জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী::
ছাতকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দিবাগত রাত ৯টা থেকে শুরু হয়ে প্রায় ১টা পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট এলাকাটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টের ছাতক সড়কে দিঘলী খোজারপাড়া গ্রামের জাবেদ মিয়ার গ্যারেজে সিএনজি অটোরিকশা রাখতে গেলে চালক ছাদিক মিয়ার সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের লোকজন ইট-পাটকেল নিক্ষেপে লিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে দীঘলী ও তিকপুর গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের কারণে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট ও আশপাশ এলাকার দোকানপাটগুলো মুহূর্তের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় সাধারণ মানুষ ছোটাছুটি শুরু করেন। সংঘর্ষের কারণে যান চলাচল বিঘিœত হলে যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছিল। সংঘর্ষে গুরুতর আহতাবস্থায় অন্তত ২০ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সংঘর্ষের খবর পেয়ে ছাতক থানা-পুলিশ, জাউয়া তদন্ত কেন্দ্র ও জয়কলস হাইওয়ে থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ১০ রাউন্ড শটগানের গুলি নিক্ষেপ করে। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। সংঘর্ষের সময় সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক ও ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের দু’পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে। এসময় ওয়ার্কশপে রাখা ৫/৬টি সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানাগেছে। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ১০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
ছাতকে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দিবাগত রাত ৯টা থেকে শুরু হয়ে প্রায় ১টা পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট এলাকাটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টের ছাতক সড়কে দিঘলী খোজারপাড়া গ্রামের জাবেদ মিয়ার গ্যারেজে সিএনজি অটোরিকশা রাখতে গেলে চালক ছাদিক মিয়ার সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের লোকজন ইট-পাটকেল নিক্ষেপে লিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে দীঘলী ও তিকপুর গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের কারণে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট ও আশপাশ এলাকার দোকানপাটগুলো মুহূর্তের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় সাধারণ মানুষ ছোটাছুটি শুরু করেন। সংঘর্ষের কারণে যান চলাচল বিঘিœত হলে যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছিল। সংঘর্ষে গুরুতর আহতাবস্থায় অন্তত ২০ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সংঘর্ষের খবর পেয়ে ছাতক থানা-পুলিশ, জাউয়া তদন্ত কেন্দ্র ও জয়কলস হাইওয়ে থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ১০ রাউন্ড শটগানের গুলি নিক্ষেপ করে। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। সংঘর্ষের সময় সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক ও ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের দু’পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে। এসময় ওয়ার্কশপে রাখা ৫/৬টি সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানাগেছে। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ১০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।