স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের মামুদনগর গ্রামের প্লাবন সরকার নামে এক হিন্দু যুবক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজ আইডিতে দুজনের বিভিন্নস্থানে তোলা যৌথ ছবির ক্যাপশন লিখে পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষন পরই মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই এই যুবকের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। পরে স্থানীয় ও আত্মীয়-স্বজন শাল্লা থানার পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যান।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক তিনটার দিকে প্লাবন সরকার তার নিজ ফেসবুক আইডিতে একই গ্রামের হাবিবুর রহমানসহ দুজনের বিভিন্ন স্থানের যৌথ ছবি দিয়ে ক্যাপশনে লিখেন "আমার মৃত্যুর একামাত্র কারন শুধু তুমি"। এই পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই খবর পাওয়া যায় প্লাবন মারা গেছে। তবে এই সময়ে হাবিবুর রহমান ও মঈনুল ইসলাম নামে দুই ব্যক্তি স্থানীয় প্লাবন সরকারের ঘরের পেছনের দরজা ভেঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে লাশ নিচে নামিয়ে রাখেন।
পরে মামুদনগর বাজার থেকে এক পল্লী চিকিৎসককে সাথে নিয়ে প্লাবনের ব্লাড প্রেসার চেক করেন এবং পল্লী চিকিৎসক এই দুই ব্যক্তিকে প্লাবনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করলে হাবিবুর রহমান ও মঈনুল ইসলাম প্লাবনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে গিয়ে এলাকাছাড়া হয়ে যান।
পল্লী চিকিৎসক প্রদীপ দাস জানান, হাবিবুর, মঈনুল ও প্লাবন তিনজনই বাজারের ব্যবসায়ী। তাদের মধ্যে ভাল সম্পর্ক ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে হাবিবুর ও মঈনুল এসে আমাকে প্লাবনদের বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে। এবং বলে তোমাকে একটা জিনিস দেখাইতাম। তাদের এই কথায় আমি যাই। যাওয়ার পরই গাড়ি থেকে নেমে আমাকে রেখেই তারা দুজন প্লাবনের ঘরের পেছনের দিকে যায়৷ পরে তাদেরকে আমি বলি পেছনে কেন সামনের দিকে আস। এই কথা না তারা পেছনে গিয়ে লাথি দিয়ে দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে। আমি আসতেই দেখি তারা প্লাবনের লাশটি নামিয়ে খাটের উপরে রাখে। পরে আমাকে তারা বিপি (ব্লাড প্রেসার যন্ত্র) নিয়ে আসার কথা বলে। পরে আমি দৌঁড় দিয়ে চিৎকার করে কে কোথায় আছ বইলা বিপি নিয়ে আসি। পরে বিপি লাগিয়ে দেখি তার চেন্স নাই। এই কথা বলতেই তারা দুজন পালিয়ে যায় এবং প্লাবনের সাথে থাকা মোবাইল ফোনটি নিয়ে যান বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে হাবিবুর রহমান ও মঈনুলের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়ায় বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।
তবে মঈনুলের আপন বড় ভাই জহিরুল ইসলাম জানান, আমার ভাই যে মঈনুল ওদের সাথে বাজারে হাঁস খাইত। তবে প্লাবনের মৃত্যুর বিষয়ে আমার ভাই জড়িত থাকলে তারও শাস্তি হোক। তবে আমরা জানতাম প্লাবন ও হাবিবুর রহমানের মধ্যে একটা সম্পর্ক আছে। যা মুখে প্রকাশ করার মত না। কয়েকবারই ওদের মধ্যে ঝগড়া বিবেদ হয়েছে। যা বাজারে মানুষে খারাপভাবে বলাবলি করতো।
এবিষয়ে শাল্লা থানার ওসি মোহাম্মদ সোহেল আহমেদ জানান, সংবাদ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। ঘটনার পেছনে কি রহস্য রয়েছে এবং এটি আত্মহত্যা নাকি কোনো প্ররোচনা বা হত্যাকান্ড তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের মামুদনগর গ্রামের প্লাবন সরকার নামে এক হিন্দু যুবক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজ আইডিতে দুজনের বিভিন্নস্থানে তোলা যৌথ ছবির ক্যাপশন লিখে পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষন পরই মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই এই যুবকের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। পরে স্থানীয় ও আত্মীয়-স্বজন শাল্লা থানার পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যান।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক তিনটার দিকে প্লাবন সরকার তার নিজ ফেসবুক আইডিতে একই গ্রামের হাবিবুর রহমানসহ দুজনের বিভিন্ন স্থানের যৌথ ছবি দিয়ে ক্যাপশনে লিখেন "আমার মৃত্যুর একামাত্র কারন শুধু তুমি"। এই পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই খবর পাওয়া যায় প্লাবন মারা গেছে। তবে এই সময়ে হাবিবুর রহমান ও মঈনুল ইসলাম নামে দুই ব্যক্তি স্থানীয় প্লাবন সরকারের ঘরের পেছনের দরজা ভেঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে লাশ নিচে নামিয়ে রাখেন।
পরে মামুদনগর বাজার থেকে এক পল্লী চিকিৎসককে সাথে নিয়ে প্লাবনের ব্লাড প্রেসার চেক করেন এবং পল্লী চিকিৎসক এই দুই ব্যক্তিকে প্লাবনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করলে হাবিবুর রহমান ও মঈনুল ইসলাম প্লাবনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে গিয়ে এলাকাছাড়া হয়ে যান।
পল্লী চিকিৎসক প্রদীপ দাস জানান, হাবিবুর, মঈনুল ও প্লাবন তিনজনই বাজারের ব্যবসায়ী। তাদের মধ্যে ভাল সম্পর্ক ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে হাবিবুর ও মঈনুল এসে আমাকে প্লাবনদের বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে। এবং বলে তোমাকে একটা জিনিস দেখাইতাম। তাদের এই কথায় আমি যাই। যাওয়ার পরই গাড়ি থেকে নেমে আমাকে রেখেই তারা দুজন প্লাবনের ঘরের পেছনের দিকে যায়৷ পরে তাদেরকে আমি বলি পেছনে কেন সামনের দিকে আস। এই কথা না তারা পেছনে গিয়ে লাথি দিয়ে দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে। আমি আসতেই দেখি তারা প্লাবনের লাশটি নামিয়ে খাটের উপরে রাখে। পরে আমাকে তারা বিপি (ব্লাড প্রেসার যন্ত্র) নিয়ে আসার কথা বলে। পরে আমি দৌঁড় দিয়ে চিৎকার করে কে কোথায় আছ বইলা বিপি নিয়ে আসি। পরে বিপি লাগিয়ে দেখি তার চেন্স নাই। এই কথা বলতেই তারা দুজন পালিয়ে যায় এবং প্লাবনের সাথে থাকা মোবাইল ফোনটি নিয়ে যান বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে হাবিবুর রহমান ও মঈনুলের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়ায় বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।
তবে মঈনুলের আপন বড় ভাই জহিরুল ইসলাম জানান, আমার ভাই যে মঈনুল ওদের সাথে বাজারে হাঁস খাইত। তবে প্লাবনের মৃত্যুর বিষয়ে আমার ভাই জড়িত থাকলে তারও শাস্তি হোক। তবে আমরা জানতাম প্লাবন ও হাবিবুর রহমানের মধ্যে একটা সম্পর্ক আছে। যা মুখে প্রকাশ করার মত না। কয়েকবারই ওদের মধ্যে ঝগড়া বিবেদ হয়েছে। যা বাজারে মানুষে খারাপভাবে বলাবলি করতো।
এবিষয়ে শাল্লা থানার ওসি মোহাম্মদ সোহেল আহমেদ জানান, সংবাদ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। ঘটনার পেছনে কি রহস্য রয়েছে এবং এটি আত্মহত্যা নাকি কোনো প্ররোচনা বা হত্যাকান্ড তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।