বিশেষ প্রতিনিধি ::
সুনামগঞ্জের ধোপাজান নদী থেকে বালু লুট করছে একাধিক চক্র। তবে বালু লুটে তারা নতুন কৌশল নিয়েছে। এই কৌশলে একটি পেশাজীবী সংগঠনের কতিপয় সদস্য ও রাজনৈতিক দলের কিছু বিতর্কিত লোকও জড়িত বলে অভিযোগ আছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় লোকজন জানান, প্রতিরাতে ধোপাজান নদীতে বালু লুট করছে বিভিন্ন চক্র। লুটের এই বালু আগে গভীর রাতে ও ভোরে লুকিয়ে বের করা হলেও এখন দিনে এবং রাতে বালু লুট করে নৌকায় লোড করা হয়। সন্ধ্যায় একটি পেশাজীবী সংগঠনের কতিপয় সদস্যদের মাধ্যমে নৌকা বের করা হয়। এসময় রাজনৈতিক দলের উঠতি ক্যাডার, একটি পেশাজীবী দলের কিছু সদস্য নৌকা বের করে সহযোগিতা করে নগদ কমিশন হাতিয়ে নিচ্ছে। এদিকে নদী থেকে ট্রাকযোগে হালুয়ারঘাট হয়েও একটি চক্র বালু লুট করছে নতুন কৌশলে। গত এক সপ্তাহ ধরে এই কৌশলে বালু লুট করছে একাধিক চক্র। প্রতিদিন এই কৌশলে ৫ হাজার ফুটের ১৫টি নৌকায় লুটের বালু বের করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন অন্তত অর্ধ কোটি টাকার বালু লুট করা হচ্ছে প্রতিদিন। সুনামগঞ্জ পরিবেশ আন্দোলনের নেতা সাইফুল আলম সদরুল বলেন, বালু লুটকারীরা এখন নতুন কৌশল নিয়েছে। তারা সন্ধ্যায় লুটের বালু বের করে। ট্রাকযোগে হালুয়ারঘাট হয়েও লুটের বালু বের করছে। এই লুটে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের কতিপয় লোক জড়িত আছে। রাতে তারা প্রহরীর মতো কাজ করছে। বালু লুটকারীদের থামাতে হলে বৈধভাবে ইজারা দেওয়া উচিত। বারকি শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা করে পরিবেশ সম্মতভাবে বালু উত্তোলন করলে পরিবেশও সুরক্ষিত হবে সরকারও রাজস্ব পাবে।
এ বিষয়ে সদর থানার ওসি আবুল কালামের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কল রিসিভ করেননি।
সুনামগঞ্জের ধোপাজান নদী থেকে বালু লুট করছে একাধিক চক্র। তবে বালু লুটে তারা নতুন কৌশল নিয়েছে। এই কৌশলে একটি পেশাজীবী সংগঠনের কতিপয় সদস্য ও রাজনৈতিক দলের কিছু বিতর্কিত লোকও জড়িত বলে অভিযোগ আছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় লোকজন জানান, প্রতিরাতে ধোপাজান নদীতে বালু লুট করছে বিভিন্ন চক্র। লুটের এই বালু আগে গভীর রাতে ও ভোরে লুকিয়ে বের করা হলেও এখন দিনে এবং রাতে বালু লুট করে নৌকায় লোড করা হয়। সন্ধ্যায় একটি পেশাজীবী সংগঠনের কতিপয় সদস্যদের মাধ্যমে নৌকা বের করা হয়। এসময় রাজনৈতিক দলের উঠতি ক্যাডার, একটি পেশাজীবী দলের কিছু সদস্য নৌকা বের করে সহযোগিতা করে নগদ কমিশন হাতিয়ে নিচ্ছে। এদিকে নদী থেকে ট্রাকযোগে হালুয়ারঘাট হয়েও একটি চক্র বালু লুট করছে নতুন কৌশলে। গত এক সপ্তাহ ধরে এই কৌশলে বালু লুট করছে একাধিক চক্র। প্রতিদিন এই কৌশলে ৫ হাজার ফুটের ১৫টি নৌকায় লুটের বালু বের করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন অন্তত অর্ধ কোটি টাকার বালু লুট করা হচ্ছে প্রতিদিন। সুনামগঞ্জ পরিবেশ আন্দোলনের নেতা সাইফুল আলম সদরুল বলেন, বালু লুটকারীরা এখন নতুন কৌশল নিয়েছে। তারা সন্ধ্যায় লুটের বালু বের করে। ট্রাকযোগে হালুয়ারঘাট হয়েও লুটের বালু বের করছে। এই লুটে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের কতিপয় লোক জড়িত আছে। রাতে তারা প্রহরীর মতো কাজ করছে। বালু লুটকারীদের থামাতে হলে বৈধভাবে ইজারা দেওয়া উচিত। বারকি শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা করে পরিবেশ সম্মতভাবে বালু উত্তোলন করলে পরিবেশও সুরক্ষিত হবে সরকারও রাজস্ব পাবে।
এ বিষয়ে সদর থানার ওসি আবুল কালামের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কল রিসিভ করেননি।