বিশ্বজিত রায়::
স্বপ্নের ইউরোপ যাত্রায় লিবিয়া থেকে গ্রিসের পথে ভূমধ্যসাগরে সলিল সমাধি হয়েছে অভিবাসন প্রত্যাশী সুনামগঞ্জের ১২ যুবকের। পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে দালালের লোভনীয় ফাঁদে আটকা পড়ে নির্মমতার শিকার হয়েছে ১২টি তরতাজা প্রাণ। শনিবার এ খবর ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে আসে এলাকায়। ধার-দেনায় জনপ্রতি ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকা দালালের হাতে তুলে দিয়ে এখন সর্বস্বান্ত অবস্থা একেকটি পরিবারের।
প্রিয়জনের মৃত্যুতে মাতম চলছে পরিবার, প্রতিবেশী ও স্বজনদের মাঝে। সবকিছু হারিয়ে আপনজনের মৃতদেহ ছুঁয়ে দেখার শেষ আকুতি নিহতের স্বজনদের। পাশাপাশি দালালদের বিচার দাবি করছেন পরিবার-পরিজনেরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কেবল দিরাই, জগন্নাথপুর, দোয়ারাবাজার উপজেলাই নয়, জেলার প্রতিটি উপজেলাতেই দালালের তৎপরতা রয়েছে। দালালদের খপ্পরে পরে লিবিয়ার জিম্মিদশায় করুণ পরিণতি ভোগ করছেন জামালগঞ্জের নাজিমনগর, নয়াহালট, কালিবাড়িসহ বিভিন্ন গ্রামের ১৩ তরুণ। দালাল চক্র জনপ্রতি ১৩ লাখ টাকা করে ইতালি যাওয়ার মৌখিক চুক্তি করে ভুক্তভোগী যুবকদের সাথে। তারা ২৮ জানুয়ারি বাড়ি থেকে বের হয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও মিশর হয়ে লিবিয়ায় পৌঁছান বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক জানিয়েছেন, লিবিয়ার বন্দীদশা থেকে ভিডিও কলে মারধর ও নির্যাতনের দৃশ্য দেখিয়ে দালাল চক্র মোটা অংকের মুক্তিপণ দাবি করেছে তাদের কাছে। দালালদের খপ্পরে পড়া এসব যুবক এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছে। এছাড়া মোটা অংকের টাকায় ইউরোপ যাওয়ার পথে নির্যাতনের শিকার হয়ে সর্বস্বান্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরেছে অনেকে। ভূমধ্যসাগরে নিহতদের প্রতিবেশী, স্বজন ও প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, লিবিয়া থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে নৌযানে থাকাবস্থায় ভূমধ্যসাগরে প্রাণ হারিয়েছেন দিরাই উপজেলার ৬ জন। এর মধ্যে আছেন- কুলঞ্জ ইউনিয়নের তারাপাশা গ্রামের আবু সরদারের ছেলে মো. নূরুজ্জামান সরদার ময়না (৩০), আব্দুল গনির ছেলে সাজিদুর রহমান (২৮), মৃত ক্বারী ইসলাম উদ্দিনের ছেলে মো. সাহান এহিয়া (৩৫) ও একই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের আব্দুল মালেকের ছেলে মুজিবুর রহমান (৩৮), করিমপুর ইউনিয়নের মাটিয়ানপুর গ্রামের তায়েক মিয়া ও বাসুরি গ্রামের সোহাস মিয়া।
জগন্নাথপুর উপজেলার নিহত ৫ জনের মধ্যে রয়েছেন- চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের চিলাউড়া গ্রামের দুলন মিয়ার ছেলে নাঈম মিয়া (২৪), একই গ্রামের শামছুল হকের ছেলে ইজাজুল হক (২৩), রানীগঞ্জ ইউনিয়নের টিয়ারগাঁও গ্রামের আখলুছ মিয়ার ছেলে শায়েক আহমদ (২৫), ইছগাঁও গ্রামের বশির মিয়ার ছেলে আলী আহমদ (২২) ও পাইলগাঁও গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে আমিনুর রহমান (২৬)। এছাড়া দোয়ারাবাজার উপজেলার কবিরনগর গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে আবু ফাহিম (২০) ভূমধ্যসাগরে প্রাণ হারিয়েছেন।
জগন্নাথপুরের টিয়ারগাঁও গ্রামের নিহত সায়েক আহমদ গেইম ঘরে থাকাবস্থায় এক নিকটাত্মীয়ের ফেসবুক ম্যাসেজে বাঁচার আকুতি জানিয়ে বলেছিল, ‘মামা আমি শায়েক। কিতা করলায়। আজিজে কিতা করল। গেইম আর হইত নায়। যদি আমারে জিন্দা তোমরা দেখতায় চাও আমারে ইন (লিবিয়ার গেইম ঘর) থাকি নেওয়ায়।’ তারাপাশা গ্রামের নিহত নূরুজ্জামান সরদারের মামা উমেদ আলী ও ভাই হেলাল সরদার জানিয়েছেন, জসীম দালালের আত্মীয় হবিগঞ্জের আশফাকের মাধ্যমে ২২ জানুয়ারি বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে লিবিয়া যায় নূরুজ্জামান, সাজিদুর ও সাহান। তারা গেইম ঘরে (নৌযানে উঠানোর আগে যেখানে রাখা হয়) প্রায় ২০ দিন ছিল। বোটে (নৌযান) উঠার আগে সুনির্দিষ্ট কোন অবস্থান জানানো হয়নি তাদের। নৌযানে উঠার আগে ও পরে কোন খাবারও দেওয়া হয়নি। মূলত খাবার সঙ্কটে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
উমেদ আলী জানিয়েছেন, তারাপাশা গ্রামের সাজিদুর ও সাহান চুক্তি করে একই গ্রামের ওয়াকিব উল্লার ছেলে মুজিব মিয়ার সাথে। লিবিয়ায় অবস্থানরত দোয়ারাবাজারের দালাল জসীমের হয়ে কাজ করেছে মুজিব ও আশফাক। ১২ লাখ টাকায় চুক্তি হয়েছে একেকজনের। মুজিব ও আশফাকের মাধ্যমে টাকার লেনদেন হয়েছে। এখন মৃতদেহ ফিরে পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন তারা। জগন্নাথপুরের পাইলগাঁও ইউনিয়নের পাইলগাঁও গ্রামের নিহত আমিনুর রহমানের বড় ভাই মিজানুর রহমান বলেন, আমার ভাই পরিবারের অজান্তে গ্রিস যেতে চেয়েছিল। স্থানীয় দালাল শাহীন, আজিজ ও জসীমের মাধ্যমে ১২ টাকার চুক্তি করেছে সে। প্রথমে ৭ লাখ টাকা দিয়েছে। পরে লিবিয়ায় গেইম ঘরে থাকাবস্থায় বাকি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে দালালদের।
ভাইয়ের মৃতদেহ পাওয়ার আকুতি জানিয়ে তিনি বলেন, গ্রিসগামী এলাকার অন্যদের মাধ্যমে জেনেছি- গেইম ঘরে অনাহারে থাকাবস্থায়ই মিজানুর রহমানসহ অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় তাদেরকে জোর করে বোটে তোলা হয়। অনাহারে আমার ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। দালালরা আমাদের সর্বস্বান্ত করে দিল। আমরা এদের বিচার চাই।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ বলেন, প্রতিটি পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করে দালালদের তথ্য নিয়েছি। প্রতিবেদন তৈরি করে পুলিশকে বলে দেওয়া হয়েছে মামলা রুজু করার জন্য। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকেও এ বিষয়ে মামলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, পরিবারের কাছ থেকে জানতে পেরেছি মৃতদেহগুলো ভূমধ্যসাগরে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে লাশ যদি অক্ষত অবস্থায় কোথাও পাওয়া যায় তখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমরা জানতে পারব। মন্ত্রণালয়ই বিষয়টা দেখভালো করবে।
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার বলেন, ইতিমধ্যে নিহত ১২ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। নিহত পরিবারের মাধ্যমে আমরা কয়েকজন দালালের নাম জানতে পেরেছি। আমরা আইনগত প্রক্রিয়ার দিকে এগুচ্ছি। তদন্ত করে এদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। তিনি বলেন, নিহতদের লাশ ফেরানোর এখতিয়ার আমাদের নেই। তবে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে প্রতিবেদন পাঠাবো।
স্বপ্নের ইউরোপ যাত্রায় লিবিয়া থেকে গ্রিসের পথে ভূমধ্যসাগরে সলিল সমাধি হয়েছে অভিবাসন প্রত্যাশী সুনামগঞ্জের ১২ যুবকের। পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে দালালের লোভনীয় ফাঁদে আটকা পড়ে নির্মমতার শিকার হয়েছে ১২টি তরতাজা প্রাণ। শনিবার এ খবর ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে আসে এলাকায়। ধার-দেনায় জনপ্রতি ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকা দালালের হাতে তুলে দিয়ে এখন সর্বস্বান্ত অবস্থা একেকটি পরিবারের।
প্রিয়জনের মৃত্যুতে মাতম চলছে পরিবার, প্রতিবেশী ও স্বজনদের মাঝে। সবকিছু হারিয়ে আপনজনের মৃতদেহ ছুঁয়ে দেখার শেষ আকুতি নিহতের স্বজনদের। পাশাপাশি দালালদের বিচার দাবি করছেন পরিবার-পরিজনেরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কেবল দিরাই, জগন্নাথপুর, দোয়ারাবাজার উপজেলাই নয়, জেলার প্রতিটি উপজেলাতেই দালালের তৎপরতা রয়েছে। দালালদের খপ্পরে পরে লিবিয়ার জিম্মিদশায় করুণ পরিণতি ভোগ করছেন জামালগঞ্জের নাজিমনগর, নয়াহালট, কালিবাড়িসহ বিভিন্ন গ্রামের ১৩ তরুণ। দালাল চক্র জনপ্রতি ১৩ লাখ টাকা করে ইতালি যাওয়ার মৌখিক চুক্তি করে ভুক্তভোগী যুবকদের সাথে। তারা ২৮ জানুয়ারি বাড়ি থেকে বের হয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও মিশর হয়ে লিবিয়ায় পৌঁছান বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক জানিয়েছেন, লিবিয়ার বন্দীদশা থেকে ভিডিও কলে মারধর ও নির্যাতনের দৃশ্য দেখিয়ে দালাল চক্র মোটা অংকের মুক্তিপণ দাবি করেছে তাদের কাছে। দালালদের খপ্পরে পড়া এসব যুবক এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছে। এছাড়া মোটা অংকের টাকায় ইউরোপ যাওয়ার পথে নির্যাতনের শিকার হয়ে সর্বস্বান্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরেছে অনেকে। ভূমধ্যসাগরে নিহতদের প্রতিবেশী, স্বজন ও প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, লিবিয়া থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে নৌযানে থাকাবস্থায় ভূমধ্যসাগরে প্রাণ হারিয়েছেন দিরাই উপজেলার ৬ জন। এর মধ্যে আছেন- কুলঞ্জ ইউনিয়নের তারাপাশা গ্রামের আবু সরদারের ছেলে মো. নূরুজ্জামান সরদার ময়না (৩০), আব্দুল গনির ছেলে সাজিদুর রহমান (২৮), মৃত ক্বারী ইসলাম উদ্দিনের ছেলে মো. সাহান এহিয়া (৩৫) ও একই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের আব্দুল মালেকের ছেলে মুজিবুর রহমান (৩৮), করিমপুর ইউনিয়নের মাটিয়ানপুর গ্রামের তায়েক মিয়া ও বাসুরি গ্রামের সোহাস মিয়া।
জগন্নাথপুর উপজেলার নিহত ৫ জনের মধ্যে রয়েছেন- চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের চিলাউড়া গ্রামের দুলন মিয়ার ছেলে নাঈম মিয়া (২৪), একই গ্রামের শামছুল হকের ছেলে ইজাজুল হক (২৩), রানীগঞ্জ ইউনিয়নের টিয়ারগাঁও গ্রামের আখলুছ মিয়ার ছেলে শায়েক আহমদ (২৫), ইছগাঁও গ্রামের বশির মিয়ার ছেলে আলী আহমদ (২২) ও পাইলগাঁও গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে আমিনুর রহমান (২৬)। এছাড়া দোয়ারাবাজার উপজেলার কবিরনগর গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে আবু ফাহিম (২০) ভূমধ্যসাগরে প্রাণ হারিয়েছেন।
জগন্নাথপুরের টিয়ারগাঁও গ্রামের নিহত সায়েক আহমদ গেইম ঘরে থাকাবস্থায় এক নিকটাত্মীয়ের ফেসবুক ম্যাসেজে বাঁচার আকুতি জানিয়ে বলেছিল, ‘মামা আমি শায়েক। কিতা করলায়। আজিজে কিতা করল। গেইম আর হইত নায়। যদি আমারে জিন্দা তোমরা দেখতায় চাও আমারে ইন (লিবিয়ার গেইম ঘর) থাকি নেওয়ায়।’ তারাপাশা গ্রামের নিহত নূরুজ্জামান সরদারের মামা উমেদ আলী ও ভাই হেলাল সরদার জানিয়েছেন, জসীম দালালের আত্মীয় হবিগঞ্জের আশফাকের মাধ্যমে ২২ জানুয়ারি বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে লিবিয়া যায় নূরুজ্জামান, সাজিদুর ও সাহান। তারা গেইম ঘরে (নৌযানে উঠানোর আগে যেখানে রাখা হয়) প্রায় ২০ দিন ছিল। বোটে (নৌযান) উঠার আগে সুনির্দিষ্ট কোন অবস্থান জানানো হয়নি তাদের। নৌযানে উঠার আগে ও পরে কোন খাবারও দেওয়া হয়নি। মূলত খাবার সঙ্কটে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
উমেদ আলী জানিয়েছেন, তারাপাশা গ্রামের সাজিদুর ও সাহান চুক্তি করে একই গ্রামের ওয়াকিব উল্লার ছেলে মুজিব মিয়ার সাথে। লিবিয়ায় অবস্থানরত দোয়ারাবাজারের দালাল জসীমের হয়ে কাজ করেছে মুজিব ও আশফাক। ১২ লাখ টাকায় চুক্তি হয়েছে একেকজনের। মুজিব ও আশফাকের মাধ্যমে টাকার লেনদেন হয়েছে। এখন মৃতদেহ ফিরে পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন তারা। জগন্নাথপুরের পাইলগাঁও ইউনিয়নের পাইলগাঁও গ্রামের নিহত আমিনুর রহমানের বড় ভাই মিজানুর রহমান বলেন, আমার ভাই পরিবারের অজান্তে গ্রিস যেতে চেয়েছিল। স্থানীয় দালাল শাহীন, আজিজ ও জসীমের মাধ্যমে ১২ টাকার চুক্তি করেছে সে। প্রথমে ৭ লাখ টাকা দিয়েছে। পরে লিবিয়ায় গেইম ঘরে থাকাবস্থায় বাকি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে দালালদের।
ভাইয়ের মৃতদেহ পাওয়ার আকুতি জানিয়ে তিনি বলেন, গ্রিসগামী এলাকার অন্যদের মাধ্যমে জেনেছি- গেইম ঘরে অনাহারে থাকাবস্থায়ই মিজানুর রহমানসহ অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় তাদেরকে জোর করে বোটে তোলা হয়। অনাহারে আমার ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। দালালরা আমাদের সর্বস্বান্ত করে দিল। আমরা এদের বিচার চাই।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ বলেন, প্রতিটি পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করে দালালদের তথ্য নিয়েছি। প্রতিবেদন তৈরি করে পুলিশকে বলে দেওয়া হয়েছে মামলা রুজু করার জন্য। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকেও এ বিষয়ে মামলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, পরিবারের কাছ থেকে জানতে পেরেছি মৃতদেহগুলো ভূমধ্যসাগরে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে লাশ যদি অক্ষত অবস্থায় কোথাও পাওয়া যায় তখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমরা জানতে পারব। মন্ত্রণালয়ই বিষয়টা দেখভালো করবে।
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার বলেন, ইতিমধ্যে নিহত ১২ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। নিহত পরিবারের মাধ্যমে আমরা কয়েকজন দালালের নাম জানতে পেরেছি। আমরা আইনগত প্রক্রিয়ার দিকে এগুচ্ছি। তদন্ত করে এদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। তিনি বলেন, নিহতদের লাশ ফেরানোর এখতিয়ার আমাদের নেই। তবে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে প্রতিবেদন পাঠাবো।