জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ::
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মিজানুর রহমান চৌধুরী। তিনি বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।
সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসন থেকে সংসদ নির্বাচন করতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বাছাই পর্বে তার মনোনয়নপত্র বৈধও হয়েছে। ছাতক -দোয়ারাবাজার আসনে বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন। ছাতক-দোয়ারাবাজার আসনে বিএনপি’র দলীয় মনোনীত প্রার্থী রয়েছেন কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। শনিবার ১০ জানুয়ারি মিজানুর রহমান চৌধুরী তাঁর ভেরিফাইড ফেইসবুক একাউন্টে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা বলেছেন।
ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান চৌধুরী লিখেছেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আহ্বানে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি আপনাদের ভালোবাসায় সাড়া দিয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৫ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোয়নপত্র দাখিল করেছিলাম। কিন্তু আমার শ্রদ্ধেয় অভিভাবক বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব আমাকে গতকাল তাঁর গুলশান কার্যালয়ে ডেকে দল ও দেশের স্বার্থে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ করেছেন। আপনাদের ভালোবাসা ও আবেগ আমার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তবুও দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারকের অনুরোধ উপেক্ষা করা আমার জন্য অনেক কঠিন। এমতাবস্থায় আমি আমার মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি আরও লিখেন, জানি আমার এই সিদ্ধান্তে অনেকেই মনে কষ্ট পাবেন, বিরক্ত হবেন। কারণ ইতোমধ্যে আমার জন্য আপনারা অসম্ভব ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
আমি আপনাদের সীমাহীন ত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। দেশ ও দলের এই ক্রান্তিলগ্নে দলীয় প্রধানের সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নিয়েছি। অতীতে যেভাবে সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন ভবিষ্যতেও সেভাবে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন মিজানুর রহমান চৌধুরী।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মিজানুর রহমান চৌধুরী। তিনি বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।
সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসন থেকে সংসদ নির্বাচন করতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বাছাই পর্বে তার মনোনয়নপত্র বৈধও হয়েছে। ছাতক -দোয়ারাবাজার আসনে বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন। ছাতক-দোয়ারাবাজার আসনে বিএনপি’র দলীয় মনোনীত প্রার্থী রয়েছেন কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। শনিবার ১০ জানুয়ারি মিজানুর রহমান চৌধুরী তাঁর ভেরিফাইড ফেইসবুক একাউন্টে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা বলেছেন।
ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান চৌধুরী লিখেছেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আহ্বানে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি আপনাদের ভালোবাসায় সাড়া দিয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৫ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোয়নপত্র দাখিল করেছিলাম। কিন্তু আমার শ্রদ্ধেয় অভিভাবক বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব আমাকে গতকাল তাঁর গুলশান কার্যালয়ে ডেকে দল ও দেশের স্বার্থে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ করেছেন। আপনাদের ভালোবাসা ও আবেগ আমার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তবুও দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারকের অনুরোধ উপেক্ষা করা আমার জন্য অনেক কঠিন। এমতাবস্থায় আমি আমার মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি আরও লিখেন, জানি আমার এই সিদ্ধান্তে অনেকেই মনে কষ্ট পাবেন, বিরক্ত হবেন। কারণ ইতোমধ্যে আমার জন্য আপনারা অসম্ভব ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
আমি আপনাদের সীমাহীন ত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। দেশ ও দলের এই ক্রান্তিলগ্নে দলীয় প্রধানের সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নিয়েছি। অতীতে যেভাবে সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন ভবিষ্যতেও সেভাবে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন মিজানুর রহমান চৌধুরী।