স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন প্রতিষ্ঠানের ১ কোটি ৮৬ লাখ ১ হাজার ৬৫৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলার ১ নম্বর আসামি বিজয় কুমার বৈদ্যকে আটক করা হয়েছে। সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পূর্ব নতুনপাড়া এলাকা থেকে বাদীপক্ষের লোকজন তাঁকে আটক করে সদর মডেল থানায় সোপর্দ করেন। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে সংশ্লিষ্ট জগন্নাথপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক লেনদেনের অনিয়মের অভিযোগ এবং মামলার অন্য আসামিদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, দিরাই পৌর শহরের সেন মার্কেটে অবস্থিত মেসার্স মৌলা বক্স করিম বক্স দিরাই স্বত্বাধীন বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন প্রতিষ্ঠান এর ব্যবসায়িক লেনদেনের হিসাব নিরীক্ষায় ১ কোটি ৮৬ লাখ ১ হাজার ৬৫৫ টাকার গরমিল ধরা পড়ে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মো. আশরাফুল আলম বাদী হয়ে দিরাইয়ের আমল গ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সি.আর. মামলা নং-৭৮/২০২৬ দায়ের করেন। মামলার ১ নম্বর আসামি বিজয় কুমার বৈদ্য প্রতিষ্ঠানটির ক্যাশিয়ার এবং ২ নম্বর আসামি রুবেল তালুকদার অফিস ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, তাঁরা অন্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক লেনদেনে ব্যাপক আর্থিক গরমিল করেন। অডিটে ধরা পড়া অর্থের বিষয়ে আসামিরা ধাপে ধাপে টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। বাদীর অভিযোগ, নির্ধারিত সময় পার হলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করা হয়নি। বরং টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে টালবাহানা করা হয়। এ অবস্থায় পাওনা অর্থ আদায় এবং অভিযোগের প্রতিকার চেয়ে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি। মামলায় বিজয় কুমার বৈদ্য ও রুবেল তালুকদার ছাড়াও রাজীব তালুকদার এবং ভানু সরকারকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৮, ৪২০, ৪০৬ ও ৩৪ ধারায় অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা এবং যৌথভাবে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে, সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পূর্ব নতুনপাড়া এলাকায় বিজয় কুমার বৈদ্যকে দেখতে পেয়ে বাদীপক্ষের লোকজন তাঁকে আটক করেন বলে জানা গেছে। পরে তাঁকে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে সংশ্লিষ্ট জগন্নাথপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ, পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পূর্ব নতুনপাড়া এলাকা থেকে বাদীপক্ষের লোকজন সি.আর. মামলার ১ নম্বর আসামি বিজয় কুমার বৈদ্যকে ধরে থানায় নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে আমি তাঁকে নিয়মানুযায়ী জগন্নাথপুর থানায় হস্তান্তর করেছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন প্রতিষ্ঠানের ১ কোটি ৮৬ লাখ ১ হাজার ৬৫৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলার ১ নম্বর আসামি বিজয় কুমার বৈদ্যকে আটক করা হয়েছে। সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পূর্ব নতুনপাড়া এলাকা থেকে বাদীপক্ষের লোকজন তাঁকে আটক করে সদর মডেল থানায় সোপর্দ করেন। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে সংশ্লিষ্ট জগন্নাথপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক লেনদেনের অনিয়মের অভিযোগ এবং মামলার অন্য আসামিদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, দিরাই পৌর শহরের সেন মার্কেটে অবস্থিত মেসার্স মৌলা বক্স করিম বক্স দিরাই স্বত্বাধীন বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন প্রতিষ্ঠান এর ব্যবসায়িক লেনদেনের হিসাব নিরীক্ষায় ১ কোটি ৮৬ লাখ ১ হাজার ৬৫৫ টাকার গরমিল ধরা পড়ে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মো. আশরাফুল আলম বাদী হয়ে দিরাইয়ের আমল গ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সি.আর. মামলা নং-৭৮/২০২৬ দায়ের করেন। মামলার ১ নম্বর আসামি বিজয় কুমার বৈদ্য প্রতিষ্ঠানটির ক্যাশিয়ার এবং ২ নম্বর আসামি রুবেল তালুকদার অফিস ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, তাঁরা অন্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক লেনদেনে ব্যাপক আর্থিক গরমিল করেন। অডিটে ধরা পড়া অর্থের বিষয়ে আসামিরা ধাপে ধাপে টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। বাদীর অভিযোগ, নির্ধারিত সময় পার হলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করা হয়নি। বরং টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে টালবাহানা করা হয়। এ অবস্থায় পাওনা অর্থ আদায় এবং অভিযোগের প্রতিকার চেয়ে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি। মামলায় বিজয় কুমার বৈদ্য ও রুবেল তালুকদার ছাড়াও রাজীব তালুকদার এবং ভানু সরকারকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৮, ৪২০, ৪০৬ ও ৩৪ ধারায় অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা এবং যৌথভাবে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে, সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পূর্ব নতুনপাড়া এলাকায় বিজয় কুমার বৈদ্যকে দেখতে পেয়ে বাদীপক্ষের লোকজন তাঁকে আটক করেন বলে জানা গেছে। পরে তাঁকে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে সংশ্লিষ্ট জগন্নাথপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ, পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পূর্ব নতুনপাড়া এলাকা থেকে বাদীপক্ষের লোকজন সি.আর. মামলার ১ নম্বর আসামি বিজয় কুমার বৈদ্যকে ধরে থানায় নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে আমি তাঁকে নিয়মানুযায়ী জগন্নাথপুর থানায় হস্তান্তর করেছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।