মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী::
দোয়ারাবাজার উপজেলার সোনালীচেলা নদী। পাহাড়ি ঢল আর খর¯খরস্রোতা এই নদীর দুই পাড়ের মানুষের কাছে ‘নাসিমপুর বাজার খেয়াঘাট এক যন্ত্রণার নাম। প্রতিদিন হাজারো মানুষের পদচারণা থাকলেও এখানে থমকে আছে কয়েক প্রজন্মের স্বপ্ন। একটি সেতুর অভাবে যুগ যুগ ধরে এপারের কান্না ওপারে পৌঁছায় না। তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সম্প্রতি জাতীয় সংসদে ছাতক-দোয়ারাবাজার আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এখানে একটি সেতু নির্মাণের দাবি উত্থাপন করায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন দুই পাড়ের লাখো মানুষ। নাসিমপুর খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন মানুষজনকে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। বর্ষায় নদী যখন উত্তাল থাকে, তখন খেয়া পারাপার হয়ে ওঠে জীবন-মরণ লড়াই। আর শুষ্ক মৌসুমে বালুচরে দীর্ঘ পথ হাঁটার ক্লান্তি যেন এই অঞ্চলের মানুষের ললাট লিখন। সংসদ সদস্যের আন্তরিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে নাসিমপুর গ্রামের জুয়েল মিয়া বলেন, আমাদের এই দুঃখ যেন শেষ হওয়ার নয়। প্রসব বেদনা ওঠা মা কিংবা সংকটাপন্ন রোগীকে নিয়ে যখন ঘাটে এসে নৌকার জন্য অপেক্ষা করতে হয়, তখন মনে হয় আমরা সভ্য জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো দ্বীপে আছি। এমপির এই দাবিটি যেন শুধু সংসদের কার্যবিবরণীতে সীমাবদ্ধ না থাকে, আমরা দ্রুত কাজ দেখতে চাই। কাজীরগাঁও গ্রামের কালা মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, মাঠে ফসল ফলাই ঠিকই, কিন্তু পরিবহনের অভাবে ন্যায্যমূল্য পাই না। নৌকা পারাপারের খরচ আর সময় আমাদের সব লাভ গিলে ফেলে। সেতু হলে আমাদের মেরুদ- সোজা হয়ে দাঁড়াবে। শিক্ষার্থীদের কষ্টের চিত্র ফুটে ওঠে মন্তাজনগরের শোয়েব আলমের কথায়। তিনি বলেন, বর্ষায় বই-খাতা ভিজে যায়, শীতে কুয়াশার জন্য নৌকা চলে না। আমাদের সন্তানদের শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে শুধুমাত্র একটি সেতুর অভাবে। নাসিমপুর বাজারের ব্যবসায়ী করিম মনে করেন, এই খেয়াঘাটটি এখন স্থানীয় অর্থনীতির গলার কাঁটা। তার মতে, যোগাযোগের অভাবে এখানে পণ্য আনা-নেওয়া করা দুঃসাধ্য। একটি সেতু হলে শুধু যাতায়াত নয়, নাসিমপুর বাজার কেন্দ্রিক একটি বিশাল অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে ওঠা সম্ভব।
দোয়ারাবাজার উপজেলার সোনালীচেলা নদী। পাহাড়ি ঢল আর খর¯খরস্রোতা এই নদীর দুই পাড়ের মানুষের কাছে ‘নাসিমপুর বাজার খেয়াঘাট এক যন্ত্রণার নাম। প্রতিদিন হাজারো মানুষের পদচারণা থাকলেও এখানে থমকে আছে কয়েক প্রজন্মের স্বপ্ন। একটি সেতুর অভাবে যুগ যুগ ধরে এপারের কান্না ওপারে পৌঁছায় না। তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সম্প্রতি জাতীয় সংসদে ছাতক-দোয়ারাবাজার আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এখানে একটি সেতু নির্মাণের দাবি উত্থাপন করায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন দুই পাড়ের লাখো মানুষ। নাসিমপুর খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন মানুষজনকে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। বর্ষায় নদী যখন উত্তাল থাকে, তখন খেয়া পারাপার হয়ে ওঠে জীবন-মরণ লড়াই। আর শুষ্ক মৌসুমে বালুচরে দীর্ঘ পথ হাঁটার ক্লান্তি যেন এই অঞ্চলের মানুষের ললাট লিখন। সংসদ সদস্যের আন্তরিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে নাসিমপুর গ্রামের জুয়েল মিয়া বলেন, আমাদের এই দুঃখ যেন শেষ হওয়ার নয়। প্রসব বেদনা ওঠা মা কিংবা সংকটাপন্ন রোগীকে নিয়ে যখন ঘাটে এসে নৌকার জন্য অপেক্ষা করতে হয়, তখন মনে হয় আমরা সভ্য জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো দ্বীপে আছি। এমপির এই দাবিটি যেন শুধু সংসদের কার্যবিবরণীতে সীমাবদ্ধ না থাকে, আমরা দ্রুত কাজ দেখতে চাই। কাজীরগাঁও গ্রামের কালা মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, মাঠে ফসল ফলাই ঠিকই, কিন্তু পরিবহনের অভাবে ন্যায্যমূল্য পাই না। নৌকা পারাপারের খরচ আর সময় আমাদের সব লাভ গিলে ফেলে। সেতু হলে আমাদের মেরুদ- সোজা হয়ে দাঁড়াবে। শিক্ষার্থীদের কষ্টের চিত্র ফুটে ওঠে মন্তাজনগরের শোয়েব আলমের কথায়। তিনি বলেন, বর্ষায় বই-খাতা ভিজে যায়, শীতে কুয়াশার জন্য নৌকা চলে না। আমাদের সন্তানদের শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে শুধুমাত্র একটি সেতুর অভাবে। নাসিমপুর বাজারের ব্যবসায়ী করিম মনে করেন, এই খেয়াঘাটটি এখন স্থানীয় অর্থনীতির গলার কাঁটা। তার মতে, যোগাযোগের অভাবে এখানে পণ্য আনা-নেওয়া করা দুঃসাধ্য। একটি সেতু হলে শুধু যাতায়াত নয়, নাসিমপুর বাজার কেন্দ্রিক একটি বিশাল অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে ওঠা সম্ভব।