স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের দিগন্তজোড়া হাওরাঞ্চলে শুরু হয়েছে আগাম জাতের বোরো ধান কাটার মহোৎসব। কিন্তু এই উৎসবমুখর আবহেই নেমে এসেছে শঙ্কার ছায়া। একদিকে সোনালী ধান ঘরে তোলার ব্যস্ততা, অন্যদিকে অকাল বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় তলিয়ে যাচ্ছে আধা-পাকা ফসল - দুই বিপরীত চিত্রে এখন হাওরজুড়ে বিরাজ করছে কৃষকের হাসি-কান্নার লড়াই।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ছোট-বড় সব হাওর মিলিয়ে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া থাকলে প্রায় ১৪ লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পাকনার হাওর, খরচার হাওরসহ বিভিন্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশে আগাম জাতের ব্রী-২৮ ও ব্রী-৯৬ ধান কাটা শুরু হয়েছে। উপজেলার কৃষক মারফত আলী বলেন, এবার ১০ কেয়ার জমিতে ব্রী-৯৬ চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো হয়েছে, প্রতি কেয়ারে প্রায় ১৮ মণ ধান পাওয়ার আশা করছি।
তবে এই আনন্দের মাঝেই হাওরাঞ্চলে নতুন করে দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বৃষ্টি। গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে হালির হাওর, দেখার হাওর ও শিয়ালমারা হাওরসহ বিভিন্ন নিচু এলাকায় পানি ঢুকে পড়ে। এতে তলিয়ে যাচ্ছে শত শত কৃষকের স্বপ্নের ফসল। অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে আধা-পাকা ধানই কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আপতাবনুর জানান, আমার ৮০ কেয়ার জমির মধ্যে ১৫ কেয়ার পানির নিচে চলে গেছে। এই ধান আর চাল হবে না, তাই কাঁচা অবস্থায় কেটে গরুর খাদ্য হিসেবে নিতে হচ্ছে। এত কষ্টের ফসল নষ্ট হওয়া খুবই কষ্টের।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে ধান কাটা শুরু হলেও পুরোদমে কাটতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি আবাদ হয়েছে। আগাম জাতের ফলনে কৃষকরা সন্তুষ্ট। তবে কিছু নিচু এলাকায় পানি জমেছে। আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি - ৮০ শতাংশ ধান পেকে গেলে দ্রুত কেটে ফেলতে।
এদিকে, হাওরপাড়ের মানুষের চোখ এখন আকাশের দিকে। কয়েকটি দিন আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বড় ধরনের পাহাড়ি ঢল না এলে ঘাম ঝরানো সোনালী ফসল ঘরে তুলতে পারবেন কৃষকরা। অন্যথায়, আনন্দের এই মৌসুমেই আবারও কান্নায় ভেঙে পড়তে হতে পারে হাওরাঞ্চলের হাজারো পরিবারকে।
সুনামগঞ্জের দিগন্তজোড়া হাওরাঞ্চলে শুরু হয়েছে আগাম জাতের বোরো ধান কাটার মহোৎসব। কিন্তু এই উৎসবমুখর আবহেই নেমে এসেছে শঙ্কার ছায়া। একদিকে সোনালী ধান ঘরে তোলার ব্যস্ততা, অন্যদিকে অকাল বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় তলিয়ে যাচ্ছে আধা-পাকা ফসল - দুই বিপরীত চিত্রে এখন হাওরজুড়ে বিরাজ করছে কৃষকের হাসি-কান্নার লড়াই।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ছোট-বড় সব হাওর মিলিয়ে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া থাকলে প্রায় ১৪ লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পাকনার হাওর, খরচার হাওরসহ বিভিন্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশে আগাম জাতের ব্রী-২৮ ও ব্রী-৯৬ ধান কাটা শুরু হয়েছে। উপজেলার কৃষক মারফত আলী বলেন, এবার ১০ কেয়ার জমিতে ব্রী-৯৬ চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো হয়েছে, প্রতি কেয়ারে প্রায় ১৮ মণ ধান পাওয়ার আশা করছি।
তবে এই আনন্দের মাঝেই হাওরাঞ্চলে নতুন করে দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বৃষ্টি। গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে হালির হাওর, দেখার হাওর ও শিয়ালমারা হাওরসহ বিভিন্ন নিচু এলাকায় পানি ঢুকে পড়ে। এতে তলিয়ে যাচ্ছে শত শত কৃষকের স্বপ্নের ফসল। অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে আধা-পাকা ধানই কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আপতাবনুর জানান, আমার ৮০ কেয়ার জমির মধ্যে ১৫ কেয়ার পানির নিচে চলে গেছে। এই ধান আর চাল হবে না, তাই কাঁচা অবস্থায় কেটে গরুর খাদ্য হিসেবে নিতে হচ্ছে। এত কষ্টের ফসল নষ্ট হওয়া খুবই কষ্টের।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে ধান কাটা শুরু হলেও পুরোদমে কাটতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি আবাদ হয়েছে। আগাম জাতের ফলনে কৃষকরা সন্তুষ্ট। তবে কিছু নিচু এলাকায় পানি জমেছে। আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি - ৮০ শতাংশ ধান পেকে গেলে দ্রুত কেটে ফেলতে।
এদিকে, হাওরপাড়ের মানুষের চোখ এখন আকাশের দিকে। কয়েকটি দিন আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বড় ধরনের পাহাড়ি ঢল না এলে ঘাম ঝরানো সোনালী ফসল ঘরে তুলতে পারবেন কৃষকরা। অন্যথায়, আনন্দের এই মৌসুমেই আবারও কান্নায় ভেঙে পড়তে হতে পারে হাওরাঞ্চলের হাজারো পরিবারকে।