স্টাফ রিপোর্টার ::
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি দাস বীর বিক্রম-এর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। তাঁর ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার সকালে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে স্মৃতিস্তম্ভে এই পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনকালে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশ নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরির সহ-সভাপতি লেখক সুখেন্দু সেন, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আবদুর রকিব তারেক, সহকারী অধ্যাপক আহসান শহীদ আনসারী, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খলিল রহমান, কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট মাহবুবুল হাসান শাহীন, সহসাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এ আর জুয়েল, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সুরঞ্জিত গুপ্ত রঞ্জু, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাজু আহমেদ, হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের যুগ্ম আহবায়ক ওবায়দুল হক মিলন, কবি ওবায়দুল মুন্সী, সাংবাদিক মুশফিকুর রহমান স্বপন, সহকারী লাইব্রেরিয়ান মো. আকিক জাবেদ, লাইব্রেরির কর্মী কাওসার আহমদ প্রমুখ। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের চারজন সাহসী শিক্ষার্থী জীবন উৎসর্গ করেছিলেন মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য। তাঁরা হলেন শহীদ তালেব, শহীদ গিয়াস, শহীদ জগৎজ্যোতি দাস ও শহীদ আসগর। তাঁদের প্রত্যেকেই ছিলেন তরুণ, স্বপ্নবান, দেশপ্রেমে উজ্জীবিত যোদ্ধা; যারা মুক্তির আকাক্সক্ষাকে নিজের জীবনের চেয়েও বড় করে দেখেছিলেন। এর মধ্যে জগৎজ্যোতি দাস ছিলেন তুলনাহীন সাহসী এক গেরিলা কমান্ডার। হাওরাঞ্চলের জলাভূমি, দখিনা হাওয়া ও প্রাকৃতিক বৈরিতাকে সঙ্গী করে তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ‘দাস পার্টি’ ছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য এক গেরিলা ইউনিট। পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে এই দলটির নাম ছিল আতঙ্কের প্রতিশব্দ। দালাল-রাজাকারদের সাহস ছিল না দাস পার্টির এলাকার কাছে ঘেঁষারও। হাওরের নৌযুদ্ধ, রাত্রিকালীন আকস্মিক অভিযান, অস্ত্র ছিনতাই, শত্রুর ঘাঁটি ভেদ-সব ক্ষেত্রেই জগৎজ্যোতি ছিলেন অদম্য, চৌকস ও নির্ভীক। বক্তারা আরও বলেন, এই চার শহীদের বীরত্বগাঁথা শুধু সুনামগঞ্জের গর্ব নয়, বরং বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে আলোকবর্তিকা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, নতুন প্রজন্মের অনেকের কাছেই তাঁদের ত্যাগ ও বীরত্ব যথাযথভাবে পরিচিত নয়। এই বীর সন্তানদের গল্প, তাদের স্বপ্ন, সংগ্রাম ও আত্মোৎসর্গের কাহিনি তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি, যাতে তরুণরা জানে স্বাধীনতা কোনোদিন বিনামূল্যে পাওয়া নয়; স্বাধীনতা এসেছে অকুতোভয় বীরদের রক্তের বিনিময়ে।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি দাস বীর বিক্রম-এর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। তাঁর ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার সকালে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে স্মৃতিস্তম্ভে এই পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনকালে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশ নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরির সহ-সভাপতি লেখক সুখেন্দু সেন, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আবদুর রকিব তারেক, সহকারী অধ্যাপক আহসান শহীদ আনসারী, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খলিল রহমান, কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট মাহবুবুল হাসান শাহীন, সহসাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এ আর জুয়েল, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সুরঞ্জিত গুপ্ত রঞ্জু, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাজু আহমেদ, হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের যুগ্ম আহবায়ক ওবায়দুল হক মিলন, কবি ওবায়দুল মুন্সী, সাংবাদিক মুশফিকুর রহমান স্বপন, সহকারী লাইব্রেরিয়ান মো. আকিক জাবেদ, লাইব্রেরির কর্মী কাওসার আহমদ প্রমুখ। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের চারজন সাহসী শিক্ষার্থী জীবন উৎসর্গ করেছিলেন মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য। তাঁরা হলেন শহীদ তালেব, শহীদ গিয়াস, শহীদ জগৎজ্যোতি দাস ও শহীদ আসগর। তাঁদের প্রত্যেকেই ছিলেন তরুণ, স্বপ্নবান, দেশপ্রেমে উজ্জীবিত যোদ্ধা; যারা মুক্তির আকাক্সক্ষাকে নিজের জীবনের চেয়েও বড় করে দেখেছিলেন। এর মধ্যে জগৎজ্যোতি দাস ছিলেন তুলনাহীন সাহসী এক গেরিলা কমান্ডার। হাওরাঞ্চলের জলাভূমি, দখিনা হাওয়া ও প্রাকৃতিক বৈরিতাকে সঙ্গী করে তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ‘দাস পার্টি’ ছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য এক গেরিলা ইউনিট। পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে এই দলটির নাম ছিল আতঙ্কের প্রতিশব্দ। দালাল-রাজাকারদের সাহস ছিল না দাস পার্টির এলাকার কাছে ঘেঁষারও। হাওরের নৌযুদ্ধ, রাত্রিকালীন আকস্মিক অভিযান, অস্ত্র ছিনতাই, শত্রুর ঘাঁটি ভেদ-সব ক্ষেত্রেই জগৎজ্যোতি ছিলেন অদম্য, চৌকস ও নির্ভীক। বক্তারা আরও বলেন, এই চার শহীদের বীরত্বগাঁথা শুধু সুনামগঞ্জের গর্ব নয়, বরং বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে আলোকবর্তিকা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, নতুন প্রজন্মের অনেকের কাছেই তাঁদের ত্যাগ ও বীরত্ব যথাযথভাবে পরিচিত নয়। এই বীর সন্তানদের গল্প, তাদের স্বপ্ন, সংগ্রাম ও আত্মোৎসর্গের কাহিনি তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি, যাতে তরুণরা জানে স্বাধীনতা কোনোদিন বিনামূল্যে পাওয়া নয়; স্বাধীনতা এসেছে অকুতোভয় বীরদের রক্তের বিনিময়ে।