স্টাফ রিপোর্টার::
আদালতের আদেশ অমান্য করায় সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুশফিকীন নূরকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি তাকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে আদালত অবমাননার বিষয়ে ব্যাখা দিতে বলা হয়েছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট উজ্জ্বল হোসেন। ইয়াকবিরের আইনজীবী জানান, জামালগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর নৌকাঘাটের ইজারামূল্য বাবদ ৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা পরিশোধ করার পরেও তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি ইজারাদার ইয়াকবির হোসেনকে। পরে এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ওই ব্যক্তি। গত ৭ অক্টোবর হাইকোর্ট ১৫ দিনের মধ্যে নৌকাঘাট বুঝিয়ে দিতে ইউএনওকে নির্দেশনা দেয়। এই আদেশ যথাযথভাবে জারি হওয়ার পরেও ঘাটের দখল বুঝিয়ে দেননি জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকীন নূর। পরে ইজারাদার ইউএনওর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেন। আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করে। রুলে কেন তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। এই রুল বিচারাধীন থাকাবস্থায় সংশ্লিষ্ট ইউএনও ওই নৌকাঘাটের জন্য নতুন করে ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এরপরই বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে হাইকোর্ট ইউএনও মুশফিকীন নূরকে তলব করেন।
মামলার বাদী ক্ষতিগ্রস্থ ইজারাদার ইয়াকবির হোসেন আফিন্দি বলেন, বিজ্ঞ হাইকোর্টের আদেশের সার্টিফাই কপি ইতিপূর্বে তার দপ্তরে আমি জমা দিয়ে রিসিভিং নিয়েছি। তারা প্রাপ্তি স্বীকারপত্র প্রদানপূর্বক আদালতের আদেশের কপি সমজিয়ে নিয়েছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুশফিকীন নূরের মুঠোফোনে কল করলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
আদালতের আদেশ অমান্য করায় সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুশফিকীন নূরকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি তাকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে আদালত অবমাননার বিষয়ে ব্যাখা দিতে বলা হয়েছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট উজ্জ্বল হোসেন। ইয়াকবিরের আইনজীবী জানান, জামালগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর নৌকাঘাটের ইজারামূল্য বাবদ ৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা পরিশোধ করার পরেও তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি ইজারাদার ইয়াকবির হোসেনকে। পরে এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ওই ব্যক্তি। গত ৭ অক্টোবর হাইকোর্ট ১৫ দিনের মধ্যে নৌকাঘাট বুঝিয়ে দিতে ইউএনওকে নির্দেশনা দেয়। এই আদেশ যথাযথভাবে জারি হওয়ার পরেও ঘাটের দখল বুঝিয়ে দেননি জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকীন নূর। পরে ইজারাদার ইউএনওর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেন। আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করে। রুলে কেন তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। এই রুল বিচারাধীন থাকাবস্থায় সংশ্লিষ্ট ইউএনও ওই নৌকাঘাটের জন্য নতুন করে ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এরপরই বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে হাইকোর্ট ইউএনও মুশফিকীন নূরকে তলব করেন।
মামলার বাদী ক্ষতিগ্রস্থ ইজারাদার ইয়াকবির হোসেন আফিন্দি বলেন, বিজ্ঞ হাইকোর্টের আদেশের সার্টিফাই কপি ইতিপূর্বে তার দপ্তরে আমি জমা দিয়ে রিসিভিং নিয়েছি। তারা প্রাপ্তি স্বীকারপত্র প্রদানপূর্বক আদালতের আদেশের কপি সমজিয়ে নিয়েছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুশফিকীন নূরের মুঠোফোনে কল করলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।