স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার কাটাখালি বাজারে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার আসামগাঁও গ্রামের বাসিন্দা সৈয়দ জুনেদ আলীর ছেলে রমিজ মাস্টার ও চান্দার গাঁও গ্রামের চেতন মিয়ার ছেলে পাভেল মিয়ার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই প্রেক্ষিতে রোববার সন্ধ্যায় কাটাখালি বাজারে পাভেল মিয়ার (২৭) নেতৃত্বে সুজন মিয়া, মারুফ মিয়া ও সোহেল মিয়াসহ অন্তত ৩০ জন রমিজ মাস্টারের লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন আসামগাঁও গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ জসিম উদ্দিন (৭৫)। তিনি বিএনপি রাজনীতির সাথে যুক্ত আছেন। এছাড়া একই গ্রামের সৈয়দ আরমান (২০) ও সৈয়দ বায়েজিদ মিয়া (২২) গুরুতর আহত হন। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষে আহত অন্যান্যদের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রমিজ মাস্টার ও পাভেল মিয়ার গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার কাটাখালি বাজারে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার আসামগাঁও গ্রামের বাসিন্দা সৈয়দ জুনেদ আলীর ছেলে রমিজ মাস্টার ও চান্দার গাঁও গ্রামের চেতন মিয়ার ছেলে পাভেল মিয়ার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই প্রেক্ষিতে রোববার সন্ধ্যায় কাটাখালি বাজারে পাভেল মিয়ার (২৭) নেতৃত্বে সুজন মিয়া, মারুফ মিয়া ও সোহেল মিয়াসহ অন্তত ৩০ জন রমিজ মাস্টারের লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন আসামগাঁও গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ জসিম উদ্দিন (৭৫)। তিনি বিএনপি রাজনীতির সাথে যুক্ত আছেন। এছাড়া একই গ্রামের সৈয়দ আরমান (২০) ও সৈয়দ বায়েজিদ মিয়া (২২) গুরুতর আহত হন। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষে আহত অন্যান্যদের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রমিজ মাস্টার ও পাভেল মিয়ার গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।