
ছাতক প্রতিনিধি ::
ছাতকে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধ নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আল আমিন (২৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার বিকেলে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের পূর্ব দারোগাখালী (ডালারপাড়) গ্রামের আল আমিনের বাড়ির উঠানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আল আমিন, রুহুল আমিন, ফাতেমা বেগম, আব্দুর রহমান, মুহিবুন নেছা সহ ৬/৭ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পরে গুরুতর আহত আল আমিনসহ অন্যান্য আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত আল আমিনের (২৮) মৃত্যু হয়েছে। নিহত আল আমিন গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে। এ সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত আল আমিনের চাচা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
এ সংঘর্ষের ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে একজন এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে স্ত্রী দিলারা বেগমসহ আরো ৫জন কে আটক করেছে ছাতক থানা পুলিশ।
জানাযায়, সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নের নভাগিকান্দির গ্রামের আব্দুল কাদিরের মেয়ে দিলারা বেগমের সাথে ১০ বছর পূর্বে বিয়ে হয় ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের পূর্ব দারোগাখালী (ডালারপাড়) গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে নিহত আল আমিনের। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক নানা বিষয়ে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই ছিল। বুধবার সকালে আল আমিন ও তার স্ত্রী দিলারার মধ্যে কথা-কাটাকাটি হলে স্ত্রীকে মারপিট করেন আল আমিন।
এ ঘটনার খবর পেয়ে দিলারার মা ময়মুন নেছা, ভাই আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান সহ ১২জন লোক বিকালে দিলারা স্বামীর বাড়িতে উপস্থিত হন। দিলারার ভাইয়েরা নির্যাতনের বিষয়ে আল আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বাকবিত-া শুরু হলে একপর্যায়ে আল আমিনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয় ।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম খান বলেন, ইসলামপুর ইউনিয়নের পূর্ব দারগাখালি গ্রামে বোনকে নির্যাতনের ঘটনায় ভাইয়েরা তাদের বোন জামাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। এই ঘটনায় থানা মামলা রুজুর পর পুলিশ ৬ জনকে আটক করেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কাজ করছে।
ছাতকে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধ নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আল আমিন (২৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার বিকেলে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের পূর্ব দারোগাখালী (ডালারপাড়) গ্রামের আল আমিনের বাড়ির উঠানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আল আমিন, রুহুল আমিন, ফাতেমা বেগম, আব্দুর রহমান, মুহিবুন নেছা সহ ৬/৭ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পরে গুরুতর আহত আল আমিনসহ অন্যান্য আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত আল আমিনের (২৮) মৃত্যু হয়েছে। নিহত আল আমিন গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে। এ সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত আল আমিনের চাচা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
এ সংঘর্ষের ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে একজন এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে স্ত্রী দিলারা বেগমসহ আরো ৫জন কে আটক করেছে ছাতক থানা পুলিশ।
জানাযায়, সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নের নভাগিকান্দির গ্রামের আব্দুল কাদিরের মেয়ে দিলারা বেগমের সাথে ১০ বছর পূর্বে বিয়ে হয় ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের পূর্ব দারোগাখালী (ডালারপাড়) গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে নিহত আল আমিনের। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক নানা বিষয়ে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই ছিল। বুধবার সকালে আল আমিন ও তার স্ত্রী দিলারার মধ্যে কথা-কাটাকাটি হলে স্ত্রীকে মারপিট করেন আল আমিন।
এ ঘটনার খবর পেয়ে দিলারার মা ময়মুন নেছা, ভাই আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান সহ ১২জন লোক বিকালে দিলারা স্বামীর বাড়িতে উপস্থিত হন। দিলারার ভাইয়েরা নির্যাতনের বিষয়ে আল আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বাকবিত-া শুরু হলে একপর্যায়ে আল আমিনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয় ।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম খান বলেন, ইসলামপুর ইউনিয়নের পূর্ব দারগাখালি গ্রামে বোনকে নির্যাতনের ঘটনায় ভাইয়েরা তাদের বোন জামাইকে কুপিয়ে হত্যা করে। এই ঘটনায় থানা মামলা রুজুর পর পুলিশ ৬ জনকে আটক করেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কাজ করছে।