স্টাফ রিপোর্টার::
আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে সুনামগঞ্জে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা এবং জেলা পর্যায়ে ৫ জন শ্রেষ্ঠ অদম্য নারীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এজেএম রেজাউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সমর কুমার পাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আয়েশা আক্তার, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মতিউর রহমান খান, সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নে নারীর অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারীরা যদি পিছিয়ে থাকে, তাহলে দেশ কখনোই তার কাক্সিক্ষত উন্নয়ন লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে না। নারীর ক্ষমতায়ন ও অগ্রগতির লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। আলোচনা সভা শেষে জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী ৫ জন নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সংবর্ধিতরা হলেন- অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী হিসেবে ঝরনা আক্তার, শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য মোছাম্মৎ সালেহা পারভীন, সফল জননী হিসেবে মীরা রানী তালুকদার, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন পেছনে ফেলে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী হিসেবে মোছা. শিরিনা আক্তার এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় খাদিজা বেগম।
আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে সুনামগঞ্জে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা এবং জেলা পর্যায়ে ৫ জন শ্রেষ্ঠ অদম্য নারীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এজেএম রেজাউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সমর কুমার পাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আয়েশা আক্তার, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মতিউর রহমান খান, সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নে নারীর অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারীরা যদি পিছিয়ে থাকে, তাহলে দেশ কখনোই তার কাক্সিক্ষত উন্নয়ন লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে না। নারীর ক্ষমতায়ন ও অগ্রগতির লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। আলোচনা সভা শেষে জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী ৫ জন নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সংবর্ধিতরা হলেন- অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী হিসেবে ঝরনা আক্তার, শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য মোছাম্মৎ সালেহা পারভীন, সফল জননী হিসেবে মীরা রানী তালুকদার, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন পেছনে ফেলে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী হিসেবে মোছা. শিরিনা আক্তার এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় খাদিজা বেগম।