স্টাফ রিপোর্টার::
শাল্লায় ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব তোফাজ্জুল হক বাপনের (২৮) বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় তরুণীর বাবা রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে শাল্লা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। এর আগে শনিবার একই ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।
অভিযোগকারী বাবা জানান, তার মেয়েকে তোফাজ্জুল হক বাপন নিয়ে গেছেন। এরপর থেকে মেয়ের সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ নেই এবং তার অবস্থানও জানা যাচ্ছে না। মেয়েটি উপজেলা সদরের ঘুঙ্গিয়ারগাঁও গ্রামের বাসিন্দা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক কৃষকের মেয়ে। অভিযুক্ত বাপন বাহাড়া ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের বিরন মিয়ার ছেলে।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তরুণীকে অপহরণের অভিযোগে শনিবার থানায় জিডি করা হয়েছিল।
রোববার তার বাবা সরাসরি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযুক্ত বাপনকে গ্রেপ্তার এবং তরুণীকে উদ্ধারে পুলিশের অভিযান চলছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে তোফাজ্জুল হক বাপনের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
শাল্লা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তারেক হাসান মুন্না বলেন, বাপনের চলাফেরা নিয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রায় এক বছর আগে তাকে মৌখিকভাবে দূরে থাকতে বলা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে তরুণীকে অপহরণের অভিযোগের বিষয়টি জানার পর জেলা ছাত্রদলের সভাপতিকে অবহিত করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল ইসলাম বলেন, কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. তারেক মিয়া বলেন, বাপন সক্রিয় না থাকায় তাকে আগেই মৌখিকভাবে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে থানায় অপহরণের অভিযোগ হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। অভিযোগের বিষয়টি যাচাই করে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ বলছে, তরুণীকে উদ্ধার ও অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শাল্লায় ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব তোফাজ্জুল হক বাপনের (২৮) বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় তরুণীর বাবা রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে শাল্লা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। এর আগে শনিবার একই ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।
অভিযোগকারী বাবা জানান, তার মেয়েকে তোফাজ্জুল হক বাপন নিয়ে গেছেন। এরপর থেকে মেয়ের সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ নেই এবং তার অবস্থানও জানা যাচ্ছে না। মেয়েটি উপজেলা সদরের ঘুঙ্গিয়ারগাঁও গ্রামের বাসিন্দা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক কৃষকের মেয়ে। অভিযুক্ত বাপন বাহাড়া ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের বিরন মিয়ার ছেলে।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তরুণীকে অপহরণের অভিযোগে শনিবার থানায় জিডি করা হয়েছিল।
রোববার তার বাবা সরাসরি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযুক্ত বাপনকে গ্রেপ্তার এবং তরুণীকে উদ্ধারে পুলিশের অভিযান চলছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে তোফাজ্জুল হক বাপনের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
শাল্লা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তারেক হাসান মুন্না বলেন, বাপনের চলাফেরা নিয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রায় এক বছর আগে তাকে মৌখিকভাবে দূরে থাকতে বলা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে তরুণীকে অপহরণের অভিযোগের বিষয়টি জানার পর জেলা ছাত্রদলের সভাপতিকে অবহিত করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল ইসলাম বলেন, কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. তারেক মিয়া বলেন, বাপন সক্রিয় না থাকায় তাকে আগেই মৌখিকভাবে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে থানায় অপহরণের অভিযোগ হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। অভিযোগের বিষয়টি যাচাই করে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ বলছে, তরুণীকে উদ্ধার ও অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।