স্টাফ রিপোর্টার::
দোয়ারাবাজার উপজেলায় ধানক্ষেত থেকে আব্দুল্লাহ আল মামুন (৭) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে উপজেলার ৪নং মান্নারগাঁও ইউনিয়নের গোপালপুর (শ্রীনাথপুর) গ্রামের নুরুল আমিনের ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ পাওয়া যায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আব্দুল্লাহ আল মামুন একই গ্রামের হাফেজ মাওলানা মোস্তাক আহমদের ছেলে। ঘটনার দিন দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে সে সহপাঠীদের সঙ্গে বাড়ির সামনে খেলার মাঠে যায়। এরপর দীর্ঘ সময়েও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। দুপুর ২টার দিকে খেলার মাঠে গিয়ে তাকে না পেয়ে আশপাশের এলাকায় অনুসন্ধান চালানো হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পাওয়া যায়, নুরুল আমিনের ধানক্ষেতে একটি শিশুর মরদেহ পড়ে রয়েছে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন এবং বাড়িতে নিয়ে আসেন। ঘটনার খবর পেয়ে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে।
এসময় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শামছ উদ্দিন খান, সহকারী পুলিশ সুপার (ছাতক সার্কেল) শেখ মো. মুরসালিনসহ পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে এসআই মনিরুল ইসলাম ও এসআই মোহন রায়ও ছিলেন।
থানা সূত্রে জানা গেছে, সুরতহাল প্রতিবেদনে শিশুটির মাথার পেছনে, ঘাড়ে এবং পিঠে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দোয়ারাবাজার উপজেলায় ধানক্ষেত থেকে আব্দুল্লাহ আল মামুন (৭) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে উপজেলার ৪নং মান্নারগাঁও ইউনিয়নের গোপালপুর (শ্রীনাথপুর) গ্রামের নুরুল আমিনের ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ পাওয়া যায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আব্দুল্লাহ আল মামুন একই গ্রামের হাফেজ মাওলানা মোস্তাক আহমদের ছেলে। ঘটনার দিন দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে সে সহপাঠীদের সঙ্গে বাড়ির সামনে খেলার মাঠে যায়। এরপর দীর্ঘ সময়েও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। দুপুর ২টার দিকে খেলার মাঠে গিয়ে তাকে না পেয়ে আশপাশের এলাকায় অনুসন্ধান চালানো হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পাওয়া যায়, নুরুল আমিনের ধানক্ষেতে একটি শিশুর মরদেহ পড়ে রয়েছে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন এবং বাড়িতে নিয়ে আসেন। ঘটনার খবর পেয়ে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে।
এসময় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শামছ উদ্দিন খান, সহকারী পুলিশ সুপার (ছাতক সার্কেল) শেখ মো. মুরসালিনসহ পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে এসআই মনিরুল ইসলাম ও এসআই মোহন রায়ও ছিলেন।
থানা সূত্রে জানা গেছে, সুরতহাল প্রতিবেদনে শিশুটির মাথার পেছনে, ঘাড়ে এবং পিঠে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।