প্রীতম দাস::
শারদীয় দুর্গোৎসবের রেশ কাটতে না কাটতেই বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে আরেক ধর্মীয় উৎসব কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার প্রস্তুতি। ধনসম্পদ, সুখ সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবী লক্ষ্মীর আরাধনাকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে দেখা যাচ্ছে প্রতিমা ও পূজার উপকরণ কেনাবেচার চিত্র। কোথাও বিক্রি হচ্ছে লক্ষ্মী প্রতিমা, আবার কোথাও পূজার প্রসাদ হিসেবে ব্যবহারের জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে আখ, জাম্বুরা ও নারকেল। সব মিলিয়ে পূজাকে ঘিরে শহরের বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ। আগামীকাল রোববার (২৫ অক্টোবর) কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা উদযাপনের কথা রয়েছে। পূজাকে সামনে রেখে ভক্তরা নিজেদের সাধ্য অনুযায়ী প্রতিমা ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, দেবী লক্ষ্মীর আরাধনায় পরিবারে শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল প্রতিষ্ঠিত হয়। এ বিশ্বাস থেকেই প্রতিবছর আশ্বিনী পূর্ণিমা তিথিতে ভক্তরা নানা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেবীর পূজা করেন। সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে লক্ষ্মী প্রতিমা বিক্রি করতে দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের। পাশাপাশি পূজার প্রসাদ হিসেবে ব্যবহৃত আখ, জাম্বুরা ও নারকেল বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন দোকান ও বিক্রয়স্থানে। পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে এসব সামগ্রী কিনছেন ভক্তরা। লক্ষ্মীপূজায় ফলমূল ও অন্যান্য উপকরণের পাশাপাশি ধান, ফুল, দূর্বা, ধূপ, দীপ, আতপ চাল, জল ও নৈবেদ্য ব্যবহার করা হয়। অনেক পরিবারে পূজার আগে ঘরবাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়। বাড়ির আঙিনায় চালের গুঁড়ো দিয়ে আঁকা হয় আলপনা ও দেবী লক্ষ্মীর পায়ের ছাপ। পূজার আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে পাঠ করা হয় লক্ষ্মীর পাঁচালি। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাসে দেবী লক্ষ্মী ধনসম্পদ, ঐশ্বর্য, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক। কোজাগরী শব্দের অর্থ ‘কে জেগে আছো?’ প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, পূর্ণিমার রাতে দেবী লক্ষ্মী ভক্তদের গৃহে আগমন করেন। এ কারণে অনেক পরিবারে পূজার রাতে জাগরণের রীতি রয়েছে। ভক্তরা উপবাস, পূজা অর্চনা ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে দেবীর আশীর্বাদ কামনা করেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক উদ্যোগে অধিকাংশ স্থানে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। অনেক নারী পূজা উপলক্ষে উপবাসব্রত পালন করেন। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি পরিবার-পরিজন নিয়ে পূজা উদযাপনের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন অনেকে। সুনামগঞ্জ শহরে প্রতিমা ও পূজার উপকরণ বিক্রির দৃশ্য উৎসবের আগমনী বার্তা দিচ্ছে। ভক্তদের প্রত্যাশা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দঘন পরিবেশে কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা উদযাপিত হবে।
শারদীয় দুর্গোৎসবের রেশ কাটতে না কাটতেই বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে আরেক ধর্মীয় উৎসব কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার প্রস্তুতি। ধনসম্পদ, সুখ সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবী লক্ষ্মীর আরাধনাকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে দেখা যাচ্ছে প্রতিমা ও পূজার উপকরণ কেনাবেচার চিত্র। কোথাও বিক্রি হচ্ছে লক্ষ্মী প্রতিমা, আবার কোথাও পূজার প্রসাদ হিসেবে ব্যবহারের জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে আখ, জাম্বুরা ও নারকেল। সব মিলিয়ে পূজাকে ঘিরে শহরের বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ। আগামীকাল রোববার (২৫ অক্টোবর) কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা উদযাপনের কথা রয়েছে। পূজাকে সামনে রেখে ভক্তরা নিজেদের সাধ্য অনুযায়ী প্রতিমা ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, দেবী লক্ষ্মীর আরাধনায় পরিবারে শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল প্রতিষ্ঠিত হয়। এ বিশ্বাস থেকেই প্রতিবছর আশ্বিনী পূর্ণিমা তিথিতে ভক্তরা নানা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেবীর পূজা করেন। সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে লক্ষ্মী প্রতিমা বিক্রি করতে দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের। পাশাপাশি পূজার প্রসাদ হিসেবে ব্যবহৃত আখ, জাম্বুরা ও নারকেল বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন দোকান ও বিক্রয়স্থানে। পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে এসব সামগ্রী কিনছেন ভক্তরা। লক্ষ্মীপূজায় ফলমূল ও অন্যান্য উপকরণের পাশাপাশি ধান, ফুল, দূর্বা, ধূপ, দীপ, আতপ চাল, জল ও নৈবেদ্য ব্যবহার করা হয়। অনেক পরিবারে পূজার আগে ঘরবাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়। বাড়ির আঙিনায় চালের গুঁড়ো দিয়ে আঁকা হয় আলপনা ও দেবী লক্ষ্মীর পায়ের ছাপ। পূজার আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে পাঠ করা হয় লক্ষ্মীর পাঁচালি। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাসে দেবী লক্ষ্মী ধনসম্পদ, ঐশ্বর্য, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক। কোজাগরী শব্দের অর্থ ‘কে জেগে আছো?’ প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, পূর্ণিমার রাতে দেবী লক্ষ্মী ভক্তদের গৃহে আগমন করেন। এ কারণে অনেক পরিবারে পূজার রাতে জাগরণের রীতি রয়েছে। ভক্তরা উপবাস, পূজা অর্চনা ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে দেবীর আশীর্বাদ কামনা করেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক উদ্যোগে অধিকাংশ স্থানে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। অনেক নারী পূজা উপলক্ষে উপবাসব্রত পালন করেন। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি পরিবার-পরিজন নিয়ে পূজা উদযাপনের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন অনেকে। সুনামগঞ্জ শহরে প্রতিমা ও পূজার উপকরণ বিক্রির দৃশ্য উৎসবের আগমনী বার্তা দিচ্ছে। ভক্তদের প্রত্যাশা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দঘন পরিবেশে কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা উদযাপিত হবে।