অতি বৃষ্টিতে দিরাইয়ের হাওরে জলাবদ্ধতা, পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি

আপলোড সময় : ৩০-০৪-২০২৬ ০১:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ৩০-০৪-২০২৬ ০১:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন
সামছুল ইসলাম সরদার :: টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে দিরাই উপজেলার ছোট-বড় হাওরের নিসমনাঞ্চলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে পাকা বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে কৃষকদের স্বপ্নের সোনালী ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। উপজেলার বরাম, উদগল, চাপতি, টাংনি, কালিয়াকুটা সহ বিভিন্ন হাওরের নিুাঞ্চল এখন পানির নিচে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, হাওরের পানি নিষ্কাশনের সুষ্ঠু ব্যবস্থা না থাকা, নদী ভরাট হয়ে যাওয়া এবং অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ অঞ্চলের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষের প্রধান জীবিকা বৈশাখী বোরো ধান। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, দিরাইয়ের ৩৯টি হাওরে মোট ৩০ হাজার ১৭৮ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে প্রায় ১২ লাখ ৮ হাজার ৯৩৭ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। চাপতি হাওরপাড়ের কৃষক সাদিক মিয়া বলেন, অনুকূল আবহাওয়ায় ধানের ফলন ভালো হলেও টানা বৃষ্টিতে নি¤œাঞ্চলের পাকা ধান ডুবে যাচ্ছে। শ্রমিক সংকট ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সময়মতো ধান কাটা যাচ্ছে না। জলাবদ্ধতার কারণে হারভেস্টার মেশিনও কাজে লাগানো যাচ্ছে না। আরেক কৃষক মুমিন মিয়া বলেন, কিছু ধান কাটার পর রোদ না থাকায় তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া দ্রুত স্বাভাবিক না হলে তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনোরঞ্জন অধিকারী জানান, এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ১০০ হেক্টর জমি জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে। মোট আবাদি জমির মধ্যে ১৪ হাজার ৭৭১ হেক্টরের ধান কাটা হয়েছে, যা প্রায় ৫২ শতাংশ। ধান কাটার জন্য সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ১১০টি হারভেস্টার ও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শ্রমিক থাকলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

  • সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মো. জিয়াউল হক
  • সম্পাদক ও প্রকাশক : বিজন সেন রায়
  • বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : মোক্তারপাড়া রোড, সুনামগঞ্জ-৩০০০।

অফিস :

  • ই-মেইল : dailysunamkantha@gmail.com
  • ওয়েবসাইট : www.sunamkantha.com