স্টাফ রিপোর্টার::
নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে সরকার। সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাই করে যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নতুন করে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরে মোট ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভাতা প্রদানের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আগামী তিন অর্থবছরে যোগ্য সব নারী পরিবারপ্রধানকে কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
সোমবার বেলা ২টায় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাজসেবা অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ মার্চ ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পাইলটিং পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের ৪৪টি জেলার ৫৫টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ইউনিটে মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) স্কোর অনুযায়ী ৭১ হাজার ৮৩১ জন যোগ্য উপকারভোগীকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রমে বরাদ্দ করা ৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৬৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৫৭ কোটি ২০ লাখ টাকা ভাতা হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।
পাইলটিং কার্যক্রমের পর জুলাই ২০২৬ থেকে কর্মসূচির মূল বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। এখন দেশব্যাপী পরিবারের তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে উপকারভোগী নির্বাচনের পরবর্তী ধাপ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহের জন্য ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মীদের প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণও সম্পন্ন হয়েছে।
নির্ধারিত পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহকারীরা বিশেষায়িত ট্যাবলেট ডিভাইস ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরেজমিনে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করবেন। পরে এসব তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
কার্যক্রমটি নিরাপদ ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য মোবাইল সিম কার্ড সংগ্রহ, নেটওয়ার্কভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তাব্যবস্থা, কর্মী ব্যবস্থাপনা এবং নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার (এনওসি) স্থাপনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশব্যাপী আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে ডেটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এরপর পিএমটি পদ্ধতিতে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা মূল্যায়ন করে উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবার নির্বাচনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। এ পদ্ধতিতে দেশের পরিবারগুলোকে আর্থসামাজিক অবস্থার ভিত্তিতে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে অতিদরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত।
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পিএমটি স্কোর ৮৬০ বা তার কম পাওয়া নারী পরিবারপ্রধানকে ভাতা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে। সব নারী পরিবারপ্রধান ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। তবে ভাতা দেওয়া হবে প্রথম তিন শ্রেণিভুক্ত অতিদরিদ্র, দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত পরিবারের যোগ্য নারীপ্রধানদের।
এ জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী তথ্য সংগ্রহ, পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা মূল্যায়ন এবং যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচনের মাধ্যমে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ডে ডুয়াল চিপ, কিউআর কোড ও নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) প্রযুক্তির সুবিধা থাকবে। কার্ডটি সরকারের টাকাপের পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে উপকারভোগীরা ব্যাংকের এটিএম বুথ, বিপণিবিতানের পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে ভাতার অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।
সরকারের প্রত্যাশা, প্রযুক্তিনির্ভর এ ব্যবস্থার মাধ্যমে উপকারভোগী নির্বাচন ও ভাতা বিতরণ কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। তবে কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে সঠিক তথ্য সংগ্রহ, নির্ভুলভাবে যোগ্য পরিবার শনাক্তকরণ এবং ভাতা বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক নিবাস রঞ্জন দাশ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খাঁন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তাপস শীল, সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা আদিত্য পাল, মোল্লাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হক, রঙ্গারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, জেলা জুলাই যোদ্ধার আহ্বায়ক হাফিজুল ইসলাম রাজু, সদর উপজেলা স্কাউট সম্পাদক বুরহান উদ্দিন, বাসস প্রতিনিধি মুহাম্মদ আমিনুল হক, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকেরা।
সভায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ, উপকারভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি এবং বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে সরকার। সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাই করে যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নতুন করে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরে মোট ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভাতা প্রদানের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আগামী তিন অর্থবছরে যোগ্য সব নারী পরিবারপ্রধানকে কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
সোমবার বেলা ২টায় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাজসেবা অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ মার্চ ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পাইলটিং পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের ৪৪টি জেলার ৫৫টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ইউনিটে মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) স্কোর অনুযায়ী ৭১ হাজার ৮৩১ জন যোগ্য উপকারভোগীকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রমে বরাদ্দ করা ৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৬৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৫৭ কোটি ২০ লাখ টাকা ভাতা হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।
পাইলটিং কার্যক্রমের পর জুলাই ২০২৬ থেকে কর্মসূচির মূল বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। এখন দেশব্যাপী পরিবারের তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে উপকারভোগী নির্বাচনের পরবর্তী ধাপ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহের জন্য ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মীদের প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণও সম্পন্ন হয়েছে।
নির্ধারিত পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহকারীরা বিশেষায়িত ট্যাবলেট ডিভাইস ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরেজমিনে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করবেন। পরে এসব তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
কার্যক্রমটি নিরাপদ ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য মোবাইল সিম কার্ড সংগ্রহ, নেটওয়ার্কভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তাব্যবস্থা, কর্মী ব্যবস্থাপনা এবং নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার (এনওসি) স্থাপনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশব্যাপী আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে ডেটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এরপর পিএমটি পদ্ধতিতে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা মূল্যায়ন করে উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবার নির্বাচনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। এ পদ্ধতিতে দেশের পরিবারগুলোকে আর্থসামাজিক অবস্থার ভিত্তিতে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে অতিদরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত।
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পিএমটি স্কোর ৮৬০ বা তার কম পাওয়া নারী পরিবারপ্রধানকে ভাতা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে। সব নারী পরিবারপ্রধান ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। তবে ভাতা দেওয়া হবে প্রথম তিন শ্রেণিভুক্ত অতিদরিদ্র, দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত পরিবারের যোগ্য নারীপ্রধানদের।
এ জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী তথ্য সংগ্রহ, পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা মূল্যায়ন এবং যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচনের মাধ্যমে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ডে ডুয়াল চিপ, কিউআর কোড ও নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) প্রযুক্তির সুবিধা থাকবে। কার্ডটি সরকারের টাকাপের পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে উপকারভোগীরা ব্যাংকের এটিএম বুথ, বিপণিবিতানের পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে ভাতার অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।
সরকারের প্রত্যাশা, প্রযুক্তিনির্ভর এ ব্যবস্থার মাধ্যমে উপকারভোগী নির্বাচন ও ভাতা বিতরণ কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। তবে কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে সঠিক তথ্য সংগ্রহ, নির্ভুলভাবে যোগ্য পরিবার শনাক্তকরণ এবং ভাতা বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক নিবাস রঞ্জন দাশ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খাঁন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তাপস শীল, সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা আদিত্য পাল, মোল্লাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হক, রঙ্গারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, জেলা জুলাই যোদ্ধার আহ্বায়ক হাফিজুল ইসলাম রাজু, সদর উপজেলা স্কাউট সম্পাদক বুরহান উদ্দিন, বাসস প্রতিনিধি মুহাম্মদ আমিনুল হক, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকেরা।
সভায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ, উপকারভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি এবং বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।