স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জের প্রগতিশীল আন্দোলনের অগ্রপথিক রমেন্দ্র কুমার দে মিন্টু আর বেঁচে নেই। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টায় ঢাকার ইউনিভার্সেল হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৮০ বছর। তিনি জগন্নাথপুর উপজেলার কামারখাল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। শহরের জামাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা রমেন্দ্র কুমার দে মিন্টু মৃত্যুকালে এক ভাতিজা, ভাইবোনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
প্রয়াত রমেন্দ্র কুমার দে মিন্টু বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং উন্নয়ন কর্মকা-ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একইসঙ্গে তিনি প্রগতিশীল রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি আস্থাশীল ছিলেন। গণমানুষের অধিকার আদায়ে প্রথম সারির একজন সংগঠক হিসেবে তিনি ছিলেন সোচ্চার। তিনি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সহ-সভাপতি, হাওর বাঁচাও কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা, জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সহ-সভাপতি, জনউদ্যোগের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।
শুক্রবার বিকেলে ষোলঘরস্থ কেন্দ্রীয় শ্মশানঘাটে তাঁর শেষকৃত্য স¤পন্ন হয়। এর আগে তার প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করে জেলা সিপিবি, হাওর বাঁচাও আন্দোলন কেন্দ্রীয় ও জেলা কমিটি, জেলা খেলাঘর, জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, দুর্গাবাড়ি পরিচালনা কমিটি, সুনামগঞ্জ জনউদ্যোগ এবং হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন।
এছাড়া প্রয়াত রমেন্দ্র কুমার দে মিন্টুর মৃত্যুতে গভীর শোক এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, সিনিয়র আইনজীবী হুমায়ুন মঞ্জুর চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাড. পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, দেওয়ান শামসুল আবেদীন, অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন তালুকদার, রাণী রায়, নৃপেশ তালুকদার নানু, সুখেন্দু সেন, বিকাশ রঞ্জন চৌধুরী, বিজন সেন রায়, সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেরগুল আহমেদ, ইয়াকুব বখত বাহলুল, বাবুল চৌধুরী, মানব চৌধুরী, অ্যাড. খলিল রহমান, সন্তু রায়, জাহাঙ্গীর আলম, অ্যাড. মণীষ কান্তি দে মিন্টু, অ্যাড. বিমান কান্তি রায়, বিমল বণিক, আশরাফ হোসেন লিটন, সুরঞ্জিত গুপ্ত রঞ্জু, মিন্টু চৌধুরী, রাজিব দেব, সৌরভ সরকার, আবু তাহের, মাইনুদ্দিন, সাজাউর রহমান, রাজু আহমেদ, ওবায়দুল হক মিলন, মিল্লাত আহমেদ প্রমুখ।