স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় নীতিমালা লঙ্ঘন করে সার ডিলার নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ডিলারশিপ থেকে বঞ্চিত এক আবেদনকারী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগকারী রহিছ মিয়ার দাবি, উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নে সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ পাওয়া তাজুল ইসলাম ওই ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা নন। তিনি মধ্যনগর সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা। এ ছাড়া চামরদানী ইউনিয়নে তাঁর কোনো গুদামও নেই। এসব কারণে নীতিমালা লঙ্ঘন করে তাঁকে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রহিছ মিয়া। যোগ্যতা ও সরকারি শর্ত পূরণ করেও ডিলারশিপ না পাওয়ার অভিযোগ তুলে এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। সোমবার (১২ অক্টোবর) এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে ই-মেইলে লিখিত অভিযোগ পাঠান রহিছ মিয়া। অভিযোগের বিষয়ে চামরদানী ইউনিয়নে নিয়োগ পাওয়া সার ডিলার তাজুল ইসলাম বলেন, ‘চামরদানী ইউনিয়নে সার ডিলার হওয়ার জন্য কোনো আবেদনকারী না থাকায় আমি আবেদন করি। পরে প্রশাসন আমাকে ওই ইউনিয়নে সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।’ এ বিষয়ে মধ্যনগর উপজেলার দায়িত্বে থাকা ধর্মপাশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসওয়াদ বিন খলিল রাহাত বলেন, ‘চামরদানী ইউনিয়নে যাকে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাঁকে আমরা তদন্ত করে ডিলার হওয়ার উপযুক্ত পাইনি। তিনি মধ্যনগর সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি কীভাবে ডিলারশিপ পেলেন, তা বুঝতে পারছি না। আগামী সমন্বয় সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে।
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় নীতিমালা লঙ্ঘন করে সার ডিলার নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ডিলারশিপ থেকে বঞ্চিত এক আবেদনকারী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগকারী রহিছ মিয়ার দাবি, উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নে সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ পাওয়া তাজুল ইসলাম ওই ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা নন। তিনি মধ্যনগর সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা। এ ছাড়া চামরদানী ইউনিয়নে তাঁর কোনো গুদামও নেই। এসব কারণে নীতিমালা লঙ্ঘন করে তাঁকে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রহিছ মিয়া। যোগ্যতা ও সরকারি শর্ত পূরণ করেও ডিলারশিপ না পাওয়ার অভিযোগ তুলে এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। সোমবার (১২ অক্টোবর) এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে ই-মেইলে লিখিত অভিযোগ পাঠান রহিছ মিয়া। অভিযোগের বিষয়ে চামরদানী ইউনিয়নে নিয়োগ পাওয়া সার ডিলার তাজুল ইসলাম বলেন, ‘চামরদানী ইউনিয়নে সার ডিলার হওয়ার জন্য কোনো আবেদনকারী না থাকায় আমি আবেদন করি। পরে প্রশাসন আমাকে ওই ইউনিয়নে সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।’ এ বিষয়ে মধ্যনগর উপজেলার দায়িত্বে থাকা ধর্মপাশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসওয়াদ বিন খলিল রাহাত বলেন, ‘চামরদানী ইউনিয়নে যাকে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাঁকে আমরা তদন্ত করে ডিলার হওয়ার উপযুক্ত পাইনি। তিনি মধ্যনগর সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি কীভাবে ডিলারশিপ পেলেন, তা বুঝতে পারছি না। আগামী সমন্বয় সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে।