স্টাফ রিপোর্টার ::
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক সংসদ সদস্য, সর্বজন শ্রদ্ধেয় জননেতা কমরেড বরুণ রায়-এর ষোড়শ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কমরেড বরুণ রায় স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন স্মৃতি সংসদের সভাপতি প্রবীণ শিক্ষাবিদ ধূর্জটি কুমার বসু। কেন্দ্রীয় উদীচীর সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কমরেড বরুণ রায়ের সহধর্মিণী শীলা রায়, প্রফেসর পরিমল কান্তি দে, সিপিবি’র সাবেক সভাপতি চিত্তরঞ্জন তালুকদার, লেখক ও কবি সুখেন্দু সেন, বিকাশ রঞ্জন চৌধুরী ভানু, দৈনিক সুনামকণ্ঠ সম্পাদক বিজন সেন রায়, কবি ইকবাল কাগজী, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. খলিল রহমান, নির্মল ভট্টাচার্য্য, মানব চৌধুরী, নারীনেত্রী সঞ্চিতা চৌধুরী, শরীফা আশ্রাফি, আরতি পাল, তৃষ্ণা রানী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, আজ আমরা স্মরণ করছি একজন সংগ্রামী সমাজমনস্ক মানুষকে, যিনি কমরেড বরুণ রায়। তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, ছিলেন একজন মানবিক বোধসম্পন্ন পথপ্রদর্শক। নিপীড়িত মানুষের অধিকার রক্ষা, শোষণমুক্ত সমাজ গঠন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াইয়ে তিনি ছিলেন অগণিত মানুষের অনুপ্রেরণা।
বক্তারা বলেন, কমরেড বরুণ রায় তাঁর আদর্শে ছিলেন দৃঢ়, নীতিতে ছিলেন অবিচল। সুবিধাবাদী রাজনীতির যুগেও তিনি ছিলেন সততা ও নৈতিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সাধারণ মানুষের মুখের হাসি, শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার, এসবই ছিল তাঁর রাজনীতির মূলধারা। তিনি বিশ্বাস করতেন, সমাজ পরিবর্তনের শক্তি লুকিয়ে আছে মানুষের ঐক্যে। তাই তিনি মানুষের মাঝে ছিলেন, মানুষের পাশে ছিলেন। তাঁর সংগ্রামী জীবন আমাদের শিখিয়েছে- কোনো সত্য, কোনো আদর্শই ত্যাগ ছাড়া প্রতিষ্ঠিত হয় না।
বক্তারা বলেন, আজ তাঁর স্মরণে আমরা শুধু শ্রদ্ধা নিবেদন করছি না বরং তাঁর রেখে যাওয়া মূল্যবোধকে ধারণ করার অঙ্গীকার করছি। ন্যায়, সমতা, মানবিকতা এই পথেই কমরেড বরুণ রায়ের স্বপ্ন পূরণ সম্ভব। তাঁর জীবন আমাদের শেখায়, সাহসের সঙ্গে কথা বলতে হয় এবং মানুষের জন্য কাজ করতে হয় নিঃস্বার্থভাবে। কমরেড বরুণ রায় থাকবেন আমাদের হৃদয়ে, আমাদের আন্দোলনে, আমাদের স্বপ্নে।
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক সংসদ সদস্য, সর্বজন শ্রদ্ধেয় জননেতা কমরেড বরুণ রায়-এর ষোড়শ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কমরেড বরুণ রায় স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন স্মৃতি সংসদের সভাপতি প্রবীণ শিক্ষাবিদ ধূর্জটি কুমার বসু। কেন্দ্রীয় উদীচীর সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কমরেড বরুণ রায়ের সহধর্মিণী শীলা রায়, প্রফেসর পরিমল কান্তি দে, সিপিবি’র সাবেক সভাপতি চিত্তরঞ্জন তালুকদার, লেখক ও কবি সুখেন্দু সেন, বিকাশ রঞ্জন চৌধুরী ভানু, দৈনিক সুনামকণ্ঠ সম্পাদক বিজন সেন রায়, কবি ইকবাল কাগজী, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. খলিল রহমান, নির্মল ভট্টাচার্য্য, মানব চৌধুরী, নারীনেত্রী সঞ্চিতা চৌধুরী, শরীফা আশ্রাফি, আরতি পাল, তৃষ্ণা রানী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, আজ আমরা স্মরণ করছি একজন সংগ্রামী সমাজমনস্ক মানুষকে, যিনি কমরেড বরুণ রায়। তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, ছিলেন একজন মানবিক বোধসম্পন্ন পথপ্রদর্শক। নিপীড়িত মানুষের অধিকার রক্ষা, শোষণমুক্ত সমাজ গঠন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ লড়াইয়ে তিনি ছিলেন অগণিত মানুষের অনুপ্রেরণা।
বক্তারা বলেন, কমরেড বরুণ রায় তাঁর আদর্শে ছিলেন দৃঢ়, নীতিতে ছিলেন অবিচল। সুবিধাবাদী রাজনীতির যুগেও তিনি ছিলেন সততা ও নৈতিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সাধারণ মানুষের মুখের হাসি, শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার, এসবই ছিল তাঁর রাজনীতির মূলধারা। তিনি বিশ্বাস করতেন, সমাজ পরিবর্তনের শক্তি লুকিয়ে আছে মানুষের ঐক্যে। তাই তিনি মানুষের মাঝে ছিলেন, মানুষের পাশে ছিলেন। তাঁর সংগ্রামী জীবন আমাদের শিখিয়েছে- কোনো সত্য, কোনো আদর্শই ত্যাগ ছাড়া প্রতিষ্ঠিত হয় না।
বক্তারা বলেন, আজ তাঁর স্মরণে আমরা শুধু শ্রদ্ধা নিবেদন করছি না বরং তাঁর রেখে যাওয়া মূল্যবোধকে ধারণ করার অঙ্গীকার করছি। ন্যায়, সমতা, মানবিকতা এই পথেই কমরেড বরুণ রায়ের স্বপ্ন পূরণ সম্ভব। তাঁর জীবন আমাদের শেখায়, সাহসের সঙ্গে কথা বলতে হয় এবং মানুষের জন্য কাজ করতে হয় নিঃস্বার্থভাবে। কমরেড বরুণ রায় থাকবেন আমাদের হৃদয়ে, আমাদের আন্দোলনে, আমাদের স্বপ্নে।