সামছুল ইসলাম সরদার::
দিরাই উপজেলায় গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘাত থামছেই না। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত বাড়ছে সহিংসতা, ঝরছে প্রাণ। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন গ্রামের সহজ-সরল ও অসহায় মানুষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে একাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। রফিনগর ইউনিয়নের সেচনি ও রফিনগর কান্দা হাটি এলাকায় দু’জন, জগদল ইউনিয়নের পুকিডর এবং করিমপুর ইউনিয়নের সাকিতপুর গ্রামে আরও দু’জন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। দিরাই উপজেলার ভৌগোলিক বাস্তবতায় বর্ষা মৌসুমে নৌপথই প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম হলেও বছরের দীর্ঘ সময় অনেক মানুষ কর্মহীন থাকেন। বিশেষ করে এক ফসলি বোরো ধানের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বছরের একটি বড় সময় অর্থনৈতিক স্থবিরতা বিরাজ করে। এই পরিস্থিতিতে গোষ্ঠীগত আধিপত্যের লড়াই আরও তীব্র হয়ে ওঠে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নেই কোনো না কোনোভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে। মাঝেমধ্যেই হাতাহাতি, মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। সচেতন নাগরিক সমাজের একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, গ্রামের কিছু প্রভাবশালী মোড়ল নিজেদের স্বার্থে ইচ্ছাকৃতভাবে এসব কোন্দল জিইয়ে রাখেন। সাধারণ মানুষকে ব্যবহার করে মামলা-মোকদ্দমা ও সংঘাত বাড়িয়ে তারা নিজেদের প্রভাব বিস্তার করেন। এ অবস্থায় গোষ্ঠীগত বিরোধ নিরসনে স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ জরুরি বলে তারা মনে করেন। এ বিষয়ে দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী বলেন, গ্রাম্য আধিপত্য ও তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে কয়েকটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ঝরেছে কয়েকটি তাজা প্রাণ। হাওরের দুর্গম এলাকায় এসব ঘটনা খুবই দুঃখজনক। সংঘর্ষ এড়াতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। গ্রাম্য আধিপত্যের দ্বন্দ্ব নিরসনে এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে আরও সচেতন হতে হবে। সবার সহযোগিতায় আমরা সংঘাতমুক্ত উপজেলা গড়তে চাই। এদিকে, স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিনের এই গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব নিরসনে সামাজিক সচেতনতা, বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রশাসনের কঠোর নজরদারি - এই তিনটির সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
দিরাই উপজেলায় গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘাত থামছেই না। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত বাড়ছে সহিংসতা, ঝরছে প্রাণ। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন গ্রামের সহজ-সরল ও অসহায় মানুষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে একাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। রফিনগর ইউনিয়নের সেচনি ও রফিনগর কান্দা হাটি এলাকায় দু’জন, জগদল ইউনিয়নের পুকিডর এবং করিমপুর ইউনিয়নের সাকিতপুর গ্রামে আরও দু’জন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। দিরাই উপজেলার ভৌগোলিক বাস্তবতায় বর্ষা মৌসুমে নৌপথই প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম হলেও বছরের দীর্ঘ সময় অনেক মানুষ কর্মহীন থাকেন। বিশেষ করে এক ফসলি বোরো ধানের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বছরের একটি বড় সময় অর্থনৈতিক স্থবিরতা বিরাজ করে। এই পরিস্থিতিতে গোষ্ঠীগত আধিপত্যের লড়াই আরও তীব্র হয়ে ওঠে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নেই কোনো না কোনোভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে। মাঝেমধ্যেই হাতাহাতি, মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। সচেতন নাগরিক সমাজের একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, গ্রামের কিছু প্রভাবশালী মোড়ল নিজেদের স্বার্থে ইচ্ছাকৃতভাবে এসব কোন্দল জিইয়ে রাখেন। সাধারণ মানুষকে ব্যবহার করে মামলা-মোকদ্দমা ও সংঘাত বাড়িয়ে তারা নিজেদের প্রভাব বিস্তার করেন। এ অবস্থায় গোষ্ঠীগত বিরোধ নিরসনে স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ জরুরি বলে তারা মনে করেন। এ বিষয়ে দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী বলেন, গ্রাম্য আধিপত্য ও তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে কয়েকটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ঝরেছে কয়েকটি তাজা প্রাণ। হাওরের দুর্গম এলাকায় এসব ঘটনা খুবই দুঃখজনক। সংঘর্ষ এড়াতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। গ্রাম্য আধিপত্যের দ্বন্দ্ব নিরসনে এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে আরও সচেতন হতে হবে। সবার সহযোগিতায় আমরা সংঘাতমুক্ত উপজেলা গড়তে চাই। এদিকে, স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিনের এই গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব নিরসনে সামাজিক সচেতনতা, বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রশাসনের কঠোর নজরদারি - এই তিনটির সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।