স্টাফ রিপোর্টার::
কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আত্মকর্মসংস্থান ও সমাজসেবায় গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জাতীয় যুব পুরস্কার ২০২৬’ অর্জন করেছেন সুনামগঞ্জের সফল আত্মকর্মী মো. শামছুজ্জামাল। সিলেট বিভাগীয় কোটায় নির্বাচিত হয়ে তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাত থেকে এ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার গ্রহণ করেন।
গত ১ নভেম্বর ২০২৬ (রবিবার) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের মিলনায়তনে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি তাঁর হাতে মেডেল, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন।
মো. শামছুজ্জামালের বাড়ি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের উজান রামনগর গ্রামে। তাঁর পিতার নাম মো. রমিজ উল্লাহ এবং মাতার নাম মোছা. হাজেরা খাতুন। ১৯৯৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণকারী শামছুজ্জামাল চার ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড়।
শিক্ষাজীবনে এসএসসি পাস করার পর ২০১৫ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সুনামগঞ্জ থেকে ছয় মাস মেয়াদি ইলেকট্রনিকস বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন তিনি। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে উদ্যোগী হন শামছুজ্জামাল। তাঁর এ উদ্যোগ ও সাফল্যই তাঁকে জাতীয় পর্যায়ের এ স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।
২০১৫ সালে প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তিনি ‘মা-বাবার দোয়া এন্টারপ্রাইজ’ নামে ইলেকট্রনিকস ও মোবাইল সার্ভিসিং প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় ৫০০ জন বেকার যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন এবং ১৫ জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেন। পাশাপাশি ৪ হাজার কোয়েল পাখি ও ১ হাজার ব্রয়লার মুরগির খামার গড়ে তোলেন। ৬৩ শতক আয়তনের পুকুরে মাছ চাষ করেও সফলতার উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে তিনি ‘উদ্যোক্তা কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার’ প্রতিষ্ঠা করে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন।
কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ও তাঁর রয়েছে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। তিনি পুকুর পরিষ্কার, পলিথিন অপসারণ, বৃক্ষরোপণ এবং করোনা মহামারির সময় মাস্ক বিতরণসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে অংশ নেন।
তাঁর এ গৌরবময় অর্জনে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সুনামগঞ্জের উপপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, সহকারী পরিচালক মো. জাফর ইকবাল চৌধুরী, প্রশিক্ষক (কম্পিউটার) মো. আলমগীর কবীর এবং সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াদুদ খানসহ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
সুনামগঞ্জের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে এসে প্রশিক্ষণ, উদ্যোগ ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি অর্জন করায় শামছুজ্জামালের এ সাফল্য স্থানীয় যুবসমাজের মধ্যে নতুন অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেছে।
কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আত্মকর্মসংস্থান ও সমাজসেবায় গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জাতীয় যুব পুরস্কার ২০২৬’ অর্জন করেছেন সুনামগঞ্জের সফল আত্মকর্মী মো. শামছুজ্জামাল। সিলেট বিভাগীয় কোটায় নির্বাচিত হয়ে তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাত থেকে এ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার গ্রহণ করেন।
গত ১ নভেম্বর ২০২৬ (রবিবার) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের মিলনায়তনে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি তাঁর হাতে মেডেল, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন।
মো. শামছুজ্জামালের বাড়ি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের উজান রামনগর গ্রামে। তাঁর পিতার নাম মো. রমিজ উল্লাহ এবং মাতার নাম মোছা. হাজেরা খাতুন। ১৯৯৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণকারী শামছুজ্জামাল চার ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড়।
শিক্ষাজীবনে এসএসসি পাস করার পর ২০১৫ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সুনামগঞ্জ থেকে ছয় মাস মেয়াদি ইলেকট্রনিকস বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন তিনি। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে উদ্যোগী হন শামছুজ্জামাল। তাঁর এ উদ্যোগ ও সাফল্যই তাঁকে জাতীয় পর্যায়ের এ স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।
২০১৫ সালে প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তিনি ‘মা-বাবার দোয়া এন্টারপ্রাইজ’ নামে ইলেকট্রনিকস ও মোবাইল সার্ভিসিং প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় ৫০০ জন বেকার যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন এবং ১৫ জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেন। পাশাপাশি ৪ হাজার কোয়েল পাখি ও ১ হাজার ব্রয়লার মুরগির খামার গড়ে তোলেন। ৬৩ শতক আয়তনের পুকুরে মাছ চাষ করেও সফলতার উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে তিনি ‘উদ্যোক্তা কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার’ প্রতিষ্ঠা করে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন।
কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ও তাঁর রয়েছে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। তিনি পুকুর পরিষ্কার, পলিথিন অপসারণ, বৃক্ষরোপণ এবং করোনা মহামারির সময় মাস্ক বিতরণসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে অংশ নেন।
তাঁর এ গৌরবময় অর্জনে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সুনামগঞ্জের উপপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, সহকারী পরিচালক মো. জাফর ইকবাল চৌধুরী, প্রশিক্ষক (কম্পিউটার) মো. আলমগীর কবীর এবং সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াদুদ খানসহ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
সুনামগঞ্জের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে এসে প্রশিক্ষণ, উদ্যোগ ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি অর্জন করায় শামছুজ্জামালের এ সাফল্য স্থানীয় যুবসমাজের মধ্যে নতুন অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেছে।