ে এবং ভরণ পোষণ ও দেনমোহর না দিয়ে আজ শুক্রবার জামালগঞ্জের চানপুর গ্রামে বিয়ে করতে যাচ্ছে একই উপজেলার ধনপুর গ্রামের তুলা মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া।
লিখিত অভিযোগে রহিমা বেগম উল্লেখ করেন, তিনি উপজেলার জামলাবাজ গ্রামের আব্দুল মান্নানের এতিম কন্যা। তার মা-বাবা ও কোনো ভাই-বোন বর্তমানে জীবিত নেই। প্রায় দুই বছর ধরে স্বামী রুবেল মিয়া তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। তাদের তিন সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে দুই ছেলে স্বামীর কাছে এবং তিন বছরের এক কন্যাসন্তান তার সঙ্গে রয়েছে।
রহিমা অভিযোগে উল্লেখ করেন- দীর্ঘদিন ধরে স্বামী তার ও মেয়ের ভরণ-পোষণ দিচ্ছেন না। দেনমোহরের টাকাও পরিশোধ করেননি। এর মধ্যে ২ অক্টোবর শুক্রবার জামালগঞ্জ উপজেলার চানপুর গ্রামে তিনি অন্যত্র বিয়ে করতে যাচ্ছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রায় এক বছর আগে স্বামী তাদের কন্যাসন্তানকে অন্যের কাছে বিক্রি করে দিয়ে দিয়েছিলেন। পরে অনেক কষ্টে তিনি মেয়েকে উদ্ধার করে নিজের কাছে নিয়ে আসেন। বর্তমানে দিনমজুরির কাজ করে নিজের ও মেয়ের ভরণ-পোষণ চালাচ্ছেন রহিমা। দেনমোহর ও ভরণ-পোষণের দাবি করলে তাকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। এ অবস্থায় স্বামীর পুনর্বিবাহের আগে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা, দেনমোহর আদায় এবং নিজের ও অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের ভরণ-পোষণের আইনগত অধিকার নিশ্চিত করতে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন রহিমা বেগম।
ধনপুর গ্রামের মেম্বার আব্দুল মোসাব্বির বলেন, শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ আমাকে ফোন দিয়ে বিষয়টি বসে সমাধান করার কথা জানিয়েছে। তবে শুক্রবার রুবেলের বিয়ে। এই খবর পেয়ে তার স্ত্রী এসে তার ভরণ পোষণ, দেনমোহর ও সন্তানদের ভরণ পোষণ দাবি করেছেন। পরে পুলিশকেও তিনি লিখিতভাবে জানিয়েছেন।
আমরা শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিয়ে বসবো। শান্তিগঞ্জ থানার ওসি বলেন, আমি অভিযোগটি পেয়ে পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।