বিশেষ প্রতিনিধি::
ভোরের আলো ফোটার আগেই জীবিকার টানে কেউ যাচ্ছেন বাজারে, কেউ স্কুলে ছুটছেন বই হাতে। কিন্তু সবার পথ একটাই-ভাঙাচোরা এই সেতু। নিচে স্রোতস্বিনী সুরমা, ওপরে ভাঙা রেলিং আর ক্ষয়ে যাওয়া পাটাতন। প্রতিদিন যেন ঝুঁকি নিয়েই এগিয়ে যেতে হয় দোয়ারাবাজার উপজেলার ৩ ইউনিয়নের মানুষকে। দোয়ারাবাজার উপজেলা সদরের সঙ্গে সুরমা ইউনিয়নের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটিই সুরমা, লক্ষ্মীপুর ও বোগলাবাজার ইউনিয়নের লাখো মানুষের উপজেলা সদরে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম। দীর্ঘ ২০ বছরেও সংস্কার হয়নি সেতুটি। ভেঙে পড়েছে দুই পাশের রেলিং, পাটাতনের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে গর্ত। কোথাও কোথাও বেরিয়ে আছে লোহার রড। ফলে পথচারী থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী, রোগী ও যানবাহন চালকদের প্রতিদিনই পার হতে হচ্ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে। ২০০৪ সালে টিলাগাঁও রাবার ড্যাম সেচ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। কৃষিপণ্য পরিবহন ও সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ করাই ছিল এর উদ্দেশ্য। কিন্তু নির্মাণের দুই দশক পেরিয়ে গেলেও সেতুটিতে বড় ধরনের কোনো সংস্কার হয়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর দুই পাশের রেলিংয়ের বিভিন্ন অংশ ভেঙে গেছে। ভাঙা অংশ থেকে লোহার রড বেরিয়ে আছে। পাটাতনের একাধিক স্থানে সৃষ্টি হয়েছে গর্ত। এসব গর্ত এড়িয়ে যানবাহন চলাচল করলেও যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সেতুর অপ্রশস্ততা। একসঙ্গে দুটি যানবাহন পার হতে না পারায় প্রায়ই দুই পাশে গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। জরুরি রোগী বহনকারী যানবাহনকেও আটকে থাকতে হয় যানজটে। সেতুর এক পাশে উপজেলা ভূমি অফিস, উপজেলা সদরের মাছ বাজার ও সিএনজি স্ট্যান্ড। অপর পাশে সুরমা, লক্ষ্মীপুর ও বোগলাবাজার ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদ। প্রতিদিন এসব এলাকার শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ সেতুটি ব্যবহার করেন। পাশাপাশি চলাচল করে ট্রাক, সিএনজি, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন। দোয়ারাবাজার টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী আরাফাত হোসেন বলেন, সেতুতে রেলিং না থাকায় চলাচল ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যায় ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। সিএনজি চালক রফিক মিয়া বলেন, সরু ব্রিজে গাড়ি পাশ কাটাতে না পারায় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। জরুরি রোগী থাকলে সমস্যার শেষ থাকে না। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটির এমন বেহাল দশা থাকলেও স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ দেখা যায়নি। প্রতিদিন শত শত মানুষ ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এই সেতু ব্যবহার করে। সরু হওয়ায় প্রায়ই যানজট সৃষ্টি হয়। অনেক সময় জরুরি রোগী বহনকারী যানবাহনও আটকে পড়ে। তাদের দাবি, পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি ভেঙে দ্রুত একটি প্রশস্ত ও টেকসই সেতু নির্মাণ করা হোক।
এ ব্যাপারে দোয়ারাবাজার উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ বলেন, নতুন একটি সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে বর্তমান সেতুর ভাঙা পাটাতন ও রেলিংসহ প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিষয়েও প্রস্তাবনা রয়েছে। অনুমোদন পেলে দ্রুত কাজ শুরু হবে।
ভোরের আলো ফোটার আগেই জীবিকার টানে কেউ যাচ্ছেন বাজারে, কেউ স্কুলে ছুটছেন বই হাতে। কিন্তু সবার পথ একটাই-ভাঙাচোরা এই সেতু। নিচে স্রোতস্বিনী সুরমা, ওপরে ভাঙা রেলিং আর ক্ষয়ে যাওয়া পাটাতন। প্রতিদিন যেন ঝুঁকি নিয়েই এগিয়ে যেতে হয় দোয়ারাবাজার উপজেলার ৩ ইউনিয়নের মানুষকে। দোয়ারাবাজার উপজেলা সদরের সঙ্গে সুরমা ইউনিয়নের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটিই সুরমা, লক্ষ্মীপুর ও বোগলাবাজার ইউনিয়নের লাখো মানুষের উপজেলা সদরে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম। দীর্ঘ ২০ বছরেও সংস্কার হয়নি সেতুটি। ভেঙে পড়েছে দুই পাশের রেলিং, পাটাতনের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে গর্ত। কোথাও কোথাও বেরিয়ে আছে লোহার রড। ফলে পথচারী থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী, রোগী ও যানবাহন চালকদের প্রতিদিনই পার হতে হচ্ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে। ২০০৪ সালে টিলাগাঁও রাবার ড্যাম সেচ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। কৃষিপণ্য পরিবহন ও সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ করাই ছিল এর উদ্দেশ্য। কিন্তু নির্মাণের দুই দশক পেরিয়ে গেলেও সেতুটিতে বড় ধরনের কোনো সংস্কার হয়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর দুই পাশের রেলিংয়ের বিভিন্ন অংশ ভেঙে গেছে। ভাঙা অংশ থেকে লোহার রড বেরিয়ে আছে। পাটাতনের একাধিক স্থানে সৃষ্টি হয়েছে গর্ত। এসব গর্ত এড়িয়ে যানবাহন চলাচল করলেও যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সেতুর অপ্রশস্ততা। একসঙ্গে দুটি যানবাহন পার হতে না পারায় প্রায়ই দুই পাশে গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। জরুরি রোগী বহনকারী যানবাহনকেও আটকে থাকতে হয় যানজটে। সেতুর এক পাশে উপজেলা ভূমি অফিস, উপজেলা সদরের মাছ বাজার ও সিএনজি স্ট্যান্ড। অপর পাশে সুরমা, লক্ষ্মীপুর ও বোগলাবাজার ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদ। প্রতিদিন এসব এলাকার শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ সেতুটি ব্যবহার করেন। পাশাপাশি চলাচল করে ট্রাক, সিএনজি, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন। দোয়ারাবাজার টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী আরাফাত হোসেন বলেন, সেতুতে রেলিং না থাকায় চলাচল ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যায় ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। সিএনজি চালক রফিক মিয়া বলেন, সরু ব্রিজে গাড়ি পাশ কাটাতে না পারায় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। জরুরি রোগী থাকলে সমস্যার শেষ থাকে না। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটির এমন বেহাল দশা থাকলেও স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ দেখা যায়নি। প্রতিদিন শত শত মানুষ ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এই সেতু ব্যবহার করে। সরু হওয়ায় প্রায়ই যানজট সৃষ্টি হয়। অনেক সময় জরুরি রোগী বহনকারী যানবাহনও আটকে পড়ে। তাদের দাবি, পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি ভেঙে দ্রুত একটি প্রশস্ত ও টেকসই সেতু নির্মাণ করা হোক।
এ ব্যাপারে দোয়ারাবাজার উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ বলেন, নতুন একটি সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে বর্তমান সেতুর ভাঙা পাটাতন ও রেলিংসহ প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিষয়েও প্রস্তাবনা রয়েছে। অনুমোদন পেলে দ্রুত কাজ শুরু হবে।