স্টাফ রিপোর্টার::
সাড়ে চার বছরের শিশু সৃজন দাস জন্মগত জটিল হৃদরোগে আক্রান্ত। হৃদযন্ত্রে ছিদ্র, ব্লক ও অতিরিক্ত মাংসপেশি বেড়ে যাওয়াসহ নানা জটিলতায় ভুগছে সে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। এ জন্য প্রায় ৭ লাখ টাকা প্রয়োজন হলেও সন্তানের চিকিৎসা করাতে গিয়ে ইতোমধ্যে জায়গা জমি বিক্রি ও ধারদেনা করে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন তার সিএনজি চালক বাবা রতন দাস। অর্থের অভাবে এখন শিশুটির চিকিৎসা কার্যক্রম থমকে আছে।
সৃজন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের আমিরপুর গ্রামের বাসিন্দা রতন দাস ও স্বপ্না রানী দাসের ছেলে। রতন দাস পেশায় সিএনজি চালক। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তার সংসার। সিএনজি চালিয়ে প্রতিদিন যে আয় হয়, তা দিয়েই পরিবারের খাবার, পোশাক ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটাতে হয়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, জন্মের পর থেকেই সৃজন নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার অসুস্থতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। শ্বাসকষ্ট, ঘন ঘন জ্বরসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভোগে সে। অসুস্থতার কারণে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলাও করতে পারে না। অনেক সময় তাকে কোলে করে রাখতে হয়।
সৃজনের চিকিৎসার জন্য প্রথমে সুনামগঞ্জে চিকিৎসা করানো হয়। পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে সিলেট ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা, ওষুধ ও চিকিৎসা বাবদ ইতোমধ্যে প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হয়েছে বলে জানান বাবা রতন দাস।
চিকিৎসার খরচ জোগাতে নিজের জায়গা-জমি বিক্রি করেছেন তিনি। পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতদের কাছ থেকেও ঋণ নিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে সন্তানের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে এখন আর বিক্রি করার মতো সম্পদ কিংবা নতুন করে ঋণ নেওয়ার সামর্থ্য নেই বলে জানান তিনি।
পরিবারের কাছে থাকা চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, সৃজন জন্মগত জটিল হৃদরোগে আক্রান্ত। তার হৃদযন্ত্রে ছিদ্র ও ব্লক রয়েছে। একই সঙ্গে হৃদযন্ত্রে অতিরিক্ত মাংসপেশি বেড়ে গিয়ে ভাল্বের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শুধু ওষুধের মাধ্যমে এ অবস্থার চিকিৎসা সম্ভব নয় অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। অস্ত্রোপচারটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ বলেও চিকিৎসাসংক্রান্ত নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
জাতীয় হার্ট ফাউন্ডেশনের সহকারী অধ্যাপক ও কনসালট্যান্ট ডা. প্রদীপ কুমার বিশ্বাস গত বছর সৃজনকে চিকিৎসা দেন। তাঁর প্রেসক্রিপশনে শিশুটির পরিবারকে আর্থিকভাবে অত্যন্ত অসচ্ছল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সৃজনের অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হলেও অর্থের অভাবে তা করাতে পারছেন না তার বাবা-মা।
রতন দাস বলেন, ছেলে অসুস্থ হওয়ার পর প্রথমে সুনামগঞ্জে চিকিৎসা করিয়েছি। পরে সিলেট ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে গেছি। চিকিৎসা, পরীক্ষা নিরীক্ষা ও ওষুধের পেছনে প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এই টাকা জোগাড় করতে জায়গা জমি বিক্রি করেছি এবং আত্মীয় স্বজন ও পরিচিতদের কাছ থেকেও ঋণ নিয়েছি। এখন আমার হাতে কোনো টাকা নেই। ঋণও অনেক হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ছেলের জটিল অস্ত্রোপচারের জন্য প্রায় সাত লাখ টাকা প্রয়োজন। একজন সিএনজি চালক হিসেবে এত টাকা জোগাড় করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। টাকার অভাবে ছেলের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে আছে। সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষ এবং জনপ্রতিনিধিদের কাছে আমার ছেলের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা চাই।
লসৃজনের মা স্বপ্না রানী দাস বলেন, সাড়ে চার বছর ধরে আমার ছেলে অসুস্থ। তার শ্বাসকষ্ট হয়, কয়েক দিন পরপর জ্বর আসে। সে ঠিকমতো হাঁটাচলা করতে পারে না। অনেক সময় তাকে কোলে করে রাখতে হয়। দ্রুত চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার করানো প্রয়োজন।
সৃজনের পরিবার জানিয়েছে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করতে পারলে শিশুটির চিকিৎসা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। এ অবস্থায় তার চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সহৃদয় মানুষের সহযোগিতা চেয়েছে পরিবার। সহায়তার জন্য যোগাযোগ: শিশু সৃজনের বাবা রতন দাস ০১৭৫২৩৬২১৩৬
সাড়ে চার বছরের শিশু সৃজন দাস জন্মগত জটিল হৃদরোগে আক্রান্ত। হৃদযন্ত্রে ছিদ্র, ব্লক ও অতিরিক্ত মাংসপেশি বেড়ে যাওয়াসহ নানা জটিলতায় ভুগছে সে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। এ জন্য প্রায় ৭ লাখ টাকা প্রয়োজন হলেও সন্তানের চিকিৎসা করাতে গিয়ে ইতোমধ্যে জায়গা জমি বিক্রি ও ধারদেনা করে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন তার সিএনজি চালক বাবা রতন দাস। অর্থের অভাবে এখন শিশুটির চিকিৎসা কার্যক্রম থমকে আছে।
সৃজন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের আমিরপুর গ্রামের বাসিন্দা রতন দাস ও স্বপ্না রানী দাসের ছেলে। রতন দাস পেশায় সিএনজি চালক। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তার সংসার। সিএনজি চালিয়ে প্রতিদিন যে আয় হয়, তা দিয়েই পরিবারের খাবার, পোশাক ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটাতে হয়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, জন্মের পর থেকেই সৃজন নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার অসুস্থতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। শ্বাসকষ্ট, ঘন ঘন জ্বরসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভোগে সে। অসুস্থতার কারণে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলাও করতে পারে না। অনেক সময় তাকে কোলে করে রাখতে হয়।
সৃজনের চিকিৎসার জন্য প্রথমে সুনামগঞ্জে চিকিৎসা করানো হয়। পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে সিলেট ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা, ওষুধ ও চিকিৎসা বাবদ ইতোমধ্যে প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হয়েছে বলে জানান বাবা রতন দাস।
চিকিৎসার খরচ জোগাতে নিজের জায়গা-জমি বিক্রি করেছেন তিনি। পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতদের কাছ থেকেও ঋণ নিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে সন্তানের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে এখন আর বিক্রি করার মতো সম্পদ কিংবা নতুন করে ঋণ নেওয়ার সামর্থ্য নেই বলে জানান তিনি।
পরিবারের কাছে থাকা চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, সৃজন জন্মগত জটিল হৃদরোগে আক্রান্ত। তার হৃদযন্ত্রে ছিদ্র ও ব্লক রয়েছে। একই সঙ্গে হৃদযন্ত্রে অতিরিক্ত মাংসপেশি বেড়ে গিয়ে ভাল্বের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শুধু ওষুধের মাধ্যমে এ অবস্থার চিকিৎসা সম্ভব নয় অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। অস্ত্রোপচারটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ বলেও চিকিৎসাসংক্রান্ত নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
জাতীয় হার্ট ফাউন্ডেশনের সহকারী অধ্যাপক ও কনসালট্যান্ট ডা. প্রদীপ কুমার বিশ্বাস গত বছর সৃজনকে চিকিৎসা দেন। তাঁর প্রেসক্রিপশনে শিশুটির পরিবারকে আর্থিকভাবে অত্যন্ত অসচ্ছল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সৃজনের অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হলেও অর্থের অভাবে তা করাতে পারছেন না তার বাবা-মা।
রতন দাস বলেন, ছেলে অসুস্থ হওয়ার পর প্রথমে সুনামগঞ্জে চিকিৎসা করিয়েছি। পরে সিলেট ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে গেছি। চিকিৎসা, পরীক্ষা নিরীক্ষা ও ওষুধের পেছনে প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এই টাকা জোগাড় করতে জায়গা জমি বিক্রি করেছি এবং আত্মীয় স্বজন ও পরিচিতদের কাছ থেকেও ঋণ নিয়েছি। এখন আমার হাতে কোনো টাকা নেই। ঋণও অনেক হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ছেলের জটিল অস্ত্রোপচারের জন্য প্রায় সাত লাখ টাকা প্রয়োজন। একজন সিএনজি চালক হিসেবে এত টাকা জোগাড় করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। টাকার অভাবে ছেলের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে আছে। সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষ এবং জনপ্রতিনিধিদের কাছে আমার ছেলের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা চাই।
লসৃজনের মা স্বপ্না রানী দাস বলেন, সাড়ে চার বছর ধরে আমার ছেলে অসুস্থ। তার শ্বাসকষ্ট হয়, কয়েক দিন পরপর জ্বর আসে। সে ঠিকমতো হাঁটাচলা করতে পারে না। অনেক সময় তাকে কোলে করে রাখতে হয়। দ্রুত চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার করানো প্রয়োজন।
সৃজনের পরিবার জানিয়েছে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করতে পারলে শিশুটির চিকিৎসা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। এ অবস্থায় তার চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সহৃদয় মানুষের সহযোগিতা চেয়েছে পরিবার। সহায়তার জন্য যোগাযোগ: শিশু সৃজনের বাবা রতন দাস ০১৭৫২৩৬২১৩৬